পেপের রিং স্পট রোগের জন্য দ্বায়ী ভাইরাসটি--
RUUnit-GSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসঘটিত রোগসমূহ (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
PRSV
Explanation:

Another Explanation (5):
পেঁপের রিং স্পট রোগ (Papaya Ringspot Disease): একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা 🧐
পেঁপের রিং স্পট রোগ পেঁপের একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি পেঁপে গাছের ফলন এবং গুণগত মান কমিয়ে দেয়। এই রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসটি হলো PRSV (Papaya Ringspot Virus)। নিচে এই ভাইরাস এবং রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
PRSV ভাইরাস 🦠
- পুরো নাম: Papaya Ringspot Virus
- ভাইরাসের ধরণ: RNA ভাইরাস
- ভাইরাস গোত্র: Potyviridae
- আকৃতি: ফিলামেন্টাস (সূত্রাকার)
- বিস্তার: প্রধানত এফিড (Aphid) পোকা দ্বারা ছড়ায়। এছাড়াও বীজ এবং কলমের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে।
রোগের লক্ষণ 징후
- পাতায় মোজাইক প্যাটার্ন: পাতার উপর হালকা সবুজ ও গাঢ় সবুজ রঙের মোজাইক দেখা যায়। 🌿
- পাতার বিকৃতি: পাতা ছোট হয়ে যাওয়া এবং কুকড়ে যাওয়া।
- ফলে রিং এর মতো দাগ: ফলের উপর গোলাকার বা রিং-এর মতো দাগ দেখা যায়। ⭕
- ফলন কমে যাওয়া: আক্রান্ত গাছের ফলন অনেক কমে যায়।📉
- গাছের বৃদ্ধি কমে যাওয়া: গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
রোগের বিস্তার 🗺️
এই রোগ বিভিন্ন উপায়ে ছড়াতে পারে, যেমন:
- এফিড পোকা: এফিড পোকা ভাইরাস আক্রান্ত গাছ থেকে রস চুষে সুস্থ গাছে ভাইরাস ছড়ায়। 🐛
- বীজ: আক্রান্ত গাছের বীজ ব্যবহার করলে চারা গাছেও রোগ দেখা দিতে পারে।
- কলম: আক্রান্ত গাছ থেকে কলম সংগ্রহ করে ব্যবহার করলে রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে।
- কৃষি সরঞ্জাম: রোগাক্রান্ত গাছে ব্যবহৃত সরঞ্জাম দিয়ে সুস্থ গাছ পরিচর্যা করলে রোগ ছড়াতে পারে। 🔪
রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা 💪
এই রোগের কোনো সরাসরি চিকিৎসা নেই। তাই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করাই ভালো। কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিচে উল্লেখ করা হলো:
- ভাইরাস-মুক্ত চারা ব্যবহার: সুস্থ ও ভাইরাস-মুক্ত চারা ব্যবহার করতে হবে।🌱
- রোগাক্রান্ত গাছ অপসারণ: আক্রান্ত গাছ দেখা মাত্রই তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। 🔥
- এফিড নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত কীটনাশক ব্যবহার করে এফিড পোকা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। 🐞➡️💀
- আগাছা দমন: ক্ষেতের আশেপাশে আগাছা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। 🧹
- রোগ প্রতিরোধক জাত ব্যবহার: পেঁপের রোগ প্রতিরোধক জাত ব্যবহার করতে হবে। 🛡️
বিভিন্ন জাতের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (উদাহরণ) 📊
| পেঁপের জাত | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা |
|---|---|
| পূষা নন্হা | মাঝারি |
| কো-১ | কম |
| রেড লেডি | কিছুটা ভালো |
বিশেষ দ্রষ্টব্য: পেঁপের রিং স্পট ভাইরাস একটি মারাত্মক সমস্যা। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা না নিলে পুরো বাগান আক্রান্ত হতে পারে। তাই নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। 👨🌾
আরও জানতে ভিজিট করুন: উদাহরণ ওয়েবসাইট
আশা করি এই তথ্য আপনার কাজে লাগবে। 😊
Option A Explanation:
H.N
- সম্পূর্ণ রূপ: হিউম্যান নোভোভাইরাস (Human Norovirus)
- প্রকার: একটি RNA ভাইরাস
- প্রধান লক্ষণ: গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল অসুবিধা, বমি বমি, ডায়রিয়া
- প্রাদুর্ভাব: সাধারণত খাবার বা পানির মাধ্যমে ছড়ায়
- প্রতিরোধ: হাত ধোয়া, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ
- বিশেষ উল্লেখ: এটি মূলত মানবদেহের জন্য সংক্রামক ভাইরাস, যা বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ও পানীয়ের মাধ্যমে ছড়াতে পারে
Option B Explanation:
- প্রাথমিক পরিচিতি: PRSV (Papaya Ringspot Virus) হলো একটি ভাইরাস যা সাধারণত পেপে গাছে আঘাত করে।
- প্রভাব: এটি পেপের রিং স্পট রোগের জন্য দায়ী, যা ফলের উপর রিং বা দাগ সৃষ্টি করে এবং গাছের বৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত করে।
- সংক্রমণের পথ: প্রধানত ভাইরাসটি আক্রান্ত সেচ ও পাতা থেকে ছড়ায়, এবং এটি মূলত ভাইরাস সংক্রমিত প্রজনন মাধ্যমে ছড়ায়।
- প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ: ভাইরাসটিতে আক্রান্ত গাছে কাটা ঝোপ বা ছাঁটাই করা, ভাইরাস মুক্ত রোপণ, এবং কীটনাশক ব্যবহার করে পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ করে এই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব।
- বিশেষ লক্ষ্য: ভাইরাসটি সাধারণত পেপে গাছে বেশি দেখা যায়, তবে কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য সবজি ও ফলের গাছে এর উপস্থিতি দেখা যায়।
Option C Explanation:
- T2 ফায: এটি একটি ভাইরাস যা বিভিন্ন উদ্ভিদের রোগ সৃষ্টি করে।
- শব্দের অর্থ: "T2" হলো টেকনিক্যাল নাম বা কোডনেম এবং "ফায" অর্থাৎ ফোঁটা বা স্পট, যা রোগের উপসর্গ হিসেবে দেখা যায়।
- প্রভাব: এই ভাইরাসের কারণে উদ্ভিদের পাতা ও ফলের উপর স্পট বা দাগ দেখা যায়, যা কৃষি উৎপাদনে ক্ষতি করে।
- প্রতিরোধ: এই ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নিয়মিত কাটা-ছাঁটাই এবং নিয়মিত নজরদারি জরুরি।
Option D Explanation:
HIV (Human Immunodeficiency Virus) সম্পর্কিত তথ্য
- প্রকার: ভাইরাস
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি ইমার্জিং ভাইরাসের মধ্যে অন্যতম, যা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।
- সংক্রমণের মাধ্যম: মূলত রক্ত, যৌন সংস্পর্শ, ও মা থেকে সন্তানকে।
- প্রভাব: এটি শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ধ্বংস করে, ফলে অন্যান্য সংক্রমণ ও রোগের জন্য ঝুঁকি বাড়ে।
- উপসর্গ: সাধারণত প্রথমে উপসর্গ দেখা যায় না, তবে পরে ক্লান্তি, ওজন কমে, জ্বর, ক্ষত ইত্যাদি হতে পারে।
- উপশম ও প্রতিকার: এই ভাইরাসের জন্য এখনো কোন সম্পূর্ণ নিরাময় নেই, তবে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ দিয়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।