করোনা মহামারিতে মানুষ যখন খুব ভীত ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপন করছিল বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিশা তখন ভয়ভীতি ত্যাগ করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে ওষুধ ও খাবার নিয়ে গেছে দিন রাত। তিশাকে অনেকেই এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিলেও তিশার কাছে মনে হয়েছে তারুণ্যই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আর এ জন্যই সে সমস্ত সমালোচনা অগ্রাহ্য করে মানবতার সেবায় অংশগ্রহণ করেছে সানন্দে।
উদ্দীপকের তিশার সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটির স্তবক সংখ্যা হলো :
- ’আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'আকাল' সুকান্ত ভট্টাচার্যের কী ধরনের রচনা?
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘পূর্বাভাস’ কোন জাতীয় রচনা?
- দুরন্ত পথিক দুর্বার তারুণ্যের প্রতীক। সে বিপ্লবের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত মুক্তি সৈনিক। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে সে দুর্গম পথে এগিয়ে চলে। তার শক্তি অবিনশ্বর। পথ চলতে সে কখনো থেমে যায় না। তার চেতনা দুর্বারকে জয় করে।উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার চেতনা সর্বজন কর্তৃক অনুকরণীয়- বিশ্লেষণ কর।
- আমরা চলি সম্মুখপানেকে আমাদের বাঁধবে?রইল যারা পিছুর টানেকাঁদবে তারা কাঁদবে।ছিঁড়ব বাধা রক্ত পায়ে,চলব ছুটে রৌদ্রে ছায়েজড়িয়ে ওরা আপন গায়েকেবলই ফাঁদ ফাঁদবে।উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকের সাদৃশ্য লক্ষণীয়? ব্যাখ্যা করো।
- আঠারো বছর বয়সের নেতিবাচক দিক হচ্ছে,এ বয়স-
- ব্যাখ্যা করো: 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা।'
- কলেজে ওঠার পর রাতুল ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে, রাত জেগে স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। বাবা-মায়ের সঙ্গেও বাজে আচরণ করে। অবশেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় রাতুল কিছু বাজে বন্ধুর পাল্লায় পড়েছে। রাতুল বুঝতে পারছে সে যা করছে ভুল করছে, কিন্তু এসব থেকে বেরিয়েও আসতে পারছে না।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন প্রসঙ্গটি উঠে এসেছে? আলোচনা করো।
- তারুণ্য হলো মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ বয়সে অনেক তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা থাকে। পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য ছোটা, অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করা; আবার যেকোনো অসৎ সঙ্গে নষ্ট হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। এসকল প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে একজন তরুণকে পথ চলতে হয়। অর্থাৎ একজন তরুণকে বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়।উদ্দীপকে উল্লিখিত 'তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা' 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বুঝিয়ে লেখো।
- আঠার বছর বয়স বাঁচে-
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি 'সপে আত্মাকেশপথের কোলাহলে' বলতে বুঝিয়েছেন—
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন-
- প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের আর নিছক কৌতূহলের বশে 'ব্লু হোয়েল' নামক অনলাইন গেমের মরণজালে জড়িয়ে সোনালি তার জীবন বিপন্ন করে তোলে। অথচ শমী হাসান মায়ের মৃত্যুর পর শোককে শক্তিতে পরিণত করে দরিদ্র হরিজন পল্লিতে সেবামূলক কাজ শুরু করে। পানিবাহিত রোগের কারণে যেন কারো মৃত্যু না ঘটে সেই বিষয়ে কাজ করে শমী আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থা গ্লোবাল সিটিজেনের নিরাপদ পানি, সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক তরুণ মুখপাত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।উদ্দীপকের সোনালি চরিত্রের মধ্য দিয়ে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন রবিন স্বৈরাচারী শাসকের নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে জীবন যেতে পারে জেনেও সুন্দর আগামীর ভবিষ্যতে এগিয়ে যায়.।রবিন ও কবির প্রত্যাশা যেন-কল্যাণমূলকঅনুকূলপ্রাতিস্বিক নিচের কোনটি সঠিক?
- তোমরা এসেছ, ভেঙেছ অন্ধকার- তোমরা এসেছ ভয় করি নাকো আর পায়ের স্পর্শে মেঘ কেটে যাবে, উজ্জ্বল রোদ্দুরছড়িয়ে পড়বে বহুদূর বহুদূর।উদ্দীপকের চেয়ে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থ আরো গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ- মন্তব্যটির সার্থকতা নির্ণয় কর।
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা।'-লাইনটিতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- 'দুর্যোগে হাল ঠিকমতাে রাখা ভার’- কোন কবিতার পঙক্তি?
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।"উদ্দীপকের প্রাণধর্ম ও যৌবন-ধর্ম 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় পরিলক্ষিত হয়"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
- কিশোর তোমার দুই হাতে দুইসূর্য উঠেছে জেগে।মানুষের হাতে অবাক সূর্যোদয়,যায় পুড়ে যায় মর্ত্যের অমানিশাশঙ্কার সংশয়।"উদ্দীপকের 'শঙ্কার সংশয়' যদি নেতিবাচক হতো তাহলে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কবির আশঙ্কাও উন্মোচিত হতো।"-মন্তব্যটির যৌক্তিকতা বিচার করো।
- আঠারো বছর বয়স পাথর বাধা ভাঙতে চায় -
- স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি” বলতে বোঝায় ব্যক্তির -চিন্তা-চেতনার উন্মেষপরনির্ভরতা ত্যাগ করাআত্ম-প্রত্যয়ী হয়ে ওঠানিচের কোনটি সঠিক?
- ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর? প্রলয় নতুন সৃজন বেদন।আসছে নবীন জীবন হারা অসুন্দরে করতে ছেদন। নিচের কোন চরণে উক্ত বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পেয়েছে?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- ব্যাখ্যা করো।
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।'উদ্দীপকটির বক্তব্য 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বক্তব্যের সাথে কি সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল ।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।উদ্দীপকের সঙ্গে অধিকতর সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো-ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদাবিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকিনিচের কোনটি সঠিক?
- "আঠারো বছর বয়স জানেনা কাঁদা' কবি কোন বৈশিষ্ট্যের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন?
- রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।উদ্দীপকের রফিকের মধ্যে আঠারো বছর বয়সের কোন দিকটি স্পষ্ট? ব্যাখ্যা করো।
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- বাপের বাড়িতে যাইবার কালে কহিত ধরিয়া পা ‘আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ।’ পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
- বাংলাদেশের সড়ক পথে হতাহতের ঘটনা কেন্দ্র করে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল নয় দিনের একটি আন্দোলন 'নিরাপদ সড়ক চাই।' এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী। আন্দোলনের রেশ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা দেশে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার 'পথে-প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান' চরণটি কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- আমি গাই তারি গান-
- ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতায় বরকত কোথায় বুক পাতে?
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- ব্যাখ্যা কর।
- গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরায় ঘটে যাওয়া রক্তাক্ত বিভীষিকা আজও আমায় স্তম্ভিত করে দেয়। বিপন্ন মানবতার আর্তচিৎকারে ভারি হয়ে ওঠে আকাশ-বাতাস। ফারাজ আইয়াজ হোসেন, এক প্রাণবন্ত যুবক। বিপদের মুখে বন্ধুদের ছেড়ে আসতে রাজি না হওয়ায় দুষ্কৃতকারীদের হাতে প্রাণ হারায়। সে প্রকৃত বন্ধুত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, বন্ধুত্বের জন্য জীবন উৎসর্গ করে। দৃঢ়তার সঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ভালোবাসা ও সহানুভূতির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠী, ধর্ম ও জাতীয়তার মানুষের মানবিকতাকে একসূত্রে গ্রথিত করেছে। ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে উঠে তার 'এই অসাধারণ চারিত্রিক দৃঢ়তা প্রদর্শন বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।উদ্দীপকের আলোকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- উক্তিটির সাদৃশ্য তুলো ধরো।
- " এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে" এ বাক্যে 'আঠারো' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নির্বিচারে বাঙালিকে হত্যা করে। দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিকালে তরুণ যুবক রহিম আর চুপ থাকতে পারে না। অপরিসীম সাহস নিয়ে সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সে নিজেকে উপসর্গ করে।'সকল বাধা অতিক্রম করে আত্মত্যাগ ও মানব-কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করা আঠারো বছর বয়সের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।' উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।