মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে কোন সংস্থা?
NSTUUnit-Eসাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকবিভিন্ন সংস্থাবিভিন্ন সংস্থা (Topic Practice)NSTU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
ইউনেস্কো
Another Explanation (5): ```html
মঙ্গল শোভাযাত্রা: বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য 🎊
মঙ্গল শোভাযাত্রা বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব। এটি প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে (বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে) অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো এই শোভাযাত্রাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে।
ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি 🏆
- সংস্থা: ইউনেস্কো (UNESCO)
- স্বীকৃতির বছর: ২০১৬
- স্বীকৃতির ধরন: বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (Intangible Cultural Heritage of Humanity)
- গুরুত্ব: এটি অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও লোকশিল্পের মেলবন্ধন। 🤝
শোভাযাত্রার মূল উপাদান 🎨
- বৃহৎ আকারের মুখোশ: বিভিন্ন পশু-পাখি ও কল্পিত চরিত্রের মুখোশ ব্যবহৃত হয়। 👹🦁
- রঙিন প্ল্যাকার্ড: সমসাময়িক বিষয় ও ঐতিহ্য নিয়ে বার্তা থাকে। 📣
- লোকনৃত্য ও গান: বাউল গান, জারী গান ও অন্যান্য লোকসংগীত পরিবেশিত হয়। 🎶💃
- ঐতিহ্যবাহী শিল্পকর্ম: কাঠ, বাঁশ, মাটি ও কাগজ দিয়ে তৈরি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়। 🖼️
শোভাযাত্রার তাৎপর্য 💫
| বিষয় | তাৎপর্য |
|---|---|
| ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি | বাঙালি সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে এবং ঐতিহ্যকে ধরে রাখে। 🏘️ |
| অসাম্প্রদায়িক চেতনা | ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বৃদ্ধি পায়। 🕊️ |
| আনন্দ ও উৎসব | নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার আনন্দ সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়। 😄 |
| শিল্প ও সৃজনশীলতা | লোকশিল্প ও কারুশিল্পের বিকাশ এবং সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করে। 💡 |
ছবি গ্যালারি 🏞️
মঙ্গল শোভাযাত্রা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি। ❤️ এটি আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক ও বাহক। 🙏
```