আইন্সটাইন বিশেষ আপেক্ষিকতার সুত্র আবিষ্কার করেন-
NITORপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজ্যোতির্বিজ্ঞানটেলিস্কোপ (Topic Practice)NITOR - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
১৯০৫ সালে
Explanation:

Another Explanation (5):
আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব:
💡আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (Special Theory of Relativity) প্রকাশ করেন।
বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের মূল ধারণা:
- আপেক্ষিকতার মূলনীতি: পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো সকল জড় কাঠামোতে একই থাকবে। অর্থাৎ, যে কোনো observer যদি ধ্রুবগতিতে(constant velocity) চলতে থাকে তবে তার সাপেক্ষে পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো অপরিবর্তিত থাকবে। 🔭
- আলোর গতির ধ্রুবতা: শূন্যস্থানে আলোর গতি \(c\) একটি ধ্রুব রাশি, যা পর্যবেক্ষক এবং আলোর উৎসের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। আলোর গতি ২৯৯,৭৯২,৪৫৮ মিটার প্রতি সেকেন্ড। ✨
গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল:
- সময় dilation (Time dilation): চলমান পর্যবেক্ষকের জন্য সময় ধীরে চলে। ⏰ \[ t' = \frac{t}{\sqrt{1 - \frac{v^2}{c^2}}} \]
- দৈর্ঘ্য সংকোচন (Length contraction): গতির দিকে বস্তুর দৈর্ঘ্য সংকুচিত হয়। 📏 \[ L' = L\sqrt{1 - \frac{v^2}{c^2}} \]
- ভর বৃদ্ধি (Mass increase): গতি বাড়ার সাথে সাথে বস্তুর ভর বৃদ্ধি পায়। 🏋️♀️ \[ m' = \frac{m}{\sqrt{1 - \frac{v^2}{c^2}}} \]
- ভর-শক্তি সমীকরণ: \(E=mc^2\), যেখানে \(E\) হলো শক্তি, \(m\) হলো ভর এবং \(c\) হলো আলোর গতি। 💣 এই সমীকরণ অনুসারে ভরকে শক্তিতে এবং শক্তিকে ভরে রূপান্তরিত করা যায়।
এই তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের জগতে একটি ??িপ্লবী পরিবর্তন আনে এবং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করে। 🚀