'আসলে সে ঠান্ডা, ভীতু মানুষ'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- "চাঁদের অমাবস্যা' রচিয়তা কে?
- সুবেদ আলি গ্রামের একজন অবস্থাসম্পন্ন মানুষ। সাদা মনের মানুষ হিসেবে গ্রামে তার একটা সুনাম আছে। পরোপকারী এবং সুখী বলেই সবাই তাকে জানে। প্রকৃতপক্ষে, ভেতরে তিনি সুখী ছিলেন না। বিয়ের বয়স দেড় যুগ গড়ালেও সন্তানের মুখ দেখেননি। বহুজনের কাছে স্বামী-স্ত্রী দুজনই চিকিৎসা নিয়েও ব্যর্থ হন। সুবেদ আলি একদিন শুনতে পান পাশের গ্রামের ফকির বাবার কেরামতির কথা। উপঢৌকনসহ সস্ত্রীক ছুটে যান তার কাছে। তাদের বিশ্বাস, ফকির বাবার ঝাড়ফুঁক পেলেই মনের আশা পূরণ হবে।"উদ্দীপকের সুবেদ আলির 'বিশ্বাস' আর 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামবাসীর বিশ্বাস যেন এক সুতোয় গাঁথা।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মহাসড়কের পাশে পুরাতন একটি কবরকে মাজার বানিয়ে জমজমাট ব্যবসায় চালিয়ে যাচ্ছে মোখলেছ। কবরটিকে মাজারে রূপান্তরিত করার ঘটনাটি ছিল বেশ নাটকীয়। একদিন একটি যাত্রীবাহী বাস কবরটির পাশে সামান্য ধাক্কা লেগে থেমে যায়। ঠিক তখনি কবরের পাশে দাঁড়ানো মোখলেছ ড্রাইভারকে ধমকে বলে, "ল্যাংটা বাবার সাথে বেয়াদবি। সামনে তোর জন্য মহাবিপদ অপেক্ষা করছে। বাঁচতে চাইলে বাবার দরবারে যার যা আছে ফেলে যা।" মুহূর্তের মধ্যে বাসের জানালা দিয়ে কবরের পাশে বৃষ্টির মতো পড়তে লাগলো দশ টাকা, বিশ টাকা এবং একশ টাকার নোট।উদ্দীপকে বর্ণিত মাজার প্রতিষ্ঠার ঘটনাটি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার অনুরূপ? বিশ্লেষণ কর।
- 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে।’ - লালসালু উপন্যাসের কার সম্পর্কে এ কথা বলা হয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ কে?
- খেয়াঘাটের ইজারাদারদের প্রবল ষড়যন্ত্রের মুখে গ্রামেপ্রভাবশালীদের পরামর্শে নদীতে সাঁকো তৈরির উদ্যোগথামিয়ে দিতে বাধ্য হয় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সৌরভ!উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সৌরভ এবং 'লালসালু'উপন্যাসের আক্কাস চরিত্রটি কীসের প্রেক্ষাপটে তুলনীয়?
- গ্রামের মাতব্বর হলেও কবির আলী এলাকায় হঠাৎ আর্বিভূত হওয়া পীর জামিলের দাপটের কাছে অসহায় বোধ করেন। নিজের মতের বিরুদ্ধে গেলেও তিনি অনেক কিছু মেনে নিতে বাধ্য হন। এমনকি জামিলের কথায় তিনি স্ত্রীকে তালাক দিতে বাধ্য হন।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- মজিদ কীভাবে দিনের পর দিন তার আত্মবিশ্বাস ফিরে পায়?
- 'তোরে না বুইঝা কষ্ট দিছি হে-দিন'— কাকে কষ্টদিয়েছে?
- ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশেবুঝছোনি ভাই বুঝছোনি, আসল কথা বুঝছোনি?এক গেরামের গরিব চাষি কালামিয়া নামসবার পেটে ভাত জুটাইতে ক্ষেত্রে ঝরায় ঘামও তার ছাওয়াল কান্দে ক্ষুধার জ্বালায়মহাজনরা হাসে।ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশে।'জমিদার, মুৎসুদ্দি শ্রেণির বিলোপ হলেও আধুনিক পির প্রথা সেই স্থান দখল করে নিয়েছে।' বক্তব্যটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে বিচার করো।
- নারিশা গ্রামের একটা ভাঙা রাস্তা মেরামতের জন্য জনপ্রতিনিধিদের নিকট ধর্ণা দিতে দিতে গ্রামের মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। গ্রামেরই ছেলে বুলবুল একদিন গ্রামের ছেলেদের নিয়ে খাল থেকে মাটি তুলে রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করে দিল। চেয়ারম্যান এসে ধমকের সুরে বুলবুলকে বললেন, 'তুমি কার মাটি কার রাস্তায় ফেলছ? অনুমতি নিয়েছ? খালের পাড় ভেঙে জমিজমা ঘরবাড়ি নষ্ট হবে না? এমন পাপের কাজে ছেলেদের জড়ালে কেন, ওদের মা-বাবার অনুমতি নিয়েছ? শিশুশ্রম নিষিদ্ধ জানো না? ভুল স্বীকার করে এ কাজে বিরত না হলে তোমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খেতে এসেছ?''উদ্দীপকের বুলবুলের কার্যক্রম আইনবিরোধী নয়, কর্তৃত্ববাদীদের জন্য অশনিসংকেত।'- 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘শীর্ণ মানুষটির পেছনে মাছের পিঠের মতো মাজারটির বৃহৎ ছায়া দেখে’ কে দেখে?
- বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের আবির্ভাব ঘটে-
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে । কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া 'ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।'উদ্দীপকে প্রতিফলিত সমাজচিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন ঘটেনি।'-আলোচনা করো।
- জান না কি তুমি, রে বেইমানআল্লাহ সর্বশক্তিমানদেখিছেন তোর সবকিছু?জাব্বা জোব্বা দিয়ে ধোঁকাদিবি আল্লারে, ওরে বোকাকেয়ামতে হবে মাথা নিচু।'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি উদ্দীপকের সাথে সম্পর্কযুক্ত? বিশ্লেষণ করো।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- 'ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে'- এ উক্তি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'আপনারা জাহেল, বে-এলেম, আনপাড়হ্।'- উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- “ও যখন হাঁটে তখন মজিদ চেয়ে চেয়ে দেখে।” এখানে 'ও' কে?
- একসময় পরম অনাদর ও অব্যবস্থা থেকে ওঠা আলেয়া গ্রামবাসীর কাছে হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এলাকায় পীর হিসেবে পরিচিত ওদুদের দ্বিতীয় স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ায় তার এ কদর। দূরদূরান্তে থেকে লোকজন প্রতিদিন তার কাছে নানা তদবির নিয়ে আসে.। আলেয়া তাদের আবদার হাসিমুখে মেনে নেয়।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।" উদ্দীপকের মামুন চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের অপূর্ণ একটি সম্ভাবনার বাস্তব প্রতিফলন "- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে দুর্লঙ্গনীয় রহস্যে আবৃত কী?
- “ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে"-উক্তিটিতে কী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়া জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।"উদ্দীপকের তোতা মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারী দুজনেরই পরিণতি বেদনাবহ।"- বিচার কর।
- এনায়েত রসুলপুর মসজিদের ইমাম। সর্বদা এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকে সে। মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ায় সবাই তাকে মান্য করে। সুন্দর নূরানী চেহারা হওয়ায় এলাকার সবাই তাকে পীর সাহেব হিসাবে গণ্য করে। সে হঠাৎ ফতোয়া জারি করে সকল দান খয়রাত এলাকার মানুষ যেন মসজিদ মাদ্রাসায় দেয়। একথা শুনে এলাকার আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু এলাকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ মেহেরার কথায় সায় দেয় না বরং বিরোধিতা করে। তাদের ধারণা বাংলা, ইংরেজি পড়া স্কুল কলেজে পড়লে মানুষ শয়তানের দোসর হয়। পরকাল শেষ হয়ে যায়। তাই সকল দান খয়রাত, পড়াশুনা মসজিদ মাদ্রাসাভিত্তিক হওয়া দরকার।রসুলপুর গ্রামের এনায়েতের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য দেখাও।
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এ-এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন, সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য 'ব্যাখ্যা কর।
- লালসালু উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- এমবিবিএস পাশ করে রাগিব গ্রামে ফিরে আসে-সেখানে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতেই গ্রাম্য কবিরাজ ফাহাদ খেপে ওঠে এবং ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে থাকে। গ্রামের মাতব্বর নওয়াজকে অর্থ দিয়ে হাত করে নেয় সে; রাগিবের প্রথম প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়। কিন্তু থেমে যায়নি রাগিব। শহরে গিয়ে ওপর মহলে তদবির করে সে সরকারি অনুমোদন ও অনুদান সংগ্রহ করে এবং গ্রামে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেই ছাড়ে।'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস ও উদ্দীপকের রাগিবের মধ্যে বৈসাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো
- হঠাৎ করে সুন্দরপুর গ্রামে এক দরবেশ এসে উপস্থিত হয়। আজানুলম্বিত পোশাক আর হাতে একটি লাঠি নিয়ে গ্রামে সে প্রবেশ করে। গ্রামের নিরক্ষর, সাধারণ মানুষ তাকে দেখে যেন অনেক অপ্রাপ্তি আর বেদনা থেকে আশাবাদী চেতনা ফিরে পায়। নবাগতের ভিতর থেকে যেন মুক্তির আলো ছড়িয়ে পড়তে লাগল। মানুষের ভালোর জন্য তিনি সব করতে পারেন। সময়ের ব্যবধানে দরবেশ সকলের হৃদয়ের মণি হয়ে উঠলেন।উদ্দীপকে দরবেশের সাথে উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'পরগাছা মুরব্বি' কে?
- আফজাল মিয়ার স্ত্রী হালিমা পরপর তিনটি কন্যা সন্তান জন্মদেয়। পূত্র সন্তান লাভের আশায় খ্যাতিমান পির জুনাইদ আলীকুতুবশাহীর দরবারে গমন করে। পির কুতুবশাহী এক বোতল'পড়া পানি' দিয়ে বলেন যে, এই 'পড়া পানি' খেয়ে তার যদিপুত্র সন্তান না হয় তবে বুঝতে হবে সে পাপী। হালিমা যথারীতিচতুর্থ কন্যার জন্ম দেয় এবং স্বামীর রোষানলে পড়ে।উদ্দীপকের হালিমার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- সন্তান আকাঙ্ক্ষায় 'রূপার মনে ঝড় ওঠ???'— রূপারসাথে ‘লালসালু' উপন্যাসের মিল রয়েছে—রহিমারআমেনারজমিলারনিচের কোনটি সঠিক?
- গ্রামে পীর সাহেবের প্রভাব ছিল ব্যাপক। তিনি হুজুর কেল্লা নামে পরিচিত। ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায় জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল। কিন্তু এমদাদ শিক্ষিত যুবক। সে সমাজের মানুষের এমন প্রশ্নহীন আনুগত্যে অবাক হয়ে যেত।পীর সাহেবকে 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে তুলনা করা যায়? কেন?
- 'পাথর এবার হঠাৎ নড়ে।'- এখানে 'পাথর' কে?
- জান না কি তুমি, রে বেইমানআল্লাহ সর্বশক্তিমানদেখিছেন তোর সবকিছু?জাব্বা জোব্বা দিয়ে ধোঁকাদিবি আল্লারে, ওরে বোকাকেয়ামতে হবে মাথা নিচু।উদ্দীপকের বেইমান 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- জব্বার তালুকদার ভদ্রদিয়া গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলেই তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে জব্বার তালুকদার সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত আফসার আলীকে। তার ওপর জব্বার তালুকদারের অগাধ বিশ্বাস। তাই আফসার আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন জব্বার তালুকদার তা বাস্তবায়নে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন আফসার আলী জব্বার তালুকদারকে বললেন, 'জব্বার, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় জব্বার তালুকদার।'উদ্দীপকের জব্বার তালুকদারের স্ত্রীর জীবন এবং লালসালু উপন্যাসের আমেনা বিবির জীবনের পরিণতি একই'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ"- কেন?
- 'মজিদের মন ক-দিন ধরে চিন্তায় ঘোরপাকখায়'।— কারণ কী?
- আশেকনগর গ্রামের এনায়েতউল্লাহ উত্তরাধিকারসূত্রে একজন পির। অঢেল তার ধনসম্পদ। কিন্তু ঘরে তার কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় মনে তার শূন্যতা। তাই বার্ষিক জলসা শেষ হওয়ার পরপরই এনায়েত দ্বিতীয় বিবাহ সেরে ফেলে। নতুন বউ অল্পবয়সী, দেখতে অতি নিরীহ গোছের-একেবারে এনায়েতের মনের মতো। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই সে বেরিয়ে আসে ঘোমটা থেকে, কথা বলে অনবরত এবং হাসতে থাকে খলখল শব্দে। পীর স্বামী তাকে মাজারের ভয় দেখায়, শরিয়ত-মারফত শেখায় এবং পাক মাজারের সঙ্গে ঠিকভাবে আচরণের জন্য শাসায়। কিন্তু নতুন বউ সারার মনে প্রবল বিদ্রোহ। সে তার বাবার বয়সী স্বামীকে কোনোমতেই সহ্য করতে পারে না। এনায়েত বিচলিত হয়।উদ্দীপকের সারার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধরো।