'ভারত শাসন আইন' কবে রাজকীয় সম্মতি লাভ করে?
GSTUnit-Bসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশইংরেজ শাসনভারত শাসন আইন (Topic Practice)GST - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
২ আগস্ট ১৯৩৫
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
👑 ভারত শাসন আইন, ১৯৩৫: রাজকীয় সম্মতি 📜
ভারত শাসন আইন, ১৯৩৫ ভারতীয় সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই আইনের মাধ্যমেই ভারতের সংবিধানের একটি বড় অংশ গঠিত হয়েছিল।
📅 রাজকীয় সম্মতির তারিখ
২ আগস্ট, ১৯৩৫ তারিখে এই আইনটি রাজকীয় সম্মতি লাভ করে।
📜 আইনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান: প্রাদেশিক স্তরে দ্বৈত শাসন (Dyarchy) ব্যবস্থার অবসান ঘটানো হয়।
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন: প্রদেশগুলোকে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো: একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠনের প্রস্তাব করা হয়, যেখানে প্রদেশগুলো ও দেশীয় রাজ্যগুলো অংশ নিতে পারত।
- কেন্দ্রীয় আইনসভা: কেন্দ্রে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা গঠিত হয়।
- ভোটাধিকার সম্প্রসারণ: ভোটাধিকারের পরিধি বাড়ানো হয়, যদিও তা সীমিত ছিল।
- পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা: মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়।
⚖️ তাৎপর্য:
এই আইন ভারতীয় সংবিধানের ভিত্তি স্থাপন করে। এর অনেক ধারা পরবর্তীতে ভারতীয় সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
📊 আইনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর সংক্ষিপ্ত তালিকা:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ➡️ স্থানীয় সরকারগুলোকে ক্ষমতা হস্তান্তর।
- যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ➡️ কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগি।
- দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা ➡️ আইন প্রণয়নে বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব।
🧩 আইনের প্রভাব:
এই আইনের মাধ্যমে ভারতীয় রাজনীতিতে একটি নতুন যুগের সূচনা হয়। এটি ভারতীয়দের মধ্যে স্বায়ত্তশাসনের আকাঙ্ক্ষা আরও বাড়িয়ে তোলে। 💪
📅 সময়রেখা:
| বছর | ঘটনা |
|---|---|
| ১৯৩৫ | ভারত শাসন আইন পাস 📜 |
| ২ আগস্ট, ১৯৩৫ | রাজকীয় সম্মতি লাভ ✅ |
| ১৯৩৭ | প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত 🗳️ |
এই আইন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরি করে। 🇮🇳
আরও জানতে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বই ও ওয়েবসাইট দেখুন। 📚🌐
```