'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসটি কে লিখেছেন?
A. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
B. মুনীর চৌধুরী
C. আবুল ফজল
D. আহসান হাবিব
সঠিক উত্তরঃ
A.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "চাঁদের অমাবস্যা' রচিয়তা কে?
- দিন কাটিয়া যায়। জীবন অতিবাহিত হয়। ঋতুচক্রে পাক খায়। পদ্মার ভাঙন-ধরা তীরে মাটি ধসিতে থাকে, পদ্মার বুকে জল ভেদ করিয়া জাগিয়া উঠে চর। অর্ধশতাব্দীর বিস্তীর্ণ চর, পদ্মার জলে আবার বিলীন হইয়া যায়। জেলে পাড়ার শিশুর ক্রন্দন কোনোদিন বন্ধ হয় না। ক্ষুধা-তৃষ্ণার দেবতা, হাসি-কান্নার দেবতা, অন্ধকার আত্মার দেবতা- ইহাদের পূজা কোনোদিন সাঙ্গ হয় না।"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের সূচনা অংশের খন্ডিত রূপায়ণ মাত্র।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়।' 'লালসালু'উপন্যাসের এ বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে মজিদের—
- ”পদ্মা নদীর মাঝি” কি ধরনের রচনা?
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরাহণের পরপরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সঙ্গে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনককার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তার অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পা??য়া সত্ত্বেও শক্ত হতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।উদ্দীপকের হুমায়ুনের সিংহাসনে আরোহণ এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার সিংহাসনে আরোহণের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ্ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল, তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্তসমস্ত হইয়া ছুটিয়ে আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শাশুরাজি ভূলুষ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লক্ষে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া দিয়া বলিয়া উঠল, 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব।' কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পীরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পীর ছিলেন; এক্ষণে তাঁহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া গেল।'পীরপ্রথা বিস্তারে কেবল পীর নয় সাধারণ জনগণও সমানভাবে দায়ী।'- উক্তিটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'পোলা মাইনষের মাথায় একটা বদ খেয়াল ঢুকছে'- উক্তিটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- শিক্ষিত মানুষের সংস্কৃতিই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই সংস্কৃতি। তাই অশিক্ষিত দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। এই সংগঠনের নেতাগণ সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। তেমনি একজন নেতা শাহ্ কদম আলী। নিজের পানি পড়ায় বিশ্বাস নেই তার। তাই চিকিৎসার জন্য ভক্তদের টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুর যান। তবে গ্রামবাসীর মহৌষধ হলো শাহ্ কদম আলীর পড়া পানি।উদ্দীপকের শাহ্ কদম আলী 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ও কতটুকু ব্যাখ্যা কর।
- মজিদের মুখে কে থু থু দিয়েছিল? কেন?
- সুড়ঙ্গ নাটকটি কার লেখা ?
- 'লালসালু' উপন্যাসে ঝড় এলে হৈ হৈ করার অভ্যাস কার?
- আওয়ালপুরের পীর সাহেবের প্রধান মুরিদ কে?
- 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের মধ্যে কোনটি অনুপস্থিত?
- 'পায়ের আঙুলে দাড়িয়ে বকের মতো গলা বাড়িয়ে পির সাহেবকে একবার দেখার চেষ্টা করে।' যার সম্পর্কে এই কথা বলা হয়েছে
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'ভাং-গাঁজা খাওয??া রসকসশূন্যহাড়গিলে চেহারা'— কার?
- হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানষের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়- বর্ণনা করো।
- তোমার দাড়ি কই মিঞা?__কাকে বলা হয়েছে?
- রমজান ও হালিমার দশ বছরের সংসার। বিয়ের পর থেকে অনেক চেষ্টার পরও তাদের কোনো সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরে এক গ্রামের কেরামত নামক কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল রমজান দ্রুত হালিমাকে সেখানে নিয়ে যায়। কবিরাজ হেকমত অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলেন "পেটে বেড়ি পড়ে বইলাইতো স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ কারো চৌদ্দ।উদ্দীপকের রমজান ও 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর মধ্যে বিদ্যমান সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।