কোন জীবে উৎসেচক নেই?
সঠিক উত্তরঃ
C.
ভাইরাসে
Explanation:

Another Explanation (5):
ভাইরাসে উৎসেচক (Enzyme) অনুপস্থিত থাকার কারণ
ভাইরাস🦠🦠🦠 জীবন্ত কোষ নয়। এটি নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA🧬 অথবা RNA🧬) এবং প্রোটিন 🛡️ দিয়ে গঠিত একটি জটিল কাঠামো। ভাইরাসের নিজস্ব কোনো সেলুলার অঙ্গাণু নেই, যা উৎসেচক তৈরি করতে পারে। তাই ভাইরাসে কোনো উৎসেচক থাকে না। নিচে এর কারণগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:ভাইরাসের গঠন এবং উৎসেচকের অভাব
ভাইরাসের গঠন মূলত দুটি জিনিস দিয়ে তৈরি:- নিউক্লিক অ্যাসিড: ভাইরাসের কেন্দ্রে DNA অথবা RNA থাকে।🧬
- ক্যাপসিড: নিউক্লিক অ্যাসিডকে ঘিরে থাকা প্রোটিনের আবরণ।🛡️
ভাইরাসের জীবন প্রক্রিয়া এবং উৎসেচকের প্রয়োজনীয়তা
ভাইরাস 🦠🦠🦠 জীবন???ত কোষের বাইরে নিষ্ক্রিয় থাকে। যখন এটি কোনো জীবন্ত কোষের সংস্পর্শে আসে, তখন সেটিকে ব্যবহার করে নিজের সংখ্যাবৃদ্ধি করে। এই প্রক্রিয়ায় ভাইরাস কোষের নিজস্ব উৎসেচক ব্যবহার করে। কিছু ভাইরাস 🦠🦠🦠 কিছু বিশেষ উৎসেচক বহন করে, যা তাদের কোষের মধ্যে প্রবেশ করতে বা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। কিন্তু এই উৎসেচকগুলো ভাইরাসের নিজস্ব তৈরি করা নয়।সারণী: ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে উৎসেচকের তুলনা
| বৈশিষ্ট্য | ভাইরাস 🦠 | ব্যাকটেরিয়া 🦠 |
|---|---|---|
| কোষীয় গঠন | নেই ❌ | আছে ✅ |
| রাইবোসোম | নেই ❌ | আছে ✅ |
| নিজস্ব উৎসেচক তৈরি করার ক্ষমতা | নেই ❌ | আছে ✅ |
| সংখ্যাবৃদ্ধি | কোষের অভ্যন্তরে ✅ | নিজেই সক্ষম ✅ |
ভাইরাসের বেঁচে থাকার কৌশল
ভাইরাস 🦠🦠🦠 যেহেতু নিজের খাদ্য তৈরি করতে বা শক্তি উৎপাদন করতে পারে না, তাই এটি জীবন্ত কোষের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল। এটি নিম্নলিখিত উপায়ে বেঁচে থাকে:- কোষের মধ্যে প্রবেশ করে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। 🎯
- কোষের প্রোটিন তৈরি করার পদ্ধতি ব্যবহার করে নিজের সংখ্যাবৃদ্ধি করে। ➕➕➕
- নতুন ভাইরাস তৈরি হলে কোষ থেকে বেরিয়ে গিয়ে অন্যান্য কোষকে সংক্রমিত করে। ➡️➡️➡️
ব্যতিক্রম ⚠️
কিছু ভাইরাস 🦠🦠🦠 তাদের জীবনচক্রে সাহায্য করার জন্য অল্প সংখ্যক উৎসেচক বহন করে। উদাহরণস্বরূপ, রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ (Reverse Transcriptase) নামক একটি উৎসেচক কিছু ভাইরাসের (যেমন HIV) RNA থেকে DNA তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। তবে এই উৎসেচকগুলিও ভাইরাস দ্বারা উৎপাদিত হয় না, বরং এটি যখন কোনও কোষকে সংক্রমিত করে তখন সেই কোষ থেকে সংগ্রহ করে।উপসংহার: ভাইরাসের নিজস্ব উৎসেচক তৈরির ক্ষমতা নেই। এটি জীবন্ত কোষের উৎসেচক ব্যবহার করে বেঁচে থাকে।🦠
Option A Explanation:
- নীল সবুজ শৈবালে: এটি একটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা অণুজীব নয়।
- উৎসেচকের অভাব: এই জীবের মধ্যে কোনও উৎসেচক নেই কারণ তারা সাধারণত স্ব-প্রজনন বা স্ব-প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে জীবনচক্র চালায়।
- প্রকার: এটি মূলত অণুজীব নয় বরং একটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা প্রাকৃতিক উপাদান।
Option B Explanation:
- ছত্রাক: প্লাজমিডগুলি ছত্রাকের মধ্যে পাওয়া যায়, বিশেষ করে কিছু প্রকারের ছত্রাক যেখানে তারা জৈবিক ক্রিয়াকলাপে সহায়তা করে।
- অন্য প্রকার জীব: ছত্রাকে প্লাজমিডের উপস্থিতি সাধারণত দেখা যায় না, কারণ তারা মূলত ব্যাকটেরিয়ার জন্য নির্দিষ্ট।
Option C Explanation:
- ভাইরাসে প্লাজমিড পাওয়া যায়: ভাইরাসে প্লাজমিড বা প্লাজমিড-লাইক উপাদান সাধারণত পাওয়া যায় না। কারণ, প্লাজমিড মূলত ব্যাকটেরিয়া বা কিছু অর্গানিজমের মধ্যে পাওয়া যায়, যেখানে তারা জেনেটিক উপাদান স্থানান্তর করে।
- ভাইরাসের গঠন: ভাইরাস মূলত নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) এবং প্রোটিন কভার দ্বারা গঠিত, যা তাদের জীবিত বা জীবনের ধাপে আনুকূল্য করে।
- উপসংহার: তাই, ভাইরাসে প্লাজমিডের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না।
Option D Explanation: ```html
- লাইকেনে: লাইকেনে একটি অগোত্রীয় অঙ্গবিশেষ, যা সাধারণত অঙ্গবিশেষ বা প্রোটিন উৎসেচক হিসেবে কাজ করে না।
- এটি সাধারণত ফটোসিনথেসিসের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে এবং অন্যান্য অঙ্গবিশেষের সাথে যৌগিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।
- লাইকেনে উৎসেচক ধারণ করে না, কারণ এটি মূলত একটি অঙ্গবিশেষ বা অঙ্গবিশেষের সমবায় যা নিজে উৎসেচক হিসেবে কাজ করে না।