প্যারোটিড গ্রন্থির অবস্থান কোথায়?
JUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরিপাক ও শোষণপরিপাক ও পোষ্টিকতন্ত্র (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
কানের নিচে
Explanation: প্যারোটিড গ্রন্থি কানের নিচে অবস্থিত। এটি প্রধান লালা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে একটি এবং এটি মুখগহ্বরের শুষ্কতা দূর করতে লালা নিঃসরণ করে। Option A: কানের নিচে সঠিক কারণ এটি প্যারোটিড গ্রন্থির প্রকৃত অবস্থান। Option B: ভুল কারণ এটি প্যারোটিড গ্রন্থির অবস্থান নয় বরং মুখগহ্বরের সঙ্গে সম্পর্কিত। Option C: ভুল কারণ জিহবার নিচে সাবম্যান্ডিবুলার গ্রন্থি থাকে। Option D: বৃক্কে প্যারোটিড গ্রন্থি থাকে না। নোট: প্যারোটিড গ্রন্থি মুখের উভয় পাশে কানের নিচে অবস্থিত।
Another Explanation (5):
প্যারোটিড গ্রন্থি: অবস্থান ও বিস্তারিত 👂
প্যারোটিড গ্রন্থি মানবদেহের লালা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়। এর অবস্থান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
অবস্থান 📍
প্যারোটিড গ্রন্থি মূলত কানের নিচে এবং চোয়ালের পেছনের দিকে অবস্থিত। এটি মুখের দুই পাশেই একটি করে থাকে। গ্রন্থিটির কিছু অংশ ম্যান্ডিবলের (下顎骨) পেছনের অংশ এবং স্টার্নোক্লেইডোমাস্টয়েড (Sternocleidomastoid muscle) নামক পেশীর কিছু অংশকে ঢেকে রাখে।
প্যারোটিড গ্রন্থির অবস্থান আরও ভালোভাবে বুঝতে নিচের তালিকাটি দেখুন:
- কানের নিচে: এটি কানের লতির ঠিক নিচেই অনুভব করা যায়।
- চোয়ালের পিছনে: ম্যান্ডিবলের পেছনের দিকের অংশ জুড়ে এর অবস্থান।
- গলার পাশ: গ্রন্থিটির কিছু অংশ গলার পাশের দিকে বিস্তৃত।
- ত্বকের নিচে: এটি সরাসরি ত্বকের নিচেই অবস্থিত, তাই হালকাভাবে স্পর্শ করলেই অনুভব করা যায়।
প্যারোটিড গ্রন্থির অবস্থান চিত্রের মাধ্যমে:
গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যসমূহ 📋
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| অবস্থান | কানের নিচে ও চোয়ালের পিছনে |
| আকার | অন্যান্য লালা গ্রন্থি থেকে বড় |
| কাজ | লালা উৎপাদন ও নিঃসরণ (Saliva production & secretion) |
| নালী (Duct) | স্টেনসেন্স নালী (Stensen's duct) - যা মুখের ভিতরে দ্বিতীয় মোলার দাঁতের কাছে উন্মুক্ত হয়। |
প্যারোটিড গ্রন্থি সম্পর্কিত কিছু সমস্যা 🤔
- infection মাম্পস (Mumps): এটি প্যারোটিড গ্রন্থির একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ।
- পাথর (Stones): লালা নালীতে পাথর জমা হয়ে ব্যথা হতে পারে।
- টিউমার (Tumor): প্যারোটিড গ্রন্থিতে টিউমার হতে পারে, যা সাধারণত ক্যান্সারযুক্ত হয় না।
প্যারোটিড গ্রন্থি মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর সঠিক অবস্থান এবং কার্যাবলী সম্পর্কে জানা থাকা দরকার। ❤️
আরও জানতে বিভিন্ন মেডিকেল ওয়েবসাইট ও বইয়ের সাহায্য নিতে পারেন। 📚
এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র শিক্ষাগত উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। কোনো স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শের জন্য অবশ্যই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। 👨⚕️
সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। 😊
Option A Explanation:
- অবস্থান: কানের নিচে
- অঞ্চল: মূলত মাথার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কাছাকাছি, মুখের পাশে অবস্থিত।
- অঙ্গ: এটি একটি বৃহৎ গ্রন্থি যা মুখের ভিতরে বা পাশে অবস্থিত।
- কার্য: মুখের স্বাদ অনুভব এবং খাবারের পরিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।
- সংলগ্ন অঙ্গ: কানের মূলে, জিহ্বা, মুখের ভিতর এবং মুখের বাইরে।
Option B Explanation:
- প্যারোটিড গ্রন্থি হলো একটি বৃহৎ অঙ্গ যা মুখের পাশে অবস্থিত।
- এটি মুখের পাশের জিহবার উপরে অবস্থিত, মূলত চোয়ালের আগে এবং কানের নিচে।
- এটি মূলত স্যুলেইরি গ্রন্থি হিসেবে পরিচিত এবং মুখের মধ্যে স্যালিভা উৎপাদন করে।
- এটির অবস্থান সাধারণত জিহবার উপরে, চোয়ালের পাশের অংশে, কানের ওপরে।
- অন্য ধরণের গ্রন্থির তুলনায় এটি সবচেয়ে বড় স্যালিভা গ্রন্থি।
Option C Explanation:
- অবস্থান: জিহবার নিচে
- অবস্থিতি: প্যারোটিড গ্রন্থি মূলত মুখের পাশে, কানের নিচে এবং জিহবার নিচে অবস্থিত।
- অঞ্চল: এই গ্রন্থিটি মুখের পূর্ব অংশে, মুখের পাশে এবং কানের কাছাকাছি অবস্থানে থাকে।
- উপস্থিতি: প্যারোটিড গ্রন্থি জিহবার নিচে অবস্থিত হওয়ায়, এটি মুখের ভিতরে ও বাহিরে বিভিন্ন কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করে।
Option D Explanation:
বৃক্কে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ ইউরিয়ার সংশ্লেষণ ব্যাখ্যা
বৃক্কে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ ইউরিয়ার সংশ্লেষণের ব্যাখ্যা
- বৃক্কের ভূমিকা: বৃক্ক মূলত রক্তের থেকে অপদার্থ ও অতিরিক্ত পানি শোষণ করে ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনাইন, ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ আলাদা করে ইউরিয়ার আকারে নিঃসরণ করে।
- নাইট্রোজেনের উত্স: প্রোটিন ও অ্যামিনো অ্যাসিডের বিপাকের ফলে নাইট্রোজেনের উৎপাদন হয়, যা মূলত ইউরিয়া আকারে বৃক্কের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
- সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া: রক্তের নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য পদার্থ বৃক্কের নেফ্রোনে প্রবেশ করে, যেখানে সং??্লেষণ ও পরিশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরিয়া তৈরি হয়।
- উপসংহার: অতএব, বৃক্কই মূল অঙ্গ যেখানে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ ইউরিয়ার সংশ্লেষণ ঘটে।