আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে
আসে নাই কেহ অবনী পরে
সকলের তরে সকলে আমরা
প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।
উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
A.
পারস্পরিক সৌহার্দের মধ্যে মানব-কল্যাণ নিহিত
B.
মানব কল্যাণ নিঃস্বার্থ হওয়া বাঞ্ছনীয়
C.
অন্যকে বিপদমুক্ত করলেই মানব-কল্যাণ হয় না
D.
অপরকে সহযোগিতার মাধ্যমে মানব-কল্যাণ সম্ভব
সঠিক উত্তরঃ
A.
পারস্পরিক সৌহার্দের মধ্যে মানব-কল্যাণ নিহিত
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি প্রথম কোন গ্রন্থেসংকলিত হয়?
- 'জগজ্জ্যোতি' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রুপ-
- কোনটি খাঁটি বাংলা শব্দ ?
- 'লড়াই' মূলত কোন শব্দ ?
- শব্দের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
- গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দান।প্রবন্ধ ও উদ্দীপকে যে বক্তব্য ফুটে উঠেছে, তা হচ্ছে-মানবসেবা মনুষ্যত্ববোধ জীবে প্রেম নিচের কোনটি সঠিক?
- ’হ্ম’ এর বিশ্লিষ্ট রূপ-
- মানুষের মনস্তত্ত্বে ক্ষমা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণ থাকা আবশ্যক। মননশীলতার চর্চায় তাই শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার প্রভৃতি গুণ ব্যক্তিকে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শ নাগরিক। হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।'বিচারবুদ্ধির পাশাপাশি সৃজনশীল মানবিক কর্মের সংযোজনে যথাযথ মানব-কল্যাণ সম্ভব।'- উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির পর্যালোচনা করো।
- ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর দেওয়া জমিতে ১৯০২ সালে 'ঢাকা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং' প্রতিষ্ঠিত হয়। এতিম শিশুদের লেখাপড়া নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'নবাব সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা'। উক্ত সাদৃশ্যের কারণ— মানবিক চেতনার বিকাশ ঘটায় আত্মমর্যাদাবোধ সৃষ্টি করেস্বাবলম্বী করে তোলেনিচের কোনটি সঠিক?
- মিয়ানমারে সামরিক শাসকদের নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আশ্রয় নেয়। বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রবা দেখিয়ে এবং মানবিক দিক বিবেচনায় তাদেরকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় প্রদান করে। এর পর থেকে সেখানে দেশি-বিদেশি প্রায় দেড় শতাধিক এনজিও এবং বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারা সেখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পুষ্টি এবং সুরক্ষাসহ মৌলিক সেবাগুলো বিস্তৃত ও জোরদার করেছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে তাদেরকে সত্যিকার যুক্তি দেওয়ার পক্ষে তেমন কোনো আন্তর্জাতিক তৎপরতা নেই।উদ্দীপকের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের লেখকের কোন বক্তব্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? নির্ণয় কর।
- "রাষ্ট্র, জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক"- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- আমাদের প্রচলিত ধারণা আর। চলতি কথায় মানবকল্যাণ কথাটা অনেক খানি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
- পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীন-দুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে বিকালে সাঁঝে।উদ্দীপকের 'সুখ' প্রকৃতপক্ষে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোথায় নিহিত রয়েছে? আলোচনা করো।
- মানব-কল্যাণের সোপান রচনার দায়িত্ব কার?
- এ বছরের কালবৈশাখী ঝড়ে বশিরের হালের গরু মারা যায় এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সবকিছু থাকার পরেও তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে, সে এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যায়। চেয়ারম্যান সাহেব সবকিছু শুনে একজোড়া হালের বলদ কিনে দেয় এবং আবার নতুন করে চাষাবাদ শুরু করতে বলে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা মতো কঠোর পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসেই তার ঘরে, নতুন ফসল আসে।"পরিশ্রমই মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পূর্বশর্ত।"-উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মানুষের মনস্তত্ত্বে ক্ষমা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণ থাকা আবশ্যক। মননশীলতার চর্চায় তাই শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার প্রভৃতি গুণ ব্যক্তিকে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শ নাগরিক। হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।উদ্দীপকে উল্লিখিত গুণাবলি মানব-কল্যাণ সাধনে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি কত সালে রচিত?
- সামান্য লোভে তুমি আত্মবিসর্জন দিতে চাও? দাও। তবে জেনে রেখ, তুমি জীবন্ত মৃত হলে। এই পদবি, সামান্য অর্থ প্রাপ্তি, খেয়ে বাঁচার লোভে তোমার অস্তিত্ব হারালে। চাটুকারিতায়, পদলেহনে তোমার পরিণতি পোষা প্রাণির মতো স্বাতন্ত্র্য হারানোর। আসলে কি তুমি মানুষ! উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূলভাব ধারণ করেছে-
- কোভিড-১৯ এর সময়ে 'পদ্মরাগ' নামক সামাজিক সংগঠনটি ছিন্নমূল মানুষদের এক বেলা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছিল। প্রতিদিন শত শত মানুষকে খাবার দিয়েও প্রতিষ্ঠানটি তৃপ্ত হতে 'পারেনি। ইদানীং সংগঠনটির সদস্যদের নতুন উপলব্ধি হয়েছে যে, তাঁরা প্রতি মাসে একজন করে ছিন্নমূল মানুষকে আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত করে পরাবলম্বন থেকে মুক্তি দেবেন।উদ্দীপকের পদ্মরাগ সংগঠনটির কোভিডকালীন কার্যক্রম আমাদের কোন গতানুগতিক রীতির প্রতিফলন? 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে ব্যাখ্যা করো।