‘ডাকঘর’ নাটকটির রচয়িতা কে?
A. শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
B. মমতাজউদ্দীন আহমদ
C. ওবায়েদ উল হক
D. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তরঃ
D.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation: ‘ডাকঘর’ রবীন্দ্রনাথের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক। এটি একটি সাংকেতিক নাটক। রবীন্দ্রনাথ-বিসর্জন, চিত্রাঙ্গদা, অচলায়তন, রাজা ও রাণী প্রভৃতি নাটকও রচনা করেন।
Related Questions (Any University/Year)
- 'ঘরেতে এলো না সে তোমনে তার নিত্য আসা যাওয়াপরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর। ' উদ্দীপকের চরিত্রটি 'অপরিচিতা' গল্পের কাকেপ্রতিনিধিত্ব করে?
- নিচের কোনটি গদ্য রচনা নয়
- ঔপনিবেশিক শাসন আমলে বেগম রোকেয়া কলকাতায় শাখাওয়াৎ মোমোরিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য। তার লক্ষ্য ছিল শিক্ষার মাধ্যমে নারীকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে গড়ে তোলা। নারীর কল্যাণ ও মঙ্গল নারীর আত্মমর্যাদার সঙ্গে জড়িত।"উদ্দীপকের চিন্তায় আছে সাধনা এবং 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের চিন্তায় আছে মুক্তিবুদ্ধি।"- মূল্যায়ন করো।
- অপরিচ???তা গল্পে কথকের বাবার পেশা কী ছিল?
- কোন শব্দগুলো বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত?
- 'বিনুদার ভাষাটা অত্যন্ত ―।' শূন্যস্থানে কী বসবে?
- বাবা না থাকায় চাচাই মূলত, বিয়ের সময় সবুজের অভিভাবক হয়ে ওঠেন। বিয়ের কথাবার্তা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে তখন চাচার অস্বাভাবিক যৌতুক দাবির কারণে মেয়ের বাবা নারাজ হন। এমন লোভী পরিবারে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন।
- গৌরী ও সঞ্জয় অনেক দিন ধরে একই অফিসে চাকরি করছে কিন্তু সহকর্মীরা জানে না দুজনার অন্তরে গভীর ক্ষত। গৌরীকে নিজে পছন্দ করে বিয়ে করতে চেয়েছিল সঞ্জয়। বছর পাঁচেক আগে লোক খাওয়ানো নিয়ে বিয়ে ভেঙেছে তাদের। পিতৃহীন সঞ্জয় কাকার আশ্রয়ে মানুষ তাই তার দোষ জেনেও প্রতিবাদ করতে পারেনি। একদিন গৌরীর কাছে নিজের অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরে সঞ্জয়। বলে, তার জন্য সে সারা জীবন অপেক্ষা করবে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে গৌরী বলে, 'কী দরকার, এই তো বেশ আছি।'"এই তো বেশ আছি!'-গৌরীর এই উক্তিতে 'অপরিচিতা' গল্পের পরিণতি প্রতিফলিত হয়েছে"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের বাবা কী করে জীবিকা নির্বাহ করতেন?
- কোনটি বিয়োগান্তক নাটক নয়?
- "অপরিচিতা গল্পটি" কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
- সবেমাত্র ডাক্তারি পাশ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগদান করেছে পরেশ। এর মধ্যেই তার বাবা তাকে না জানিয়ে পাশের গ্রামে সুন্দরী শিক্ষিত এক মেয়ের সাথে বিয়ের ব্যবস্থা পাকা করে ফেলেছেন। ঘটকের মাধ্যমে পরেশ জানতে পেরেছে, ঘর সাজিয়ে দেওয়া ছাড়াও বরপক্ষকে মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে। সবকিছু জানার পর, কোনো বিনিময় ছাড়াই পরেশ বিয়ের পক্ষে মত দেয় এবং শেষ পর্যন্ত তার কথা সবাই মেনে নেয়।'অপরিচিতা' গল্পের উদ্দিষ্ট চরিত্র যদি উদ্দীপকের পরেশের মতো হতো, তাহলে গল্পের পরিণতি কেমন হতো? বিশ্লেষণ করো।
- একান্তই নির্জীব কোনো তেজ নাই কার?
- আদিব ও শাফিক দুই বন্ধু। আদিব অহংকারী, নির্জীব,পৌরুষশূন্য। অন্যদিকে শাফিক উচ্ছল, রসিক। শাফিকযেকোনো পরিবেশে দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নেয়। সে হয়েওঠে আলোচনার মধ্যমণি। কোন কারণে উদ্দীপকের আদিব ও 'অপরিচিতা' গল্পেঅনুপম সাদৃশ্যপূর্ণ?অহমিকায়নিস্পৃহতায়মেরুদণ্ডহীনতায়নিচের কোনটি সঠিক?
- আঠারো বছর বয়সীদের তাজা প্রাণে কেমন যন্ত্রণাসৃষ্টি হয়?
- কোনো যৌতুক না চাইলেও বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার সময় গাড়িবোঝাই উপহার দেখে আজাদ সাহেব অবাক হয়ে গেলেন। তিনি মেয়ের বাবাকে বলেন, আমরা উপহার বা যৌতুক নিতে আসেনি, আমার ছেলের জন্য শুধু আপনার মেয়েকে নিতে এসেছি।
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে না করার সিদ্ধান্তেরকারণ কী ছিল?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদিবসতি কোথায় ছিল?
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমকালীন ভারতবর্ষে পুরুষশাসিত সমাজজীবনের সবক্ষেত্রে তৎকালীন নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন এবং অধিকারহীনভাবে দেখেছেন পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। তাঁর বিভিন্ন রচনায় তিনি নারী সমাজকে জ্ঞানচর্চা ও কর্মব্রতী, অধিকার সচেতন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় প্রলুব্ধ করতে চেয়েছেন। পরিবার ও সমাজের অপরিহার্য অর্ধেক শক্তি নারীসমাজের দুর্বল ও অবনত অবস্থার জন্য পুরুষ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আশা করেছেন।
- নাট্যকার হেনরিক ইবসেন তাঁর 'নোরা' নাটকে পুরুষশাসিত সমাজের সাথে নারী ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষ তুলে ধরেছেন সুচারুভাবে। এ নাটকেই তিনি দেখিয়েছেন। ক্ষুদ্র গৃহকোণে অবস্থান করে সংসার করাই নারীর একমাত্র কর্ম নয়, অন্তত তার নায়িকা নোরা চায় বৃহত্তর সমাজ জীবনের মধ্যে বিকাশও আত্মপ্রতিষ্ঠা।উল্লিখিত সাদৃশ্য বিবেচনার ভিত্তি হলো-নারী ব্যক্তিত্বের উন্মেষনারীর আত্মোপলব্ধি ও আত্ম প্রতিষ্ঠানারীর প্রতি পুরুষশাসিত সমাজের বৈষম্যনিচের কোনটি সঠিক?