'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার চিত্র ফুটে উঠেছে। ওই সময়ে পাকিস্তানি মিলিটারি ঢাকা শহরকে পুরো নিয়ন্ত্রনে রেখেছিল। সময়ে- অসময়ে কারফিউ জারি করে মানুষকে ঘরে থাকতে বাধ্য করত। কখনো মানুষকে ধরে কিংবা বাস থেকে নামিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে মেরে ফেলত। সেই পরিস্থিতিতেই বদিউল আলম তাঁর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা দল নিয়ে ঢাকায় ঢুকে বিভিন্ন অপারেশন চালাত। এভাবেই একদিন গুলিবিদ্ধ হন এবং মারা যান।
উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রটি 'রেইনকোট' গল্পের আরেক রূপ-ব্যাখ্যা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- কলিমদ্দি দফাদার ষাটোর্ধ্ব। তিনি সরকারি চাকরি করেন; পাকিস্তানি সেনাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া তাঁর ডিউটি। তাই মানুষ তাঁকে রাজাকার ভাবে। মুক্তিসংগ্রামে যেতে না পারায় তাঁর মনে দুঃখ। কিন্তু সুযোগ পেয়ে একবার একদল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ভুল। পথ দেখিয়ে বিপদে ফেলেছিলেন। এটাও তাঁর মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণ, কলিমদ্দি স্বস্তি পায় দেশের পক্ষে কাজ করতে পেরে।"ঘটনার বৈপরীত্য থাকলেও উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের চরিত্রগুলোর মধ্যে প্রবল দেশপ্রেম উজ্জীবিত ছিল?"- সপক্ষে যুক্তি দাও।
- ‘ঐকতান’ শব্দের অর্থ-
- ১৯৭১ সালে সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নান্দিনা গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্যরা আশ্রয় নেয়। তাদের নানাভাবে সাহায্য করতে থাকে ঐ গ্রামের আবুল মন্ডল। একদিন তার দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে পাকিস্তানি হাদানার বাহিনীর সদস্যরা অধ্যাপক সাজেদুল ইসলামকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। তাঁর কাছ থেকে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে জানতে চাইলেও তিনি তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।উদ্দীপকের আবুল মন্ডলের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি ব্যাখ্যা কর।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।'পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা বাঙালির স্বাধীনতাকে দমাতে পারেনি'- উদ্দীপক ও পঠিত গল্পের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- বিদেশি সেনার কামান বুলেটে বিদ্ধনারী শিশু আর যুবক-জোয়ান-বৃদ্ধশত্রু সেনারা হত্যার অভিযানেমুক্তিবাহিনী প্রতিরোধে উত্থানেমুক্তির পথ যুদ্ধেও রয় জেনেঘাতক ধ্বংস করেছে অস্ত্র বিদেশি সেনার কামান বুলেটে বিদ্ধনারী শিশু আর যুবক-জোয়ান-বৃদ্ধশত্রু সেনারা হত্যার অভিযানেমুক্তিবাহিনী প্রতিরোধে উত্থানেমুক্তির পথ যুদ্ধেও রয় জেনেঘাতক ধ্বংস করেছে অস্ত্র হেনে।উদ্দীপকে 'বিদেশি সেনা' 'রেইনকোট' গল্পের কাদের সাথে তুলনীয়? পাঠ্যগল্পে তাদের তৎপরতার সাথে উদ্দীপকের বর্ণনার মিলগুলো তুলে ধরো।
- 'মিসক্রিয়ান্ট' শব্দের অর্থ কী?
- 'রেইনকোট' গল্পে উল্লিখিত ঢাকা কলেজের প্রিন্সিপালের নাম কী?
- ‘সাক্ষী গোলাপ’ হলো-
- রেইনকোট' গল্পে 'মিসক্রিয়ান্ট' বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
- "He will make a good player' এর বঙ্গানুবাদ
- "তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা,সখিনা বিবির কপাল ভাঙলো,সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলোদানবের মতো চিৎকার করতে করতেতুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো।স্বাধীনতাকে পাওয়ার জন্য বাঙালি জনসাধারণের আত্মত্যাগই উদ্দীপকের কবিতাংশ এবং 'রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য। মন্তব্যটির যথার্থতা প্রতিপন্ন কর।
- ‘রেইনকোট' গল্পের রেইনকোটটি কার?
- "বর্ষাকালেই তো জুৎ" -কথাটির রেইনকোট গল্পে কতবার বলা হয় ?
- . নুরুল হুদার মৌনতা মিলিটারিদের মনে কোন বিশ্বাসসৃষ্টিতে সাহায্য করে?
- ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১। কালীগঞ্জ গ্রামের একজন যুবক রাতের অন্ধকারে ওই গ্রামের মিলিটারি ক্যাম্পে হামলা করে, বোমা মেরে ব্রিজ উড়িয়ে দেয়। প্রচন্ড গোলাগুলির সময় কয়েকজন মিলিটারির হাতে ধরা পড়ে। সেখান থেকে আহত অবস্থায় পালিয়ে বৃদ্ধ বশির দাদার বাড়িতে আশ্রয় নেয় আহাদ। খবর পেয়ে মিলিটারিরা ছুটে আসে কিন্তু আহাদকে পায় না। বৃদ্ধ বশিরকেই তারা তুলে নিয়ে অনেক অত্যাচার করে। বৃদ্ধ বশির গরম লোহার ছ্যাকা সহ্য করে তবুও আহাদের কোনো তথ্য দেয় না। তার কাছে মনে হয় আহাদকে বাঁচানো মানে দেশকে বাঁচানো।উদ্দীপকে মিলিটারি ক্যাম্পে হামলার ঘটনাটি 'রেইনকোট' গল্পের কোন ঘটনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- 'সায়র' শব্দটির অর্থ কী ?
- 'বিহান' - এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের হাতেম আলী 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং কেন?
- শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' উপন্যাসে দেখা যায়, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশকে বিভীষিকাময় নরককুন্ডে পরিণত করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের গোপন তৎপরতার কথাও আছে। মাছে। প্রবীণ স্কুলশিক্ষক গাজী রহমান স্বীয় প্রাণ সংশয়াপন্ন দেখে আত্মগোপনে চলে যান। কিন্তু এ পলাতক জীবন নিয়ে তিনি বিব্রত। তিনি যেন তাঁর নিজের কাছেই কাছেই অপরিচিত ত জন। দেড় মাসের পলাতক জীবনে তাঁর সঙ্গে পরিচয় ঘটে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার। অসীম সাহসী এ সকল মানুষের সাথে মিশে অনুপ্রাণিত হয়ে নিভীকচিত্তে তিনি পা রাখেন বাস্তবের কঠিন কর্তব্যভূমিতে।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের বিষয়বস্তু কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- উর্দুর প্রফেসর আকবর সাজিদকে প্রিনসিপাল আজকাল তোয়াজ করে কেন? ব্যাখ্যা করো।