রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।
উদ্দীপকের রফিকের মধ্যে আঠারো বছর বয়সের কোন দিকটি স্পষ্ট? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- 'দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- দুরন্ত পথিক দুর্বার তারুণ্যের প্রতীক। সে বিপ্লবের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত মুক্তি সৈনিক। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে সে দুর্গম পথে এগিয়ে চলে। তার শক্তি অবিনশ্বর। পথ চলতে সে কখনো থেমে যায় না। তার চেতনা দুর্বারকে জয় করে।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি অনুপস্থিত- নির্ণয় কর।
- শব বহন করিয়া যখন সে যায় শ্মশানঘাটে, গোরস্তানে, অনাহারে থাকিয়া যখন সে অন্ন পরিবেশন করে দুর্ভিক্ষ বন্যাপীড়িতদের মুখে, বন্ধুহীন রোগীর শয্যা পাশে যখন সে রাত্রির পর রাত্রি জাগিয়া পরিচর্যা করে, যখন সে পথে পথে গান গাহিয়া ভিখারি সাজিয়া দুর্দশাগ্রস্তদের জন্য। ভিক্ষা করে, যখন দুর্বলের পাশে বল হইয়া, দাঁড়ায়, এই ধর্ম যাহাদের তাহারাই তরুণ।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন ভাবের সাথে তুলনা করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নির্বিচারে বাঙালিকে হত্যা করে। দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিকালে তরুণ যুবক রহিম আর চুপ থাকতে পারে না। অপরিসীম সাহস নিয়ে সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সে নিজেকে উপসর্গ করে।'সকল বাধা অতিক্রম করে আত্মত্যাগ ও মানব-কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করা আঠারো বছর বয়সের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।' উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নির্বিচারে বাঙালিকে হত্যা করে। দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিকালে তরুণ যুবক রহিম আর চুপ থাকতে পারে না। অপরিসীম সাহস নিয়ে সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সে নিজেকে উপসর্গ করে।উদ্দীপকের রহিম 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বৈশিষ্ট্যের প্রতিনিধিত্ব করে- ব্যাখ্যা করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন সংঘের পক্ষে 'আকাল' কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন?
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ, ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচারক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করেপুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা।আয় দুরন্ত, আয়রে আমার কাঁচা।"উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত বিষয়ের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে"- উক্তিটি বিচার করো।
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'- 'পরবর্তী চরণ-
- 'ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?- প্রলয় নূতন সৃজন-বেদন!আসছে নবীন-জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন!তাই সে এমন কেশে বেশেপ্রলয় বয়েও আসছে হেসে-মধুর হেসে!ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর!'"ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর!'- এ চরণে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।" তুমি কী মনে করো? বিশ্লেষণ করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোথায় ছিল?
- তারুণ্য হলো মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ বয়সে অনেক তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা থাকে। পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য ছোটা, অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করা; আবার যেকোনো অসৎ সঙ্গে নষ্ট হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। এসকল প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে একজন তরুণকে পথ চলতে হয়। অর্থাৎ একজন তরুণকে বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়।" 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উদ্দীপকের বিষয়গত ভাবের ইঙ্গিত আছে।"- যুক্তিসহ মূল্যায়ন করো।
- আঠারো বছর বয়স' কোন ছন্দে রচিত?
- ”আঠারো বছর বয়স” কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'আপদ আছে, জানি আঘাত আছেতাই জেনে তো বক্ষে পরান নাচে।' উদ্দীপকটির ভাবার্থ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতারসাথে কোন অর্থে অভিন্ন?
- ‘আঠারো বছর’ কবিতায় ‘আঠারো’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে-
- 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- আঠারো বছর বয়স' কোন ছন্দে রচিত?
- রাশেদ গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিতোলায় শ্রমিকনেতা জামালকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করাহয়। দারুণ অর্থকষ্টে পতিত হলেও জামাল হাল ছাড়ে না।দৃঢ় আত্মপ্রত্যায়ের সাথে শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্বারআন্দোলন গড়ে তোলে ।উদ্দীপকের শেষ লাইনের সঙ্গে নিচের কোন লাইনটিরভাবগত সাদৃশ্য রয়েছে?
- মাদক গ্রহণের অপর???ধ মাথায় নিয়ে পুলিশ ভ্যানে উঠে বসল সাজিদ। মা-বাবা, পাড়া- প্রতিবেশী কেউ কল্পনা করতে পারেনি এমন দৃশ্য তাদের দেখতে হবে। শুধু ভালো ছাত্র হিসেবে নয়, তার মতো সাহসী, প্রতিবাদী, পরোপকারী সর্বগুণের অধিকারী একটি ছেলেও খুঁজে পাবে না কেউ। বয়স্করা বলতেন, 'আহা' এমন সোনার টুকরা যদি সবার ঘরে জন্মাত।" কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাজিদের মা বলেন, 'কিছুদিন ধরে অচেনা একটা ছেলে ওর সাথে দেখা করতে আসত। ভাবতে পারিনি এত বড় সর্বনাশ হবে আমার ছেলের।''আহা! এমন সোনার টুকরা যদি সবার ঘরে জন্মাত - 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার শেষ পঙক্তিটির আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে- কি কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছেন?
- আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।''তারুণ্য শক্তিই পারে আগামী জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে।'- উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ”আঠার বছর বয়স” কবিতাটি সংকলিত হয়েছে কোন কাব্য থেকে?
- ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ 'আকাল' সম্পাদনা করেন কে?
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- ব্যাখ্যা করো।
- যেন গতিহীন, প্রাণহীন, সৃজনবিরাগী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি প্রাত্যহিক আজ। এ দেশের তরুপসমাজ এক অনিবার্য স্থবিরতায় ক্রমে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ও মাদক তাদের এই অধঃপাতের প্রধান দুটি কারণ বলে মনে হয়। মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য যে আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিত্ব, স্বনির্ভরতা, দুরন্ত গতিবেগ, সৃজন, নির্ভীকতা, পরোপকার, অসাম্প্রদায়িকতা, সংস্কৃতিবোধ ও স্বদেশপ্রেম তা থেকে এ দেশের যুবসমাজ নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পক্ষান্তরে গেমিং, টিকটক করা বা দেখা, অনলাইন আসক্তি এবং নানা রকম নেশা গ্রহণে তারা এখন ডুবে আছে। আসুন এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজি।"এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে' উক্তিটির সার্থকতা উদ্দীপকে বর্ণিত 'মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্যর সাথে সম্পর্কিত।”- বিষয়টি আলোচনা করো।
- বিপদের মুখে 'আঠারো বছর বয়স' কেমন?
- যেন গতিহীন, প্রাণহীন, সৃজনবিরাগী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি প্রাত্যহিক আজ। এ দেশের তরুপসমাজ এক অনিবার্য স্থবিরতায় ক্রমে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ও মাদক তাদের এই অধঃপাতের প্রধান দুটি কারণ বলে মনে হয়। মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য যে আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিত্ব, স্বনির্ভরতা, দুরন্ত গতিবেগ, সৃজন, নির্ভীকতা, পরোপকার, অসাম্প্রদায়িকতা, সংস্কৃতিবোধ ও স্বদেশপ্রেম তা থেকে এ দেশের যুবসমাজ নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পক্ষান্তরে গেমিং, টিকটক করা বা দেখা, অনলাইন আসক্তি এবং নানা রকম নেশা গ্রহণে তারা এখন ডুবে আছে। আসুন এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজি।উদ্দীপকের বর্তমান যুবসমাজ এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- চরণটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- "হনন করার ইচ্ছা, "এক কথায় কি বলে?
- ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'– বলতে বোঝানোহয়েছে—
- 'দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা।'-লাইনটিতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরায় ঘটে যাওয়া রক্তাক্ত বিভীষিকা আজও আমায় স্তম্ভিত করে দেয়। বিপন্ন মানবতার আর্তচিৎকারে ভারি হয়ে ওঠে আকাশ-বাতাস। ফারাজ আইয়াজ হোসেন, এক প্রাণবন্ত যুবক। বিপদের মুখে বন্ধুদের ছেড়ে আসতে রাজি না হওয়ায় দুষ্কৃতকারীদের হাতে প্রাণ হারায়। সে প্রকৃত বন্ধুত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, বন্ধুত্বের জন্য জীবন উৎসর্গ করে। দৃঢ়তার সঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ভালোবাসা ও সহানুভূতির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠী, ধর্ম ও জাতীয়তার মানুষের মানবিকতাকে একসূত্রে গ্রথিত করেছে। ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে উঠে তার 'এই অসাধারণ চারিত্রিক দৃঢ়তা প্রদর্শন বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।উদ্দীপকের আলোকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- উক্তিটির সাদৃশ্য তুলো ধরো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- ‘এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে'–এ পঙক্তি দ্বারাকী বোঝানো হয়েছে?
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'- সপ্রসঙ্গ পঙ্ক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- " এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে" এ বাক্যে 'আঠারো' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাক-হানাদার বাহিনী নির্বিচারে অগণিত বাঙালিকে হত্যা করে। দেশে এমন অরাজকতা দেখে তরুণ যুবক রফিক আর চুপ থাকতে পারে না। অপরিসীম সাহস নিয়ে সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সে নিজেকে উৎসর্গ করে।"আত্মত্যাগ ও মানব কল্যাণ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।
- জুলে-পুড়ে মরে ছারখার তুব মাথা নোয়াবার নয়'। কবিতাংশটি -