গমের বৈজ্ঞানিক নাম কী ?
সঠিক উত্তরঃ
C.
Zea mays
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরটি ভুল হয়েছে কারণ গমের বৈজ্ঞানিক নাম "Zea mays" নয়।
সঠিক তথ্য হলো:
- গমের বৈজ্ঞানিক নাম: Triticum aestivum
Option A Explanation:
- অন্য নাম: চাল
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ধানজাতীয় শস্য, যা মূলত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে উৎপন্ন হয়।
- ব্যবহার: খাদ্য হিসেবে প্রধানত ভাত হিসেবে খাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার হয়।
- উৎপত্তি: এশিয়া মহাদেশে এর উৎপত্তি।
- উৎপাদনকারী দেশসমূহ: চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশসহ অন্যান্য দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো।
Option B Explanation:
- Triticum aestivum হলো শস্যের একটি প্রকার, যা সাধারণত গম নামে পরিচিত।
- এটি প্রধানত খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর মধ্যে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ রয়েছে।
- গমের আটা থেকে রুটি, বিরিয়ানি, পাস্তা ইত্যাদি তৈরি হয়।
- প্রাকৃতিক ঔষধ হিসেবে এর সরাসরি ব্যবহার সাধারণত দেখা যায় না।
- তবে, প্রাচীনকাল থেকে এর গুঁড়ো বা আটা ক্ষতস্থান নিরাময়ে সহায়ক বলে বিশ্বাস করা হয়।
Option C Explanation:
- নাম: Zea mays
- সাধারণ নাম: मकা (মাকা) বা ভুট্টা
- উৎপত্তি: মূলত মধ্য ও উত্তর আমেরিকা থেকে উদ্ভূত
- পরিবার: গম (Poaceae) পরিবারের অন্তর্গত
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: উচ্চতায় অনেক বড় হয়, এর দানা খাদ্য ও পশু-পালনের জন্য ব্যবহৃত হয়
- ব্যবহার: মূলত খাদ্য, পশুখাদ্য ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়
Option D Explanation:
- বর্ণনা: Bambusa tulda হল এক প্রকার বাঁশের প্রজাতি, যা মূলত এশিয়ার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- প্রয়োগ: এটি নির্মাণের কাজে, কাঠের বিকল্প হিসেবে, বাদ্যযন্ত্র তৈরিতে, ও খাদ্যদ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই বাঁশের গাছটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর কাঠামো শক্তিশালী, যা বিভিন্ন ধরনের নির্মাণ ও শিল্পকর্মে গুরুত্বপূর্ণ।