সাঁওতাল পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন—
A. শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
B. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
C. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
D. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
সঠিক উত্তরঃ
C.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- বিপদে পড়লে ঘাবরে না গিয়ে বুদ্ধিমত্তার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত। 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন উক্তিটিতে এ বিষয়টি ফুটে ওঠে?
- 'অতি সন্তর্পণে তারা বিছানা ছেড়ে ওঠে।' কাদের সম্পর্কে এবং কেন বলা হয়েছে?
- মানিক বন্দোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম কী?
- কে বাহকের মাথায় খড় চাপাতে ব্যস্ত ছিল?
- মাসি-পিসির পেশা কী ছিল?
- আল্লাদিকে রক্ষার জন্য মাসি-পিসির প্রচেষ্টায় তাদের চরিত্রের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো-
- নিচের কোন গল্পে দুর্ভিক্ষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
- 'বেমক্কা' শব্দের অর্থ কী?
- শৈশবে বাবা-মাকে হারিয়ে এক চাচার আশ্রয়ে থাকা আসমার জীবনে ঘটে যায় বাল্যবিবাহ। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার সহযোগিতা না পেলেও দমে যায়নি সে। টিউশন করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় লাভ করে ভালো ফল। আসমা এখন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী।উদ্দীপকের চাচা ও ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করো।
- মাসি-পিসি' গল্পটি 'পূর্বাশা' পত্রিকায় কত বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পটির রচয়িতা কে?
- কোনটি তৎপুরুষ সমাস?
- "শুনি রাজা কহে, “বাপু, জান তো হে, করেছি বাগানখানাপেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দীঘে সমান হইবে টানা ওটাদিতে হবে।" উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
- স্বামী পরিত্যক্তা হতদরিদ্র জয়গুন সূর্য-দীঘল বাড়িতেএকা বসবাস করে ৷উদ্দীপকের জয়গুন 'মাসি-পিসি' গল্পে কারপ্রতিনিধিত্ব করছে?
- "মরণ ঠেকাতেই ফুরিয়ে আসছে তাদের জীবনীশক্তি।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- এইখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে, বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত, ঠোঁটে।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের মূলভাব কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতামত দাও।
- বাবা-মা হারা রাইনার শেষ আশ্রয় বুড়ো দাদু। কিন্তু সমস্যা হয় বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের কারণে, তার প্রতি শকুনের চোখ পড়ে। সম্পত্তির সবটুকু গ্রাস করেও তৃপ্তি হয় না গ্রামের মাতব্বরের ছেলের। তার লোভ জাগে রাইনার উপর। কিন্তু রাইনার দাদু এই বৃদ্ধ বয়সেই রুখে দাঁড়ায় সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে।উদ্দীপকের রাইনার দাদুর সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির দায়িত্ববোধের সাদৃশ্যতা দেখাও।
- সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।উদ্দীপকের চাচা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- বহুত্ববাচক শব্দ
- শফিক মিয়ার মেয়ে আমেনাকে বিয়ে দেয় অপেক্ষাকৃত দরিদ্র জমিরের সাথে। জমির সৎ, হৃদয়বানব, এবং স্ত্রীকে সে প্রাণাধিক ভালোবাসে কিন্তু আমেনা দরিদ্র জমিরের ঘর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসে।"উদ্দীপকের আমেনা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির স্বামীর ঘর ছাড়ার কারণ এক নয়।" মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- আহ্লাদিকে স্বামীর ঘর ছেড়ে চলে যেতে হয় কেন?
- মিনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মিনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না। তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মিনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মিনার বয়স। ষোড়শী মিনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মিনার ঠাঁই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে এলো। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই। 'বেঁচে থাকার লড়াই'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।
- কোন লেখকের রচনায় মার্ক্সবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়?
- সাম্যের গান গাই-আমার চক্ষে পুরুষ রমণী কোন ভেদাভেদ নাই।বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর,অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।উদ্দীপকের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্য দেখাও।
- হিরন্ময়ীর স্বামী যখন মারা যায় তখন তার মেয়ে লতার বয়স মাত্র দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। তবু দমে যায়নি হিরন্ময়ী। মানুষের বাড়িতে কাজ। করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে সে। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না যেতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়। লতা তার মায়ের কাছে ফিরে আসে। এবার পুরু হয় মা-মেয়ের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাড়ির আশেপাশে শাক-সবজি চাষ করে, বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে, পরের বাড়িতে ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার মধ্যে গৌরব আছে, কাজ করে জীবন নির্বাহ করার মধ্যে সম্মান আছে। তারা যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকে।উদ্দীপকের লতা এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির জীবন-সংগ্রামের বৈপরীত্য নির্ণয় কর।
- ‘পদ্মানদীর মাঝি’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি-
- ‘সাহেব’ শব্দের বহুবচন-
- পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
- কোন গল্পটিতে স্বমীর নির্যাতনের শিকার পিতৃমাতৃহীন তরুণীর জীবন কাহিনি ফুটে উঠেছে?
- 'জেলে নয় গেলাম কৈলেশ'- উক্তিটি কার?
- দশম শ্রেণির ছাত্রী আসমা এক দরিদ্র পিতার সন্তান। গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি গওহর মণ্ডল জোরপূর্বক আসমাকে পুত্রবধু বানাতে চায়। হুমকি দেয় তুলে নিয়ে যাওয়ার। এই, পরিস্থিতিতে আসমার বান্ধবীরা পাশে এসে দাঁড়ায়। মন্ডলের বখাটে ছেলের হাতে পড়ে মেধাবী ছাত্রী আসমার লেখাপড়া ধ্বংস হোক তারা চায় না। বান্ধবীরা বিষয়টি স্থায়ীয় সাংবাদিক ও কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জানায়। তারা দলবেধে স্কুলে যায় এবং পালা করে আসমার বাড়ি পাহারা দেয়। এতে দমে যায় গওহর মণ্ডল। জয় হয় সম্মিলিত প্রতিরোধের।"জয় হয় সম্মিলিত প্রতিরোধের'- এ কথা 'মাসি-পিসি' 'গল্পের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে চৌকিদারের নাম কী?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর পিতাপ্রদত্ত নাম কী?
- কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ নয় কোনটি?
- বিধবা মরিয়ম সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে। পনেরো বছরের একমাত্র সন্তান শাহানাকে নিয়ে তার ছোট সংসার। মরিয়মের এখন একটাই সংগ্রাম- মেয়েকে লেখাপড়া শিখিয়ে স্বাবলম্বী করানো। কিন্তু চতুর্দিকে বখাটেদের উৎপাত লেগেই আছে। তাইতো কাপড়ের আড়ালে ধারালো ছোট ছুরিটা নিতে 'কখনো ভুলে না সে। এতে বখাটেরা আজকাল আর সামনে এগুচ্ছে নাএবং অন্য নারীরাও এখন অনেক বেশি সচেতন। সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।'সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।' - উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে কথাটি বিশ্লেষণ কর।
- "নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে"- কার, কেন?
- 'সব বিরোধ সব পার্থক্য উড়ে গিয়ে দুজনের হয়ে গেল একমন, একপ্রাণ'- ব্যাখ্যা করো।
- হঠাৎ দাওয়া থেকে ছুটে এসে মুহূর্তে হালিমার চুলের গোছাটা ধরলআবুল। তারপর কোনো চিন্তা না করে সজোরে একটা লাথি বসিয়েদিল ওর তলপেটে। উহ্! মাগো বলে পেটটা চেপে ধরে মাটিতেবসে পড়ল হালিমা।উদ্দীপকের আবুলের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে চরিত্রেরসাদৃশ্য রয়েছে—
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।উদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য দেখাও।