Copsychus saularis কোন শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত প্রাণী?
RUUnit-DSet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসবৈজ্ঞানিক নাম - 2.1 (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
অ্যাভিস
Explanation:

Another Explanation (5):
Copsychus saularis: একটি পাখির শ্রেণীবিন্যাস 🐦
Copsychus saularis, যা সাধারণত দোয়েল নামে পরিচিত, এটি অ্যাভিস (Aves) শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। নিচে এর শ্রেণীবিন্যাস এবং অ্যাভিস শ্রেণী সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
শ্রেণীবিন্যাস 🧬
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী দোয়েলের অবস্থান:
- জগৎ (Kingdom): অ্যানিমেলিয়া (Animalia) 🐾
- পর্ব (Phylum): কর্ডাটা (Chordata) 🦴
- শ্রেণী (Class): অ্যাভিস (Aves) 🦅
- বর্গ (Order): প্যাসারিফর্মিস (Passeriformes) 🎶
- পরিবার (Family): মুসিকাপিডি (Muscicapidae)
- গণ (Genus): Copsychus
- প্রজাতি (Species): Copsychus saularis
অ্যাভিস শ্রেণী (Aves) সম্পর্কে 🦉
অ্যাভিস হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীদের একটি শ্রেণী, যারা উড়তে সক্ষম এবং পালক দ্বারা আবৃত। নিচে অ্যাভিস শ্রেণীর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো:
বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- পালক: এদের শরীর পালক দ্বারা আবৃত, যা উড়তে এবং শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। 🪶
- ডানা: এদের অগ্রপদ ডানায় রূপান্তরিত হয়েছে। 🕊️
- ঠোঁট: এদের মুখ চোয়ালবিহীন এবং ঠোঁটে আবৃত। 👄
- হাড়: এদের হাড় হালকা এবং ফাঁপা, যা উড়তে সাহায্য করে। 🦴
- উষ্ণ রক্ত: এরা উষ্ণ রক্তের প্রাণী (endothermic)। 🔥
- ডিম: এরা ডিম পাড়ে। 🥚
- হৃদপিণ্ড: এদের হৃদপিণ্ড চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। ❤️
- শ্বাসতন্ত্র: এদের শ্বাসতন্ত্র খুবই উন্নত, যা উড়ন্ত অবস্থায় বেশি অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে। 🌬️
অ্যাভিস শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত কিছু পরিচিত পাখি:
| পাখির নাম | বৈশিষ্ট্য | ছবি |
|---|---|---|
| ঈগল 🦅 | শক্তিশালী শিকারী পাখি, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি। | |
| পায়রা 🕊️ | শান্ত স্বভাবের, প্রাচীনকাল থেকে বার্তা বহনে ব্যবহৃত। | |
| প্যাঁচা 🦉 | নিশাচর শিকারী পাখি, এদের বিশেষ শ্রবণ ক্ষমতা আছে। |
সুতরাং, Copsychus saularis বা দোয়েল পাখি অ্যাভিস শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত এবং এর সমস্ত বৈশিষ্ট্য এই শ্রেণীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ✅
Option A Explanation:
- অ্যাম্ফিবিয়া: অ্যাম্ফিবিয়া হলো এমন প্রাণী যারা জল ও স্থলে উভয় পরিবেশে জীবিত থাকতে পারে। এই প্রাণীগুলির শরীর সাধারণত আর্দ্র ও নমনীয় হয়, এবং তাদের গাত্রে ত্বক খুবই সূক্ষ্ম ও আর্দ্র। তারা সাধারণত জলজ জীবনযাত্রার জন্য অভিযোজিত, যেমন সাঁতার কাটা, ডুব দেওয়া, ও জলজ খাদ্য গ্রহণ। অ্যাম্ফিবিয়া প্রাণীর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের উভচর যেমন ব্যাঙ, ট্যাডপোল, এবং কিছু সরীসৃপজাতীয় প্রাণী।
Option B Explanation:
রেপটিলিয়া
- রেপটিলিয়া বা রেপটিলস (Reptilia) হলো একটি প্রাণী শ্রেণী বা ক্লাস।
- এরা ঠান্ডা রক্তের প্রাণী, যার দেহ আবৃত থাকে খোসা বা স্কেল দ্বারা।
- প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- তাদের দেহে কঙ্কাল বিন্যাস ও স্কেল বা খোসা রয়েছে।
- অস্বাভাবিক বা শুষ্ক পরিবেশে জীবনযাপন করতে সক্ষম।
- প্রজনন সাধারণত ডিম পাড়া দিয়ে হয়, যেখানে ডিমের খোসা থাকে।
- উদাহরণ:
- সাপ
- অজগর
- গাঢ় ও গিরগিটি
- তেলাপোকা
- রেপটিলিয়া প্রাণীসমূহ সাধারণত শিকার করে খাদ্য সংগ্রহ করে এবং দীর্ঘ জীবনকাল ধারণ করে।
Option C Explanation:
- অ্যাভিস হলো একটি প্রজাতির গুল্ম বা গাছ, যার বৈশিষ্ট্য হলো এটি সাধারণত ঠাণ্ডা বা শীতল পরিবেশে বৃদ্ধি পায়।
- এটি ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় টিকে থাকার জন্য বিভিন্ন অভিযোজনের মাধ্যমে এন্ডোথার্মিক বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
- অ্যাভিসের শরীরের ভেতরে শক্তিশালী শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যবস্থা থাকে, যা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- এটি সাধারণত শীতপ্রধান অঞ্চলে দেখা যায় এবং এর গাছ বা গুল্মের গঠন এন্ডোথার্মিক বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
- অ্যাভিসের মতো উদ্ভিদ বা প্রাণী যারা নিজের শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম, তারা এন্ডোথার্মিক বলে বিবেচিত।
Option D Explanation:
- ম্যামলিয়া: এই শ্রেণীতে থাকা প্রাণীরা সাধারণত উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট, উষ্ণ রঙের শরীর ও ত্বক থাকে, এবং দুধ দ্বারা তাদের সন্তানের পুষ্টি দেয়।
- প্রাণীদের শরীরে সাধারণত কাঁটা বা লোম থাকে যা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- অধিকাংশের দেহে হাড়ের ভিতরে গড়া কঙ্কাল থাকে।
- শরীরের অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সমন্বয়ে গঠিত জটিল স্নায়ুতন্ত্র ও হার্ট-রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থা বিদ্যমান।