সংক্রমনক্ষম ভাইরাস কণাকে বলা হয়-
সঠিক উত্তরঃ
B.
Virion
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: সংক্রমণক্ষম ভাইরাস কণাকে Virion বলা হয়, যা ভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ গঠনযুক্ত সংক্রামক রূপ।\nঅপশন বিশ্লেষণ: A. Nucleocapsid: ভুল, এটি ভাইরাসের জিনোম ও ক্যাপসিডের সমন্বয়। B. Virion: সঠিক, এটি ভাইরাসের সংক্রমণক্ষম রূপ। C. Capsid: ভুল, এটি ভাইরাসের প্রোটিন আবরণ। D. Capsomere: ভুল, এটি ক্যাপসিডের উপাদান।\nনোট: Virion হলো ভাইরাসের বাহিরে স্বাধীনভাবে অবস্থানরত সংক্রমণক্ষম রূপ, যা নতুন কোষ সংক্রমিত করতে পারে।
Another Explanation (5):
সংক্রমণক্ষম ভাইরাস কণাকে বলা হয়-
ভাইরাসের সংক্রমণক্ষম অবস্থা বা আকারকে Virion বলা হয়। এটি ভাইরাসের সম্পূর্ণ গঠন, যা জীবিত কোষের বাইরে থাকা অবস্থা।
অ্যাকাডেমিক ব্যাখ্যা:
Virion হলো ভাইরাসের সক্রিয়, সংক্রমণক্ষম অবস্থা, যেখানে ভাইরাসের সমস্ত উপাদান যেমন কেপসিড, নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA), এবং অন্যান্য প্রোটিন জোড়া থাকে। এটি বাহ্যিকভাবে দেখে ভাইরাসের বাহ্যিক কাঠামো বোঝা যায় এবং এটি জীবিত কোষের উপর আঘাত করে সংক্রমণ ঘটায়।
ভাইরাসের এই অবস্থা জীবিত কোষের বাইরে অবস্থিত থাকাকালীন সংক্রমণ ঘটানোর জন্য প্রস্তুত থাকে। এটি এক ধরনের পরিপূর্ণ ভাইরাস কণার (Complete Virus Particle) যা সংক্রমণের জন্য সক্ষম।
এই Virion এর গঠন সাধারণত নিম্নলিখিত উপাদানগুলো নিয়ে গঠিত:
| উপাদান | বর্ণনা | চিত্রের ইমোজি |
|---|---|---|
| কেপসিড | ভাইরাসের প্রোটিনের আবরণ, যা নিউক্লিক অ্যাসিডকে সুরক্ষা দেয়। | 🛡️ |
| নিউক্লিক অ্যাসিড | ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান, যা DNA বা RNA হিসেবে থাকতে পারে। | 🧬 |
| অতিরিক্ত প্রোটিন | কিছু ভাইরাসে থাকে যা ভাইরাসের সনাক্তকরণ বা সংক্রমণে সাহায্য করে। | 🧪 |
সংক্ষেপে:
- সংক্রমণক্ষম ভাইরাস কণাকে Virion বলা হয়।
- এটি ভাইরাসের বাহ্যিক ও সক্রিয় অবস্থা।
- এটি জীবিত কোষের বাইরে সংক্রমণের জন্য প্রস্তুত।
অতএব, ভাইরাসের সংক্রমণক্ষম কণাকে সঠিকভাবে Virion বলে। 😊🚀
Option A Explanation:
- Nucleocapsid হলো ভাইরাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান (DNA বা RNA) এবং ক্যাপসিডের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ভাইরাসের জেনেটিক উপাদানকে সুরক্ষা প্রদান করে এবং ভাইরাসের প্রজননের জন্য অপরিহার্য।
- নিউক্লিওক্যাপসিডের মাধ্যমে ভাইরাসটি কোষে প্রবেশ করে এবং তার জেনেটিক উপাদানকে কার্যকর করতে সক্ষম হয়।
- এটি সাধারণত প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত হয়, যা ভাইরাসের ধরণ অনুযায়ী আলাদা হতে পারে।
Option B Explanation:
- Virion: এটি ভাইরাসের সম্পূর্ণ এবং সক্রিয় অবস্থা, যা সংক্রমণের জন্য প্রস্তুত।
- এটি ভাইরাসের কণার একটি গঠন যা ডিএনএ বা আরএনএ, ক্যাপসিড, এবং প্রয়োজনে লিপিডের আবরণ দ্বারা গঠিত।
- Virion সংক্রমিত কোষে প্রবেশ করে ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান মুক্ত করে এবং পুনরুত্পাদন প্রক্রিয়া শুরু করে।
- এটি বাহ্যিকভাবে দৃশ্যমান এবং অণুজীবের সংক্রমণ ক্ষমতার জন্য দায়ী।
Option C Explanation:
- Capsid: ভাইরাসের মূল প্রোটিনের আবরণ যা ভাইরাসের নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) কে আচ্ছাদিত করে রাখে।
- এটি ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ভাইরাসের ধরন নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- Capsid গঠন মূলত প্রোটিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপাদান, যাদের ক্যপসমার (Capsomere) বলা হয়।
- এটি ভাইরাসের স্থিতিশীলতা বাড়ায় এবং পরিবেশের বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে ভাইরাসকে রক্ষা করে।
Option D Explanation:
- Capsomere: Capsomere হলো ভাইরাসের ক্যাপসিডের ক্ষুদ্র ছোটো উপাদান বা গঠনাংশ।
- এটি প্রাথমিকভাবে এক বা একাধিক পেপটাইড বা প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- ভাইরাসের ক্যাপসিডের মূল গঠন উপাদান হিসেবে কাজ করে, যা ভাইরাসের আকার এবং গঠন নির্ধারণ করে।
- Capsomeres একত্রিত হয়ে পুরো ক্যাপসিড গঠন করে, যা ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।