‘মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি প্রথম কোন গ্রন্থে
সংকলিত হয়?
A.
রাঙা প্রভাত
B.
মাটির পৃথিবী
C.
মৃতের আত্মহত্যা
D.
মানবতন্ত্র
সঠিক উত্তরঃ
D.
মানবতন্ত্র
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- গুরুচন্ডালী দোষমুক্ত বাক্য কোনটি?
- কোনটি খাঁটি বাংলা শব্দ ?
- এক মুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকে আমরা কী মনে করে থাকি?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি লেখকের কোন গ্ৰন্থথেকে নেওয়া হয়েছে?
- জাকির ও জীবন দুই ভাই। লেখাপড়ায় ভালো, সমাজের উন্নয়নমূলক কাজেও তারা অংশগ্রহণ করে। তাদের পাশের গ্রামে পাহাড় ধসে অনেক বাড়ি-ঘর পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে। সেখানে বহু মানুষ আটকা পড়ে। দুই ভাই, সেখানে ছুটে যায় কিন্তু জাকির উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করলেও জীবন দাঁড়িয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে এবং কিছু আর্থিক সাহায্য করে। পাশাপাশি জাকির উদ্ধার কাজ শেষে তাদের সার্বিক পুনর্বাসনের চেষ্টা করে।"জীবন নয়, জাকির চরিত্রের মধ্য দিয়ে মানব-কল্যাণের আদর্শ ফুটে উঠেছে"- 'মানব- কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির মূল্যায়ন করো।
- 'মানব-কল্যাণ স্বয়ম্ভু, বিচ্ছিন্ন ও সম্পর্ক রহিত হতে পারে না'- উক্তিটির ব্যাখ্যা করো।
- মিয়ানমারে সামরিক শাসকদের নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আশ্রয় নেয়। বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রবা দেখিয়ে এবং মানবিক দিক বিবেচনায় তাদেরকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় প্রদান করে। এর পর থেকে সেখানে দেশি-বিদেশি প্রায় দেড় শতাধিক এনজিও এবং বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারা সেখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পুষ্টি এবং সুরক্ষাসহ মৌলিক সেবাগুলো বিস্তৃত ও জোরদার করেছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে তাদেরকে সত্যিকার যুক্তি দেওয়ার পক্ষে তেমন কোনো আন্তর্জাতিক তৎপরতা নেই।"উদ্দীপকের মানবিক সহায়তা সংকীর্ণ অর্থে মানবসেবা। প্রকৃত মানবসেবা হলো মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ।" 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- এ বছরের কালবৈশাখী ঝড়ে বশিরের হালের গরু মারা যায় এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সবকিছু থাকার পরেও তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে, সে এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যায়। চেয়ারম্যান সাহেব সবকিছু শুনে একজোড়া হালের বলদ কিনে দেয় এবং আবার নতুন করে চাষাবাদ শুরু করতে বলে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা মতো কঠোর পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসেই তার ঘরে, নতুন ফসল আসে।উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়? আলোচনা করো।
- 'মানবকল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যিকারের মানবকল্যাণ হলো-মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসলভিক্ষুককে ভিক্ষা প্ৰদানগভীর মূল্যবোধের উৎসারণনিচের কোনটি সঠিক?
- রফিক ও শফিক দুই ভাই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। তবে প্রতিবছর ইদে জাকাত দেওয়া নিয়ে দুইজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। রফিকের মতে জাকাতের টাকায় একাধিক শাড়ি, লুঙ্গি কিনে গরিবদের মাঝে বিতরণ করলে তাদের বস্ত্র চাহিদা লাঘব হবে এবং সে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলেও জনগণও তা অনুসরণ করবে। কিন্তু শফিক চায় এলাকার বস্তিতে কয়েকজন মহিলাকে সেলাই মেশিন কিনে দিলে বরং তারা কিছু আয় রোজগার করতে পারবে। আর এজন্য তিনি সব রকম সামাজিক প্রচারণার বিরোধী।উদ্দীপকের রফিকের ভাবনার মধ্য দিয়ে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য আছে তা আলোচনা করো।
- বিজ্ঞানের অভাবনীয় আবিষ্কারকে ধ্বংসের পরিবর্তেসৃজনশীল মানবিক কর্মে নিয়োগ করা যায়- একমাত্রকার সাহায্যে?
- লেখক কোন কাজকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন না?
- কারক' শব্দের বিশ্লেষণ করলে হয়-
- "জ্ঞ" যুক্তবর্ণটির অন্তস্থ বর্ণগুলো হচ্ছে -
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- 'সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল।'- এ বাক্যের মর্মার্থ লেখো।
- নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল;গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত,বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরিহিত তরে।কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর দেওয়া জমিতে ১৯০২ সালে 'ঢাকা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং' প্রতিষ্ঠিত হয়। এতিম শিশুদের লেখাপড়া নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'নবাব সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা'।উদ্দীপকের বক্তব্য তোমার পাঠ্য কোন রচনার সঙ্গেসাদৃশ্যপূর্ণ?
- আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- মানুষের মনস্তত্ত্বে ক্ষমা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণ থাকা আবশ্যক। মননশীলতার চর্চায় তাই শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার প্রভৃতি গুণ ব্যক্তিকে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শ নাগরিক। হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।'বিচারবুদ্ধির পাশাপাশি সৃজনশীল মানবিক কর্মের সংযোজনে যথাযথ মানব-কল্যাণ সম্ভব।'- উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির পর্যালোচনা করো।
- গড়ে ওঠে অরণ্যভেদী লোকালয়মানুষের শ্রমে,গড়ে ওঠে মধুকুঞ্জ বংশধারামানুষের প্রেমে কামে,জ্বলে ওঠে দাবানলমানুষের ক্রোধে,লোকালয় অরণ্য হয়।উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক রূপায়ণ। মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথায় কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যা।উদ্দীপকটি তোমার পঠিত কোন রচনার ভাবের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ‘করিয়া > কইরা > করে' কী জাতীয় ধ্বনির পরিবর্তন?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমানসংকটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।'সত্যের শক্তিতে বলিয়ান জাতি অন্যায়কে ধ্বংস করে জাতিকে উন্নতির শিখরে পৌছাতে পারে।'- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘ণ-ত্ব’ বিধান প্রযোজ্য হয় কোন শব্দে?
- কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?
- প্রাবন্ধিক আবুল ফজল ছাত্র জীবনে কোন আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন?
- স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রুপ-
- নিচের কোনটির দ্বিস্বর ধ্বনি ?
- কোন ভাষার নিজস্ব লিপি নেই?
- যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ কোনটি?
- ণত্ব বিধান ব্যাকরণের কোন অংশে আলােচিত হয়?
- আমিত্বকে বলি দিয়ে স্বার্থ ত্যাগ করো যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীনদুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে-বিকালে-সাঁঝে!তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি,যা রূপিবে তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি!"কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিফলন"-তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- মানব-কল্যাণ কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠবে? ব্যাখ্যা করো।
- বাল্মীকি আদিতে কাদের জন্য রামায়ণ রচনা করেন ?
- বাংলা ভাষার দন্তমূলীয় মূ্র্ধণ্য বর্ণ হলো-
- কোনটি 'ট' বর্গীয় বর্ণ নয়?
- 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধে আবুল ফজল চেয়েছেন—
- স্রেফ সদিচ্ছার দ্বারা মানবকল্যাণ সাধিত হয় না কেন? ব্যাখ্যা কর।
- আঁতাত, শব্দটিপ