তোমার যেখানে সাধ চলে যাও — আমি এই বাংলার পরে
রয়ে যাব; দেখিব কাঁঠাল পাতা; ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিকের সন্ধ্যায় হিম হয়ে আসে ধবল
রোমের নিচে তাহার হলুদ ঠ্যাং ঘাসে অন্ধকারে নেচে
চলে.........
উদ্দীপকের সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে'
কবিতার বৈসাদৃশ্য প্রধানত কীসে লক্ষিত হয়?
A.
প্রকৃতি বর্ণনায়
B.
অধিক প্রাণিবাচক উপমায়
C.
গভীর দেশপ্রেমে
D.
অনুপম সৌন্দর্য সৃষ্টিতে
সঠিক উত্তরঃ
B.
অধিক প্রাণিবাচক উপমায়
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।'বৃক্ষের মতো জাদুঘরও আমাদেরকে সার্থকতার গান শোনায়।'- তোমার মতামত ব্যাখ্যা কর।
- 'আবেস্তা' কী?
- হুমায়ূন আহমেদের ‘অপরাহ্নের গল্প’ সম্পর্কিত
- পদ্মা নদীর মাঝি কে?
- ‘হৈমন্তী’ তে ইহারা অন্য জাতের মানুষ বুঝানো হয়েছে-
- আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি।চলি পলিমাটি কোমলে, আমার চলার চিহ্ন ফেলে।তেরোশত নদী শুধায় আমাকে, 'কোথা থেকে তুমি এলে?'উদ্দীপকে প্রতিফলিত চেতনা ব্যক্ত হয়েছে নিচেরকোন চরণে?
- ‘রোহিনী’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
- গ্রন্থাগার জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডার। এটা জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্যও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক বলে মানুষের মনকে জাগিয়েতুলতে সাহায্য করে।উদ্দীপকটি 'জাদুঘরে কেন যাব' রচনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ,কারণ—
- ‘কাশবনের কন্যা’ গ্রন্থটির লেখক কে?
- হৈরব আর ভৈরব দুই ভাই। চিন্তা-চেতনায় স্বার্থে পরার্থেযোজন দূরের বাসিন্দা তারা; কিন্তু তাদের মা দুরারোগ্যব্যধিতে আক্রান্ত হলে বিভেদ ভুলে হৈরব ভৈরবকে মায়েরচিকিৎসায় তার পাশে থাকার অনুরোধ জানায়। ভৈরব স্বার্থচিন্তা ত্যাগ করে বিনা দ্বিধায় বড় ভাইয়ের পাশে দাঁড়ায়।উদ্দীপকের ভৈরব ও মিরজাফর চরিত্রে যুগপৎপ্রতিফলিত—
- সাধনার ব্যাপারে বড়ো জিনিস কী?
- বিড়ালের সুবিচারিক কথা শুনে কমলাকান্তের কেমন বাণী মনে পড়ল?
- 'লোক-লোকান্তর' কবিতার মূলভাব কী?
- ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকর সাহেবরা কৃষকদের অগ্রিম টাকা (দাদন) প্রদান করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত। নগদ টাকা পেয়ে কৃষকরা কিছুদিন আরাম আয়েশে কাটাত। উৎপাদিত নীল যখন ইংরেজরা অতি স্বল্প মূল্যে নিয়ে যেতো তখন খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠত। ক্ষুধায় কাতর মানুষগুলো আর দাদন নেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলেও নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারত না। বাধ্য হয়ে তারা অল্প অল্প জমি বিক্রি করত। ক্রমশ জমি কমতে থাকায় অভাব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠত। এভাবেই তারা অভাব-চক্রের মাঝে আবর্তিত হত।"উদ্দীপক ও 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উভয়ক্ষেত্রে অভাব চিরায়ত"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- জহির রায়হানের উপন্যাস নয়?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের যে গান শোনায়-
- 'জেন্দা' কী?
- সিকানদার আবু জাফরের মূল পেশা কী ছিল?
- 'গাহি সাম্যের গান' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- ‘সাম্যের গান’ বলতে কাজী নজরুল ইসলাম কী বুঝিয়েছেন?