সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা কাব্যগ্রন্থ কোনটি ?
A. বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়
B. আর্ত শব্দাবলী
C. বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা
D. পূর্বাভাস
সঠিক উত্তরঃ
D.
পূর্বাভাস
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- তোমরা এসেছ, ভেঙেছ অন্ধকার- তোমরা এসেছ ভয় করি নাকো আর পায়ের স্পর্শে মেঘ কেটে যাবে, উজ্জ্বল রোদ্দুরছড়িয়ে পড়বে বহুদূর বহুদূর।উদ্দীপকের চেয়ে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থ আরো গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ- মন্তব্যটির সার্থকতা নির্ণয় কর।
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ, ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচারক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করেপুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা।আয় দুরন্ত, আয়রে আমার কাঁচা।"উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত বিষয়ের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে"- উক্তিটি বিচার করো।
- 'আঠারাে বছর বয়স' কবিতার মূলসুর-
- কলেজে ওঠার পর রাতুল ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে, রাত জেগে স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। বাবা-মায়ের সঙ্গেও বাজে আচরণ করে। অবশেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় রাতুল কিছু বাজে বন্ধুর পাল্লায় পড়েছে। রাতুল বুঝতে পারছে সে যা করছে ভুল করছে, কিন্তু এসব থেকে বেরিয়েও আসতে পারছে না।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন প্রসঙ্গটি উঠে এসেছে? আলোচনা করো।
- "প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য'- ব্যাখ্যা করো।
- কবি আঠারো বছর বয়স কে কিসের সাথে তুলনা করেছেন?
- পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে'- লাইনটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- “আঠারাে বছর বয়স'' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়; বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।উদ্দীপকের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্যমূলক আলোচনা করো।
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যরে মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদায়ী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত। যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে ফুটে উঠেছে কি না, তা বিশ্লেষণ করো।
- 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- আঠারো বছর বয়সে কী নেই?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে' --- এ লাইনে "আঠারো" শব্দটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ‘এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে'–এ পঙক্তি দ্বারাকী বোঝানো হয়েছে?
- 'বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী'- ব্যাখ্যা করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য আমৃত্যু কোন পত্রিকার সম্পাদকছিলেন?
- আঠারো বছর বয়স কীসে বাঁচে?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করে বলেছেন, 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং হুড়াইতে ছড়াইতে আহার অন্ত'। কারণ, তাঁর কাছে যৌবন হলো অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। তা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। ??ুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক। যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে। সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। আর বিপন্ন মানবতার পাশে সে দাঁড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে। উদ্দীপকের তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আঠারো বছর বয়সি তরুণদের কতটুক সাদৃশ্য লক্ষ করার মতো তা আলোচনা করো।
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'-উক্তিটির অর্থ কী? ব্যাখ্যা করো।
- আঠারো বছর বয়স দুর্যোগে হাল ঠিক রাখতে পারে না কেন?
- রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।'তরুণ মানেই দেশমাতৃকার দুঃসময়ের শক্তি।'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- কলেজে ওঠার পর রাতুল ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে, রাত জেগে স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। বাবা-মায়ের সঙ্গেও বাজে আচরণ করে। অবশেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় রাতুল কিছু বাজে বন্ধুর পাল্লায় পড়েছে। রাতুল বুঝতে পারছে সে যা করছে ভুল করছে, কিন্তু এসব থেকে বেরিয়েও আসতে পারছে না।'অসৎ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে তরুণরা ভুল পথে পা বাড়াতে পারে" উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে তোমার মতামত দাও।
- কবি কেন এ দেশের বুকে আঠারো বছর বয়সিদের নামিয়ে আনতে চান?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- ব্যাখ্যা কর।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস-
- আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর কেন?
- 'আসমানীদের দেখতে যদি তোমরা সবে চাও' লাইনটির কোন কবির লেখা?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটির রচয়িতা কে?
- তমাল ও পিয়াল দুই বন্ধু মেধাবী ছাত্র হিসেবে প্রশংসিত হয়েছিল পরিচিতজনের কাছে। কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর তমাল ঢাকা মেডিকেল কলেজে আর পিয়াল রাজধানীর একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি তমাল খেলাধুলা, বিতর্ক ইত্যাদিতেও অংশগ্রহণ করে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। অন্যদিকে পিয়াল খারাপ বন্ধুদের সংস্পর্শে পড়ে মাদকসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দুই বন্ধুর জীবন আজ দুটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত।উদ্দীপকের আঠারো বছর বয়সের কোন কোন প্রবণতা ফুটে উঠেছে তা বুঝিয়ে লেখ।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোথায় ছিল?
- তারুণ্য হলো মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ বয়সে অনেক তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা থাকে। পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য ছোটা, অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করা; আবার যেকোনো অসৎ সঙ্গে নষ্ট হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। এসকল প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে একজন তরুণকে পথ চলতে হয়। অর্থাৎ একজন তরুণকে বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়।" 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উদ্দীপকের বিষয়গত ভাবের ইঙ্গিত আছে।"- যুক্তিসহ মূল্যায়ন করো।
- আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর কেন?
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।"উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আংশিক ভাব ধারণ করেছে।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'-পরের চরণ কোনটি?
- আমি গাই তারি গান-
- দুরন্ত পথিক দুর্বার তারুণ্যের প্রতীক। সে বিপ্লবের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত মুক্তি সৈনিক। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে সে দুর্গম পথে এগিয়ে চলে। তার শক্তি অবিনশ্বর। পথ চলতে সে কখনো থেমে যায় না। তার চেতনা দুর্বারকে জয় করে।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি অনুপস্থিত- নির্ণয় কর।
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করে বলেছেন, 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং হুড়াইতে ছড়াইতে আহার অন্ত'। কারণ, তাঁর কাছে যৌবন হলো অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। তা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক। যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে। সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ওম ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। আর বিপন্ন মানবতার পাশে সে দাঁড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে। 'সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে' উদ্দীপকের এই উক্তির আলোকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।