নিচের কোনটির গঠন প্যাঁচানো?
সঠিক উত্তরঃ
D.
ককলিয়া
Explanation:

Another Explanation (5):
ককলিয়ার গঠন: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা 👂
ককলিয়া অভ্যন্তরীণ কানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা শ্রবণ প্রক্রিয়ায় মুখ্য ভূমিকা পালন করে। এর প্যাঁচানো গঠন এটিকে বিশেষ কার্যকারিতা প্রদান করে। নিচে ককলিয়ার গঠন এবং কার্যাবলী আলোচনা করা হলো:
গঠন 🧬
- আকার: ককলিয়া দেখতে অনেকটা শামুকের মতো🐌, যা ২.৫ প্যাঁচে মোড়ানো।
- অবস্থান: এটি কানের ভেতরের দিকে অবস্থিত, যা টেম্পোরাল হাড়ের মধ্যে সুরক্ষিত থাকে।
- প্রধান অংশসমূহ:
- বেসিলার মেমব্রেন: এটি ককলিয়ার মূল ভিত্তি, যা বিভিন্ন কম্পাঙ্কের শব্দ শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
- অর্গান অফ কর্টি: এটি সংবেদী কোষ (hair cells) ধারণ করে, যা শব্দ তরঙ্গকে নিউরাল সংকেতে রূপান্তরিত করে।
- স্কালা ভেস্টিবুলি ও স্কালা টিম্পানি: এই দুটি তরলপূর্ণ চেম্বার পেরিলিম্ফ নামক তরল দ্বারা পূর্ণ থাকে এবং শব্দ তরঙ্গ পরিবহনে সাহায্য করে।
- স্কালা মিডিয়া: এটি এন্ডোলিম্ফ নামক তরল দ্বারা পূর্ণ থাকে এবং অর্গান অফ কর্টিকে পুষ্টি সরবরাহ করে।
প্যাঁচানো গঠনের কারণ 🌀
ককলিয়ার প্যাঁচানো গঠনের প্রধান কারণ হলো:
- স্থান সাশ্রয়: সীমিত স্থানে দীর্ঘ বেসিলার মেমব্রেনকে স্থাপন করা সম্ভব হয়।
- কম্পাঙ্ক পৃথকীকরণ: প্যাঁচানো গঠন বিভিন্ন কম্পাঙ্কের শব্দকে পৃথক করতে সাহায্য করে। গোড়ার দিকের অংশ উচ্চ কম্পাঙ্ক এবং ভেতরের দিকের অংশ নিম্ন কম্পাঙ্কের শব্দ গ্রহণ করে।
- সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি: প্যাঁচানো নালীর মধ্যে তরলীয় কম্পন সঠিকভাবে রিসেপ্টর কোষে পৌঁছাতে পারে।
কার্যকারিতা ⚙️
ককলিয়ার প্রধান কাজ হলো শব্দ তরঙ্গকে মস্তিষ্কে পাঠানোর উপযোগী নিউরাল সংকেতে রূপান্তরিত করা। নিচে প্রক্রিয়াটি উল্লেখ করা হলো:
- শব্দ তরঙ্গ কানের পর্দা (ear drum) ভেদ করে ককলিয়ায় প্রবেশ করে।
- ককলিয়ার তরল (পেরিলিম্ফ ও এন্ডোলিম্ফ) কম্পিত হয়।
- বেসিলার মেমব্রেনের নির্দিষ্ট স্থানে কম্পন সৃষ্টি হয়, যা অর্গান অফ কর্টিতে অবস্থিত সংবেদী কোষকে উদ্দীপিত করে।
- সংবেদী কোষগুলো নিউরাল সংকেত তৈরি করে অডিটরি নার্ভের মাধ্যমে মস্তিষ্কে প্রেরণ করে।
- মস্তিস্ক এই সংকেত বিশ্লেষণ করে শব্দ সম্পর্কে ধারণা দেয়। 🧠
ককলিয়ার গঠন এবং কার্যাবলী সম্পর্কিত একটি টেবিল 📊
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| গঠন | শামুকের মতো প্যাঁচানো🐌 |
| প্রধান উপাদান | বেসিলার মেমব্রেন, অর্গান অফ কর্টি, স্কালা ভেস্টিবুলি, স্কালা টিম্পানি, স্কালা মিডিয়া |
| কাজ | শব্দ তরঙ্গকে নিউরাল সংকেতে রূপান্তর করা 🔊➡️🧠 |
| প্যাঁচানো হওয়ার সুবিধা | স্থান সাশ্রয়, কম্পাঙ্ক পৃথকীকরণ, সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি 👍 |
পরিশেষে, ককলিয়ার প্যাঁচানো গঠন শ্রবণ প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই জটিল গঠন শব্দকে সঠিকভাবে মস্তিষ্কে পৌঁছে দিতে সহায়তা করে। 🥰
Option A Explanation:
কর্ণছত্রের বিবরণ
- সংজ্ঞা: কর্ণছত্র হলো একটি গঠন, যা মূলত অঙ্গ বা কাঠামোর গঠনকে প্যাঁচানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অবস্থান: এটি সাধারণত অঙ্গের চারপাশে বা ভিতরে থাকে এবং অঙ্গের সুরক্ষা ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে।
- উপাদান: কর্ণছত্র সাধারণত টিস্যু বা রবারের তৈরি হয়, যা নমনীয় এবং স্থিতিশীল।
- কার্য: এটি অঙ্গের গঠনে প্যাঁচানোর কাজ করে, যেমনঃ অঙ্গের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা বা চামড়ার নিচে অঙ্গের অবস্থান স্থির রাখা।
- উদাহরণ: বিভিন্ন জীবের শরীরের গঠন বা যান্ত্রিক যন্ত্রাংশে কর্ণছত্রের ব্যবহার দেখা যায়।
Option B Explanation:
- অ্যাম্পুলা: অ্যাম্পুলা হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা অক্ষিকোণে (retina) অবস্থিত। এটি মূলত চোখের কেন্দ্রীয় দৃষ্টির জন্য দায়ী, যেখানে রঙিন দৃষ্টি ও উচ্চ সংবেদনশীলতা থাকে।
- অ্যাম্পুলা সাধারণত ছোট আকারের গোলাকার বা ডিম্বাকৃতি হয় এবং এতে কেন্দ্রীয় দৃষ্টিশক্তি সবচেয়ে বেশি থাকে।
- এই অংশে উচ্চ সংখ্যক রঙের সংবেদনশীল কোষ (কোণ কোষ বা "কোণ" কোষ) থাকে, যা রঙের পার্থক্য বুঝতে সহায়ক।
- অ্যাম্পুলার মধ্যে বিশেষ করে "ফোভার" বা "ফোভার দৃষ্টিসীমা" থাকে, যা বিস্তারিত ও উচ্চ সংবেদনশীল দৃষ্টির জন্য দায়ী।
Option C Explanation: ```html
- ইনকাস: ইনকাস হল একটি অংশ যা অভ্যন্তরীণ কানের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি দেহের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ইনকাস মূলত: হাড়ের একটি সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে এবং অন্য কানের অঙ্গসমূহের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।
- এটি দেহের চলাচলের সময় সঙ্কেত পাঠানোর মাধ্যমে ভারসাম্য রক্ষা করে।
Option D Explanation:
ককলিয়া (Corolla)
- অর্থ: ককলিয়া হলো ফুলের পাপড়ির সমন্বিত অংশ যা সাধারণত ফুলের বাহ্যিক অংশ হিসেবে দেখা যায়।
- অবস্থান: এটি মূলত ফুলের ভিতরের অংশের চারপাশে অবস্থিত থাকে এবং ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- কার্য: ককলিয়া ফুলের পরাগায়ন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে এবং পরাগের সংস্পর্শে আসার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে।
- উপাদান: এটি মূলত পাপড়ি দিয়ে তৈরি হয়, যা বিভিন্ন রঙের হতে পারে যেমন লাল, হলুদ, সাদা ইত্যাদি।
- উদাহরণ: বিভিন্ন ফুলে যেমন গোলাপ, সূর্যমুখী, জ্যামিলিয়া ইত্যাদিতে ককলিয়া দেখা যায়।