গ্যাসীয় অবস্থায় এক মােল পরমাণুতে এক মােল ইলেকট্রন যােগ করলে যে শক্তির পরিবর্তন হয় তা হলাে-
DUUnit-Aরসায়ন প্রথম পত্রমৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধনআয়নীকরণ শক্তি, ইলেক্ট্রন আসক্তি ও তড়িৎ ঋনাত্বকতা (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
১ম ইলেকট্রনের আসক্তি
Explanation:

Another Explanation (5):
গ্যাসীয় অবস্থায় এক মোল পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন যোগ করলে শক্তির পরিবর্তন: ১ম ইলেকট্রন আসক্তি ⚛️
গ্যাসীয় অবস্থায় এক মোল পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন যোগ করে এক মোল ঋণাত্মক আয়ন (anion) তৈরির সময় যে শক্তির পরিবর্তন হয়, তাকে প্রথম ইলেকট্রন আসক্তি (1st Electron Affinity) বলে। 🤔
বিষয়টি ভালোভাবে বোঝার জন্য নিচের বিষয়গুলো লক্ষ করি:
- পরমাণুর অবস্থা: পরমাণু গ্যাসীয় অবস্থায় থাকতে হবে। 💨
- ইলেকট্রন যোগ: এক মোল পরমাণুতে ঠিক এক মোল ইলেকট্রন যোগ করতে হবে। ➕
- আয়ন তৈরি: এর ফলে ঋণাত্মক আয়ন তৈরি হবে। ➖
- শক্তির পরিবর্তন: এই প্রক্রিয়ায় শক্তি নির্গত হতে পারে অথবা শোষিত হতে পারে। 🔥/❄️
ইলেকট্রন আসক্তিকে প্রভাবিত করার কারণসমূহ:
- পরমাণুর আকার: আকার ছোট হলে ইলেকট্রন আসক্তি বেশি হয়। 🤏
- নিউক্লিয়ার চার্জ: নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সংখ্যা বাড়লে ইলেকট্রন আসক্তি বাড়ে। 💪
- ইলেকট্রন বিন্যাস: স্থিতিশীল ইলেকট্রন বিন্যাস (যেমন: অষ্টক পূর্ণ) থাকলে ইলেকট্রন আসক্তি কম হয়। 🎯
উদাহরণ: ক্লোরিনের ইলেকট্রন আসক্তি
ক্লোরিনের ইলেকট্রন আসক্তি -349 kJ/mol। এর মানে হলো, এক মোল গ্যাসীয় ক্লোরিন পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন যোগ করে এক মোল ক্লোরাইড আয়ন তৈরি করলে 349 kJ শক্তি নির্গত হয়। 🤑
Cl(g) + e⁻ → Cl⁻(g); ΔH = -349 kJ/mol
বিভিন্ন মৌলের ১ম ইলেকট্রন আসক্তি (কিলোজুল/মোল)
| মৌল | ১ম ইলেকট্রন আসক্তি (kJ/mol) |
|---|---|
| ফ্লোরিন (F) | -328 |
| ক্লোরিন (Cl) | -349 |
| ব্রোমিন (Br) | -325 |
| আয়োডিন (I) | -295 |
| অক্সিজেন (O) | -141 |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
- ইলেকট্রন আসক্তি সাধারণত ঋণাত্মক হয়, কারণ শক্তি নির্গত হয়। ⚡
- ২য় ইলেকট্রন আসক্তি সাধারণত ধনাত্মক হয়, কারণ ঋণাত্মক আয়নে ইলেকট্রন যোগ করতে শক্তির প্রয়োজন হয়। 🥵
- ইলেকট্রন আসক্তি পর্যায় সারণীতে গ্রুপ বরাবর সাধারণত কমে যায় এবং পর্যায় বরাবর সাধারণত বাড়ে। 📈📉
আশা করি, ১ম ইলেকট্রন আসক্তি সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 👍 Happy learning! 📚😊