মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোন ধরনের এনজিওপ্লাস্ট বর্তমানে বেশি প্রচলিত?

A. বেলুন এনজিওপ্লাস্ট
B. লেজার এনজিওপ্লাস্ট
C. অ্যাথেরেকটমি
D. করোনারি স্টেন্টিং
Poster Download
JUUnit-DSet-3জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনহৃদরোগের চিকিৎসা ধারণা (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. করোনারি স্টেন্টিং
Explanation: করোনারি স্টেন্টিং বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত এনজিওপ্লাস্ট পদ্ধতি। Option A ভুল কারণ বেলুন এনজিওপ্লাস্ট বর্তমানে কম ব্যবহৃত। Option B ভুল কারণ লেজার এনজিওপ্লাস্ট সীমিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। Option C ভুল কারণ অ্যাথেরেকটমি একটি বিশেষ পদ্ধতি। Option D সঠিক কারণ করোনারি স্টেন্টিং বেশি কার্যকর এবং দীর্ঘস্থায়ী ফলাফল দেয়। নোট: এই পদ্ধতিতে ধমনীর ভেতরে স্টেন্ট বসিয়ে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা হয়।
Another Explanation (5):

করোনারি স্টেন্টিং: আধুনিক এনজিওপ্লাস্টির মূল ভিত্তি

বর্তমানে এনজিওপ্লাস্টির সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত এবং কার্যকর পদ্ধতি হলো করোনারি স্টেন্টিং। এই পদ্ধতিতে হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে (করোনারি আর্টারি) স্টেন্ট নামক একটি ছোট ধাতব জাল স্থাপন করা হয়। 💖

করোনারি স্টেন্টিং কেন এত জনপ্রিয়?

  • উন্নত কার্যকারিতা: শুধু বেলুন এনজিওপ্লাস্টির চেয়ে স্টেন্টিং রক্তনালী পুনরায় সরু হয়ে যাওয়ার (রিস্টেনোসিস) ঝুঁকি কমায়। ✅
  • কম জটিলতা: আধুনিক স্টেন্টগুলোর নকশা এবং স্থাপন কৌশল উন্নত হওয়ায় জটিলতার হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। 📉
  • দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা: স্টেন্ট স্থাপন করার ফলে রক্তনালী দীর্ঘ সময়ের জন্য খোলা থাকে, যা বুকে ব্যথা (এঞ্জিনা) এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। 🥳
  • দ্রুত পুনরুদ্ধার: এই পদ্ধতিতে সাধারণত অল্প সময়েই রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। 🏃‍♀️

করোনারি স্টেন্টিং এর প্রকারভেদ:

প্রকার বৈশিষ্ট্য উপকারিতা
বেয়ার-মেটাল স্টেন্ট (BMS) ধাতব জাল দিয়ে তৈরি, কোনো ওষুধ নেই। কম খরচ। 💰
ড্রাগ-এলুটিং স্টেন্ট (DES) ধাতব জালের ওপর ওষুধ coating করা থাকে, যা রিস্টেনোসিস প্রতিরোধ করে। রিস্টেনোসিসের ঝুঁকি কম। 🏆
বায়োরে Absorbable স্টেন্ট (BRS) ধীরে ধীরে শরীর dissolve হয়ে যায়। নালী natural অবস্থায় ফিরে আসে। 🌱

পদ্ধতি:

  1. অ্যানজিওগ্রাম: প্রথমে একটি ক্যাথেটার (সরু নল) রক্তনালীর মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে প্রবেশ করানো হয় এবং রঞ্জক (dye) ব্যবহার করে ব্লকেজ চিহ্নিত করা হয়।
  2. বেলুন এনজিওপ্লাস্টি: ব্লকেজের স্থানে একটি বেলুন ফোলানো হয়, যা রক্তনালীকে প্রসারিত করে। 🎈
  3. স্টেন্ট স্থাপন: বেলুন ফোলানোর পর স্টেন্ট স্থাপন করা হয়, যা রক্তনালীকে খোলা রাখতে সাহায্য করে। 🔩
  4. পর্যবেক্ষণ: স্টেন্ট স্থাপনের পর রোগীকে কয়েক ঘণ্টা বা একদিনের জন্য পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। 🛌

ঝুঁকি এবং জটিলতা:

যদিও করোনারি স্টেন্টিং একটি নিরাপদ পদ্ধতি, তবুও কিছু ঝুঁকি রয়েছে, যেমন:
  • রক্তপাত 🩸
  • সংক্রমণ 🦠
  • স্টেন্ট থ্রম্বোসিস (স্টেন্টের মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধা) 🩸
  • অ্যালার্জি 🤧

পরিশেষ:

করোনারি স্টেন্টিং হৃদরোগের চিকিৎসায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ❤️‍⚕️ এটি শুধু একটি পদ্ধতি নয়, এটি জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 🥰 আধুনিক স্টেন্ট এবং উন্নত কৌশল ব্যবহারের ফলে এই পদ্ধতি বর্তমানে অত্যন্ত নিরাপদ এবং কার্যকর। 👍