(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)
(খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃ
- বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
- আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
- সেই বাঁশির সুর খুব মিষ্টি। (বিস্ময়সূচক)
- জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
- যেহেতু বৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু ফসল ভালো হবে। (সরল)
- সকলেই ফুল ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
- আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি। (প্রার্থনাসূচক)
- এমন কথা সে মুখে আনিতে পারিত না। (অস্তিবাচক)