ক্লোরোপ্লাস্টের কাজ কোনটি?
JUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ ও এর গঠনপ্লাস্টিড (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
সবকটি
Explanation: ক্লোরোপ্লাস্টের কাজ হলো শর্করা প্রস্তুত করা, ATP তৈরি করা, এবং ফটোরেস্পিরেশন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করা। সঠিক উত্তর Option D। নোট: ক্লোরোপ্লাস্টে ফটোসিন্থেসিস এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াগুলো সংঘটিত হয়।
Another Explanation (5):
ক্লোরোপ্লাস্টের কাজ কি?
ক্লোরোপ্লাস্ট হলো প্লাস্টিডের এক ধরনের যা বিশেষভাবে সবুজ রঙের এবং পাতা ও সবুজ শাকসবজিতে পাওয়া যায়। এটি মূলত ফটোসিনথেসিস বা আলো সংশ্লেষণের জন্য দায়ী। নিচে ক্লোরোপ্লাস্টের কাজগুলো বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হলো:
- 🌱 ফটোসিনথেসিস সম্পাদন: ক্লোরোপ্লাস্ট সূর্যালোকের আলো ব্যবহার করে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানির মাধ্যমে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে।
- 🌞 আলো সংগ্রহ ও রূপান্তর: এটি সূর্যালোক থেকে শক্তি সংগ্রহ করে, যা পরে অন্যান্য প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
- 🔋 অর্থাৎ, শক্তি সংরক্ষণ ও সরবরাহ: গ্লুকোজের মাধ্যমে শক্তি সংরক্ষণ করে যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়ক।
- 🌿 অক্সিজেন উৎপাদন: ফটোসিনথেসিসের ফলে মুক্তি পায় অক্সিজেন, যা পরিবেশের জন্য উপকারী।
সারাংশ
অতএব, ক্লোরোপ্লাস্টের কাজ হলো সবুজ রঙের পাতা ও শাকসবজিতে দেখা যায় এমন ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়া সম্পাদন করা। এটি উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও শক্তি উৎপাদনের মূল কেন্দ্র।
| কাজ | বর্ণনা |
|---|---|
| 🌱 ফটোসিনথেসিস | সূর্যালোকের আলো ব্যবহার করে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে। |
| 🌞 আলো সংগ্রহ | আলো থেকে শক্তি সংগ্রহ করে ভবিষ্যতের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে। |
| 🔋 শক্তি সংরক্ষণ | গ্লুকোজের মাধ্যমে শক্তি ধরে রাখে। |
| 🌿 অক্সিজেন উৎপাদন | ফটোসিনথেসিসের ফলে মুক্তি পায় অক্সিজেন। |
অতএব, সঠিক উত্তর হলো: "সবকটি" কারণ ক্লোরোপ্লাস্টের উপর এই সব কাজই নির্ভরশীল।
Option A Explanation:
- ক্লোরোপ্লাস্টের মূল কাজ হলো সূর্যালোকের শক্তিকে গ্রহণ করে তা রূপান্তরিত করা।
- এটি ফটোসিন্থেসিসের মাধ্যমে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং জল থেকে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন উৎপাদন করে।
- ফটোসিন্থেসিস প্রক্রিয়ায়, ক্লোরোপ্লাস্টে সূর্যালোকের শক্তি ATP (অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট) ও NADPH-এ রূপান্তরিত হয়।
- ???ই ATP পরবর্তী ধাপে শর্করা তৈরি এবং অন্যান্য জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় energy উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
- শর্করা প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া প্ল্যান্টের ক্লোরোপ্লাস্টে ঘটে।
- এটি ফটোসিনথেসিসের মাধ্যমে হয়, যেখানে সূর্যালোকের শক্তি ব্যবহার করে কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং জল থেকে গ্লুকোজ তৈরি হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের মুক্তি হয় যা পরিবেশে ছেড়ে দেওয়া হয়।
- শর্করা, বিশেষ করে গ্লুকোজ, ভবিষ্যতের শক্তির জন্য সংরক্ষণ করা হয় বা অন্যান্য যৌগে রূপান্তরিত হয়।
Option C Explanation:
- ফটোরেস্পিরেশন হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে সূর্যের আলো ব্যবহার করে গাছপালা, অ্যালগি এবং কিছু ব্যাকটেরিয়া কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) ও জল (H₂O) থেকে শর্করা (অর্থাৎ গ্লুকোজ) উৎপন্ন করে।
- এটি মূলত ক্লোরোপ্লাস্টে ঘটে এবং এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গাছপালা নিজেদের খাদ্য তৈরি করে।
- ফটোরেস্পিরেশন সাধারণত দুটি ধাপে ঘটে:
- আলোক সংশ্লেষণ (Light-dependent reactions): যেখানে সূর্যালোকের শক্তি ব্যবহার করে এনার্জি সংগ্রহ করা হয়।
- আলোক সংশ্লেষণ (Light-independent reactions বা Calvin cycle): যেখানে সংগৃহীত এনার্জি ব্যবহার করে কার্বন ডাইঅক্সাইড থেকে শর্করা তৈরি হয়।
- এই প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ গাছের মূল উপাদান হিসেবে শর্করা উৎপন্ন হয়, যা পরবর্তীতে গাছের বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
বর্ণনা: সবকটি
- Anopheles: এই মশক প্রাথমিকভাবে মালেরিয়া ভাইরাসের বাহক হলেও, কিছু ক্ষেত্রে এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক হিসেবে কাজ করতে পারে।
- Culex: সাধারণত এই মশক জ্বরে (উদাহরণস্বরূপ, ভাইরাসজনিত জ্বর) এবং অন্য কিছু রোগের জন্য দায়ী, তবে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক হিসেবেও কাজ করতে পারে।
- Aedes: এই মশক বিশেষ করে Aedes aegypti এবং Aedes albopictus ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রধান বাহক।
অতএব, "সবকটি" অপশনটি উল্লেখ করে, বোঝানো হয় যে, উপরোক্ত সকল মশক ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক হতে পারে, যদিও সাধারণভাবে Aedes সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাহক হিসেবে পরিচিত।