মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিম্নের কোন কোষের কারণে হাইড্রাকে অমর প্রাণী বলা হয়? 

A. নিডোসাইট 
B. মাসকিউলো এপিথেলিয়াল 
C. জার্মসেল
D. ইন্টারস্টিশিয়াল
Poster Download
CUUnit-ASet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর পরিচিতিহাইড্রার গঠন (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. ইন্টারস্টিশিয়াল
Explanation:

Another Explanation (5):

হাইড্রা: অমরত্বের রহস্য 😮

হাইড্রাকে প্রায় অমর প্রাণী হিসেবে গণ্য করা হয়। এর কারণ হলো এর অসাধারণ পুনরুৎপাদন ক্ষমতা। হাইড্রার দেহে বিশেষ কিছু কোষ বিদ্যমান, যা একে এই ক্ষমতা প্রদান করে। নিচে কোষটি এবং এর কার্যাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

অমরত্বের পেছনের কোষ: ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ 🔬

ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ (Interstitial Cells): এই কোষগুলো হাইড্রার এপিডার্মিসের (ectoderm) মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকে। এগুলি অনেকটা স্টেম কোষের মতো কাজ করে। অর্থাৎ, প্রয়োজন অনুযায়ী এরা যেকোনো ধরনের কোষে রূপান্তরিত হতে পারে।

ইন্টারস্টিশিয়াল কোষের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • স্টেম কোষের বৈশিষ্ট্য: যেকোনো ধরনের কোষে রূপান্তরিত হওয়ার ক্ষমতা রাখে। 🌱
  • ক্ষতিপূরণ: ক্ষতিগ্রস্ত কোষ পুনরুদ্ধার করতে পারে। 💪
  • জননক্ষমতা: নতুন হাইড্রা তৈরি করতে পারে (অঙ্গজ জনন)। 👪
  • অল্প সংখ্যক কোষ: তুলনামূলকভাবে হাইড্রার দেহে এই কোষের সংখ্যা কম থাকে।

ইন্টারস্টিশিয়াল কোষের কার্যাবলী:

  1. পুনরুৎপাদন (Regeneration): হাইড্রার কোনো অংশ কেটে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, এই কোষগুলো নতুন করে সেই অংশ তৈরি করতে পারে। ✨
  2. বৃদ্ধি (Growth): হাইড্রার স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং বিকাশে সাহায্য করে। 📈
  3. জনন (Reproduction): অযৌন জননের সময় নতুন কুঁড়ি (bud) তৈরি করে এবং পরবর্তীতে তা নতুন হাইড্রায় পরিণত হয়। 🌸
  4. কোষের প্রতিস্থাপন (Cell Replacement): স্বাভাবিকভাবে কোষের মৃত্যু হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, ইন্টারস্টিশিয়াল কোষগুলো সেই স্থান পূরণ করে। 🔄

অন্যান্য কোষের প্রকারভেদ:

কোষের নাম অবস্থান কাজ
এপিথেলিয়াল পেশী কোষ (Epitheliomuscular cells) দেহের বাইরের স্তর (এপিডার্মিস) সুরক্ষা, চলন এবং সংকোচন-প্রসারণে সাহায্য করে।
স্নায়ু কোষ (Nerve cells) দেহের বিভিন্ন অংশে জালিকার মতো ছড়ানো সংবেদ গ্রহণ ও পরিবহন করে।
গ্রন্থি কোষ (Gland cells) এপিডার্মিস ও গ্যাস্ট্রোডার্মিসে থাকে বিভিন্ন এনজাইম ও পিচ্ছিল পদার্থ নিঃসরণ করে।
সংবেদী কোষ (Sensory cells) দেহের বাইরের স্তরে অবস্থিত পরিবেশ থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করে।

হাইড্রার অমরত্বের ধারণা: যদিও হাইড্রাকে অমর বলা হয়, তবে এর অর্থ এই নয় যে এরা কখনোই মারা যায় না। অনুকূল পরিবেশে এবং পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহ থাকলে এরা দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারে। প্রতিকূল পরিবেশে বা আঘাতের কারণে এদের মৃত্যু হতে পারে। 💀

ইন্টারস্টিশিয়াল কোষের কারণেই হাইড্রা অন্যান্য সাধারণ প্রাণীর চেয়ে আলাদা এবং এর পুনরুৎপাদন ক্ষমতা একে অমরত্বের কাছাকাছি নিয়ে যায়। 👍

আরও জানতে:

তথ্যসূত্র: বিভিন্ন জীববিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট ও পাঠ্যপুস্তক।

Option A Explanation:
  1. নিডোসাইট: নাইডোজাইট হলো একটি ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা বা শ??বেত কণিকা (White Blood Cell) যা আমাদের শরীরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (immune system) এর অংশ।
  2. এরা মূলতঃ শরীরের বিভিন্ন সংক্রমণ বা প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
  3. নিডোসাইটের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে সংক্রমিত কোষের নিধন, অণুজীবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, এবং প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়া পরিচালনা।
  4. এরা সাধারণতঃ রক্তে থাকে, তবে লিম্ফ নোড, স্প্লিন, এবং অন্যান্য টিস্যুতেও উপস্থিত থাকতে পারে।
Option B Explanation:
  • মাসকিউলো এপিথেলিয়াল কোষ: এই কোষসমূহ দেহের মাসকুলার (পেশির) স্তরে অবস্থিত।
  • অস্তিত্ব: তারা পেশী টিস্যু গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা দেহের চলাচল ও শক্তি উৎপাদনে সহায়ক।
  • অমরত্বের কারণ: এই কোষগুলি নিত্যনতুন কোষের পুনর্জন্মে সক্ষম, ফলে তারা মৃত্যুর সাথে অঙ্গীকারবদ্ধ নয়।
  • বিশেষ গুণাবলী: তারা সাধারণ কোষের তুলনায় দীর্ঘস্থায়ী এবং পুনরুজ্জীবিত হওয়ার ক্ষমতা রাখে।
Option C Explanation:
  • জার্মসেল: জার্মসেল হলো এক ধরনের কোষ যা হাইড্রার মধ্যে উপস্থিত থাকে এবং এটি মূলত স্নেহ, স্নায়ুতন্ত্র এবং সৃষ্টির জন্য দায়ী।
  • এই কোষগুলি জীবনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং হাইড্রার অমর জীবনধারার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • জার্মসেল দ্বারা সৃষ্ট প্রজনন এবং পুনর্জন্মের ক্ষমতা হাইড্রাকে অমর প্রাণী হিসেবে গণ্য করা হয়।
Option D Explanation:
  1. অবস্থান: ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ বা টিস্যু ইন্টারস্টিশিয়াল স্পেসে থাকে।
  2. অর্থ: এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে থাকা ফাঁকা স্থান বা জায়গা যেখানে কোষসমূহের মধ্যে তরল বা ইন্টারস্টিশিয়াল তরল বিদ্যমান।
  3. ভূমিকা: এই স্থান কোষের মধ্যে পুষ্টি, অক্সিজেন, হরমোন এবং অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান পরিবহন করে, পাশাপাশি বর্জ্য পদার্থ উত্তোলন করে।
  4. সংশ্লিষ্ট কোষ: ইন্টারস্টিশিয়াল স্পেসে বিভিন্ন ধরণের কোষ থাকতে পারে, যেমন প্যাথোজেন বা ক্ষতিকর উপাদানসহ শরীরের স্বাভাবিক কোষ।