কোথায় যেতে পারলে আবার প্রতিরোধ গড়ে তোলা যাবে বলে নবাব প্রত্যয় ব্যক্ত কর??ন?
A. মুর্শিদাবাদ
B. কলকাতা
C. ঢাকা
D. পাটনা
সঠিক উত্তরঃ
D.
পাটনা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- নারান সিং-এর পরিচয় কী?
- আলিনগরের সন্ধি কত সালে করা হয়?
- "শওকত জঙ্গ নবাব হলে সকলের উদ্দেশ্য হাসিল হবে।"- কেন?
- মোহনলাল কে?
- ব্রিটিশ সিংহ লেজ গুটিয়ে নিলেন এ বড় লজ্জার কথা'- ব্যাখ্যা করো।
- "ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?”- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- পারফেক্ট স্কাউন্ডেল বলা হয়েছে কাকে?
- পলাশির যুদ্ধে সিরাজের পতনের জন্য তার নিজেরযে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনেকখানি দায়ী, তা হলো-
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আপাদমস্তক একজন দেশপ্রেমিক। যুগ যুগ ধরে শোষিত নিপীড়িত বাঙালিকে তিনিই মুক্তির স্বাদ দিতে পেরেছিলেন। দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে 'বহুবার কারাবরণ করেছেন তিনি। নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে। অথচ নিজ ঘরের দরজায় পরিচিত কয়েকজনকে হন্তারকের ভূমিকায় দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন জাতির পিতা।'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলার মতোই দেশপ্রেমিক ছিলেন।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- রফিক সাহেব নাম-পরিচয়হীন এক অনাথ বালককে আশ্রয় দিয়েছিলেন বিশ বছর আগে। নাম রেখেছিলেন সজল। অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আদর-যত্নে রফিক সাহেবের সন্তান হিসেবেই সে বড়ো হয়। কিন্তু, ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধের সৌরভ তার মধ্যে সৃষ্টি হয়নি। মনের দিক থেকে সে এতই কদর্য ও সংকীর্ণ যে, রফিক সাহেবের বিশাল সম্পত্তির মালিক হয়ে যেতে চায় সে। এলাকায় রফিক সাহেবের যশ-খ্যাতি ও সুনামের যারা প্রতিপক্ষ, তাদের দ্বারা সজল প্রতিনিয়ত প্ররোচিত হয়। সে তার আশ্রয়দাতার সম্পত্তি হস্তগত করার জন্য সুযোগ খোঁজে। একদিন সে অস্ত্রের মুখে সমস্ত সম্পত্তি তার নামে লিখে দিতে রফিক সাহেবকে বাধ্য করে এবং পরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।"উদ্দীপকের রফিক সাহেব ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের পরিণতি এক হলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন।"- আলোচনা করো।
- শহরে বড়োসড়ো এক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাত সরদার নিজাম ও তার দল। এ লক্ষ্যে শহরের প্রান্তে এক পরিত্যক্ত রাড়িতে তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হতে থাকে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে নগর পুলিশ পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সদলবলে নিজামকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে।'ইংরেজদের পরিণতি উদ্দীপকের নিজামদের মতো হলে এ দেশের ইতিহাস পালটে যেত।'- উক্তিটির যথার্থতা নির্ণয় করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার আত্মীয়স্বজন, পর্যন্ত তার বিরুদ্ধাচরণ করে। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এই ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করতে পেরেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পারেননি। পলাশির যুদ্ধে তিনি যেমন প্রতারিত হয়েছিলেন তেমনি ভাগ্য তার বিরুদ্ধে ছিল।উদ্দীপকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার যে সফলতার ইঙ্গিত রয়েছে তা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের সাথে। মিলিয়ে ব্যাখ্যা করো।
- মাস্টারদা সূর্যসেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। এ দেশের গণমানুষকে জাগিয়ে তুলতে নানাভাবে চেষ্টা করেন। তারই নির্দেশে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে আক্রমণ সফল হওয়ার পর ব্রিটিশ শাসকের টনক নড়ে। তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ইংরেজরা দশ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। অর্থের লোভে জনৈক ব্যক্তি তাঁর অবস্থান জানিয়ে দিলে তিনি ধরা পড়েন। অতঃপর তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।'প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের সূর্যসেন এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলা একই পরিণতির শিকার হয়েছেন।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে দেশের জনমানুষ সুসংহত হতে থাকে। সকলে পরাশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার শপথ নেয়। এ সময় কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী ব্যক্তিবর্গ প্রতিপক্ষের সাথে শলাপরামর্শ করে স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। অথচ দেশবিরোধীরা ধর্মগ্রন্থ নিয়ে শপথ করে যে তারা দেশের স্বার্থে ও নেতার পক্ষে কাজ করবে। তাদের মধ্যে আবার কেউ বলে, বাইবেলের কসম আমার জীবন দেশের কল্যাণে উৎসর্গকৃত।'দেশের স্বার্থ তারা জলাঞ্জলি দিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে চায়'- মন্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- ওই দেখো, ওই যেন চিত্রিত প্রাচীরওই তব সৈন্যগণদাঁড়াইয়া অকারণ,গণিতেছে লহরী কি রণ-পয়োধির?দেখিছ না সর্বনাশ সম্মুখে তোমার?যায় বঙ্গ-সিংহাসনযায় স্বাধীনতা-ধনযেতেছে ভাসিয়া সব, কি দেখিছ আর।'নিজ সেনাদের নির্লিপ্ততাই নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের অন্যতম কারণ।' উদ্দীপক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- "ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবীকে রেখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত, এ বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।""উদ্দীপকের শেষ দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক"- উক্তিটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের তৃতীয় অঙ্কে দৃশ্য সংখ্যা কত?
- স্বার্থপর 'ক্লডিয়াস রানির সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজাহ্যামলেটকে হত্যা করে।'— উক্ত বাক্যে রাজা হ্যামলেটের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসায় জাতীয়- আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। যারা এ হীন কাজে জড়িত ছিল তাদের সবাই বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সেনাবাহিনীর বিপথগামী সদস্য। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতে পারেননি যে তাঁকে কেউ মারতে পারে।উক্ত চরিত্রের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে-নিষ্ঠুর??াকৃতজ্ঞতাবিশ্বাসঘাতকতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'He is a dead horse.' - কার সম্পর্কে উক্তিটি করা হয়েছে?
- যিশুর খুবই কাছের সহচর ছিল জুডাস। একদিন জুডাসমাত্র ৩০. রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে যিশুকে রোমান সৈন্যদের হাতে ধরিয়ে দিতে সহায়তা করে। উদ্দীপকের জুডাসের কর্মকান্ডটি সিরাজউদ্দোলা চরিত্র??র সাথে অত্যধিক মিল আছে?
- খাল কেটে কুমির আনা' ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন চরিত্র বাগ্গারায় উল্লিখিত কুমির চরিত্রের প্রতিভূ?
- 'উই হ্যাভ কাম টু আর্ন মানি অ্যান্ড নট টু গেট ইন্টুপলিটিকস। ওয়াটসের এ কথা ইংজেদের____বাকচাতুর্যছদ্মবেশপ্রতারণানিচের কোনটি সঠিক?
- রাস্তায় বসে ছোট্ট শিশু আমিনকে কাঁদতে দেখে তাকে বাড়িতে নিয়ে এলেন প্রফেসর মধুসূদন রায়। পরম মমতায়, সন্তান স্নেহে বড়ো করে তোলেন তাকে। শিক্ষা-দীক্ষা, ধন-সম্পদ কোনো কিছুরই অভাব রাখেননি তিনি। কিন্তু একদিন আমিনই ষড়যন্ত্র করে মধুসূদন বাবুর সমস্ত সম্পত্তি জোর করে দখল করে নিয়ে বাড়ি থেকে সস্ত্রীক মধুসূদন বাবুকে বের করে দিলো। সম্পদের প্রচণ্ড লোভের কাছে পরাজিত হন মধুসূদন বাবুর দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।উদ্দীপকের কোন দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- জগৎশেঠ' শব্দের অর্থ কী?
- সিরাজউদ্দৌলা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করলে নৌকাযোগে পালিয়ে যায়-ক্যাপ্টেন মিনচিনফকল্যান্ডক্যানিংহামনিচের কোনটি সঠিক?
- ঐতিহাসিক পলাশি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- “ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি,কেমন?”- উক্তিটি কার?
- সিরাজউদ্দৌলার পিতার নাম-
- 'ইনি কি নবাব না ফকির?'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।
- ''সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে লুৎফুন্নেসা কার কন্যা?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ‘We have come to earn money and not to get into politics' – সংলাপটি কার?
- সিরাজউদ্দৌলা কাকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- আজ নবাবকে ডোবাচ্ছেন, কাল আমাদের পথে বসাবেন না তা কি বিশ্বাস করা যায়?' উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ- বিশ্লেষণ করো।