Entamoeba histolytica কোন রোগ সৃষ্টি করে?
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসননকর্ডাটা প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Amoebiasis
Explanation:

Another Explanation (5):
Entamoeba histolytica এবং অ্যামিবিয়াসিস (Amoebiasis)🦠
ভূমিকা
Entamoeba histolytica একটি পরজীবী অ্যামিবা যা মানুষের অন্ত্রে বসবাস করে এবং অ্যামিবিয়াসিস নামক রোগ সৃষ্টি করে। এটি একটি বিশ??বব্যাপী স্বাস্থ্য সমস্যা, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং দূষিত খাবার পানির কারণে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। 🌍💧রোগের কারণ
এই রোগের প্রধান কারণ হলো Entamoeba histolytica নামক অ্যামিবার সংক্রমণ। দূষিত খাবার, পানি এবং অপরিষ্কার পরিবেশের মাধ্যমে এই পরজীবী মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। 🤢🤮সংক্রমণের প্রক্রিয়া
* দূষিত খাবার ও পানি গ্রহণ: 🍔🥤 পরজীবীর সিস্ট (cyst) দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। * সিস্টের রূপান্তর: 🥚 পেটে পৌঁছানোর পর সিস্টগুলো ট্রফোেজয়েটে (trophozoite) পরিণত হয়। * অন্ত্রে সংক্রমণ: 🦠 ট্রফোেজয়েটগুলো বৃহদান্ত্রের (large intestine) প্রাচীরে আক্রমণ করে এবং ক্ষত সৃষ্টি করে। * রক্তে বিস্তার: 🩸 মারাত্মক ক্ষেত্রে, এরা রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে লিভার, ফুসফুস ও মস্তিষ্কে ছড়িয়ে যেতে পারে।অ্যামিবিয়াসিসের লক্ষণ 🤒
অ্যামিবিয়াসিসের লক্ষণগুলো হালকা থেকে গুরুতর হতে পারে। কিছু সাধারণ লক্ষণ নিচে উল্লেখ করা হলো:- পেটে ব্যথা 😫
- ডায়রিয়া (সাধারণত রক্ত ও শ্লেষ্মা মিশ্রিত) 🩸
- বমি বমি ভাব 🤢
- জ্বর 🤒
- ক্লান্তি 😪
- ওজন হ্রাস 📉
রোগ নির্ণয় পদ্ধতি 🔬
অ্যামিবিয়াসিস নির্ণয়ের জন্য নিম্নলিখিত পরীক্ষাগুলো করা যেতে পারে:- মল পরীক্ষা (Stool test): 💩🔬 মলে Entamoeba histolytica-এর সিস্ট ও ট্রফোেজয়েট সনাক্ত করা।
- রক্ত পরীক্ষা (Blood test): 💉 শরীরে অ্যামিবার বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি (antibody) সনাক্ত করা।
- কোলনস্কোপি (Colonoscopy): 🩻 বৃহদান্ত্রের ভেতরের দেয়াল পরীক্ষা করা এবং কোনো ক্ষত বা আলসার থাকলে তা দেখা।
- লিভার আলট্রাসনোগ্রাফি (Liver ultrasonography): 🩺 লিভারে অ্যাবসেস (abscess) সনাক্ত করা।
চিকিৎসা 💊
অ্যামিবিয়াসিসের চিকিৎসায় সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক (antibiotics) ব্যবহার করা হয়। কিছু প্রধান ওষুধ হলো:| ওষুধের নাম | ব্যবহার |
|---|---|
| মেট্রোনিডাজল (Metronidazole) | এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ওষুধ। এটি ট্রফোেজয়েটগুলোকে ধ্বংস করে। |
| টিনিডাজল (Tinidazole) | এটিও মেট্রোনিডাজলের মতো কাজ করে এবং এটি একটি বিকল্প ওষুধ। |
| ডিলোক্সানাইড ফিউরোয়েট (Diloxanide furoate) | এটি অন্ত্রের মধ্যে থাকা সিস্টগুলোকে ধ্বংস করে। |
প্রতিরোধ 🛡️
অ্যামিবিয়াসিস প্রতিরোধের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে:- সব সময় পরিষ্কার পরিছন্ন থাকা এবং ভালো করে হাত ধোয়া। 🧼🤲
- নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করা। 💧
- খাবার ভালোভাবে রান্না করা। 🍳
- ফল ও সবজি খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া। 🍎🥦
- ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। 🧘
- পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি করা। 🚽
জটিলতা 🤕
সময় মতো চিকিৎসা না করালে অ্যামিবিয়াসিস মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, যেমন:- লিভার অ্যাবসেস (Liver abscess) 🤕
- ফুসফুসে সংক্রমণ (Pulmonary amebiasis) 🫁
- মস্তিষ্কে সংক্রমণ (Brain abscess) 🧠
উপসংহার
Entamoeba histolytica দ্বারা সৃষ্ট অ্যামিবিয়াসিস একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। সঠিক স্বাস্থ্যবিধি, নিরাপদ খাবার ও পানি এবং দ্রুত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। 🙏Option A Explanation:
- অবস্থান: Entamoeba histolytica একটি প্রোটোজোয়া (Protozoan) যা মানবদেহের অন্ত্রে বাস করে।
- সংক্রমণের মাধ্যম: সাধারণত পচা ও দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে এটি শরীরে প্রবেশ করে।
- প্রধান লক্ষণ: অন্ত্রের প্রদাহ, ডায়রিয়া, জলজ্যান্ত পায়খানা, রক্তাক্ত পায়খানা, এবং কখনো কখনো পেট ব্যথা ও জ্বর হতে পারে।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি অন্ত্রের ক্ষত সৃষ্টি করে এবং কিছু ক্ষেত্রে লিভারসহ অন্যান্য অঙ্গেও ছড়িয়ে যেতে পারে।
- চিকিৎসা: অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক ও এন্টিবায়োটিক ওষুধের মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা করা হয়।
Option B Explanation:
- ডেঙ্গু: ডেঙ্গু হলো একটি ভাইরাল রোগ যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
- প্রধান লক্ষণ: উচ্চ তাপমাত্রা, মাথা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বাতাসে ব্যথা, হঠাৎ করে দেহে চামড়ার র্যাশ এবং শরীরে ব্যথা।
- প্রতিরোধ: মশা থেকে রেহাই পাওয়া, মশার কামড় কমানো, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা।
- চিকিৎসা: সাধারণত স্যালাইন ও পুষ্টিকর খাবার দিয়ে চিকিৎসা করা হয়, তবে গুরুতর ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি প্রয়োজন হতে পারে।
Option C Explanation:
- Filariasis: এটি একটি প্রজননজনিত রোগ যা মূলত পরজীবী পরজীবী filarial worms দ্বারা সৃষ্টি হয়।
- প্রধান কারণ: এই রোগের মূল কারণ হলো Wuchereria bancrofti, Brugia malayi, এবং Brugia timori নামে পরজীবী পরজীবী।
- প্রক্রিয়া: পরজীবী পরজীবী লিম্ফাটিক সিস্টেমে বৃদ্ধি পায় এবং লিম্ফ ফ্লো বাধা সৃষ্টি করে।
- লক্ষণ: লিম্ফেডেমা বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গে শারীরিক ফোলা, অপ্রাকৃত অঙ্গের বৃদ্ধি, এবং কষ্টজনক অস্বস্তি হতে পারে।
- প্রতিরোধ ও উপশম: উপযুক্ত ওষুধের মাধ্যমে পরজীবী নির্মূল করা সম্ভব, যেমন অ্যান্টিমেলারিয়াল ওষুধ।
Option D Explanation:
- টাইফয়েড: এটি একটি ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ, যা Salmonella typhi বা Salmonella paratyphi দ্বারা সৃষ্ট।
- প্রধান লক্ষণ: উচ্চ জ্বর, পেট ব্যথা, ক্লান্তি, অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ ও পেটের অসুবিধা।
- প্রসার: সাধারণত পানীয় জলের মাধ্যমে ছড়ায়, যেখানে সংক্রামক ডায়রিয়া বা দূষিত খাবার খাওয়ার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
- প্রতিরোধ: পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য গ্রহণ, টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ সম্ভব।
Option E Explanation:
Jaundice এর ব্যাখ্যা
- সংজ্ঞা: Jaundice হল একটি অবস্থা যেখানে শরীরের ত্বক এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হলুদ রঙের হয়ে যায়, যা সাধারণত রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ বেশি হয়ে যাওয়ার কারণে ঘটে।
- কারণসমূহ:
- যকৃৎজনিত সমস্যা (যেমন হেপাটাইটিস, সিরোসিস)
- বিলিরুবিনের অপচয় বা প্রবাহে বাধা (যেমন পাথর, টিউমার)
- রক্তের অস্বাভাবিকতা (যেমন হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া)
- লক্ষণসমূহ: হলুদ রঙের ত্বক ও চোখের সাদা অংশ, অন্ধকার পায়খানা, ক্লান্তি, বমি বমি ভাব
- উপায়: মূল কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা, যেমন ঔষধ, ডায়েট পরিবর্তন বা কিছু ক্ষেত্রে সার্জারি।