মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

প্রতি লিটার পানিতে নিম্নোক্ত কোন পরিমাণ আর্সেনিক বাংলাদেশে পান করার উপযোগী মনে করা হয়?

A. 0.01mg
B. 0.05mg
C. 0.75mg
D. 1.00mg
Poster Download
DUUnit-Aসাধারণ বিজ্ঞানজীবনের জন্য পানিপানি দূষণ ও এর প্রভাব (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. 0.05mg
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: বাংলাদেশের পানিতে আর্সেনিকের পরিমাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. 0.01mg: ভুল, এটি নিরাপদ পরিমাণ নয়। B. 0.05mg: সঠিক, বাংলাদেশে পানিতে আর্সেনিকের নিরাপদ পরিমাণ 0.05mg। C. 0.75mg: ভুল, এটি অনেক বেশি পরিমাণ। D. 1.00mg: ভুল, এটি অস্বাস্থ্যকর পরিমাণ। নোট: পানিতে আর্সেনিকের 0.05mg পরিমাণ বাংলাদেশের জন্য নিরাপদ।
Another Explanation (5):

পানিতে আর্সেনিকের গ্রহণযোগ্য মাত্রা: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট 🧐

ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক দূষণ ⚠️ বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। আর্সেনিক একটি প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টিকারী বিষাক্ত পদার্থ ☠️, যা মাটি এবং শিলাস্তরে বিদ্যমান। এই আর্সেনিক ভূগর্ভস্থ পানিতে মিশে পানিকে দূষিত করে তোলে। দূষিত পানি দীর্ঘকাল ধরে পান করলে আর্সেনিকোসিস নামক মারাত্মক রোগ হতে পারে।💀

কতটুকু আর্সেনিক পানযোগ্য 🤔?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং বিভিন্ন দেশের মান অনুযায়ী পানিতে আর্সেনিকের একটি নির্দিষ্ট নিরাপদ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, এই মাত্রাটি হলো:

  • বাংলাদেশের মান: প্রতি লিটার পানিতে 0.05 মিলিগ্রাম (mg/L) 💧
  • WHO এর মান: প্রতি লিটার পানিতে 0.01 মিলিগ্রাম (mg/L)

অর্থাৎ, বাংলাদেশে পান করার জন্য পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা 0.05 mg/L। এর বেশি হলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ☠️

কেন এই ভিন্নতা 🤷‍♀️?

WHO এর তুলনায় বাংলাদেশের আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা বেশি হওয়ার কয়েকটি কারণ রয়েছে:

  1. ভূ-গর্ভস্থ পানির আর্সেনিকের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি।
  2. আর্সেনিকমুক্ত পানির সহজলভ্যতার অভাব।
  3. আর্থিক এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা।💰

আর্সেনিকের ঝুঁকি কমাতে করণীয় 🛠️:

আর্সেনিকের ঝুঁকি কমাতে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে:

  • নিয়মিত পানি পরীক্ষা করানো।🧪
  • আর্সেনিকমুক্ত পানি পান করা (যেমন: বৃষ্টির পানি, নদীর পানি)। 🌧️ 🌊
  • আর্সেনিক অপসারণের জন্য ফিল্টার ব্যবহার করা। ⚙️
  • সচেতনতা বৃদ্ধি করা।📢

বিভিন্ন সংস্থার মতামত:

সংস্থা আর্সেনিকের নিরাপদ মাত্রা (mg/L)
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) 0.01
বাংলাদেশ সরকার 0.05

সতর্কতা: আর্সেনিক দূষণ একটি মারাত্মক সমস্যা। তাই, আপনার এলাকার পানি পরীক্ষা করুন এবং নিরাপদ পানি পান করুন। 😊

আর্সেনিকোসিস কি? 🧐

আর্সেনিকোসিস হলো আর্সেনিক দূষিত পানি পান করার কারণে সৃষ্ট দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • ত্বকের পরিবর্তন (যেমন: কালো বা বাদামী দাগ) 🟫
  • হাত ও পায়ের তালুতে ছোট ছোট গুটি 🖐️🦶
  • দুর্বলতা 😩
  • ক্যান্সার 💀

আসুন আমরা সবাই মিলে আর্সেনিকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি। 🇧🇩