সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান
সংকটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ-
মুক্ত করো ভয়,
আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়
দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,
নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।
'সত্যের শক্তিতে বলিয়ান জাতি অন্যায়কে ধ্বংস করে জাতিকে উন্নতির শিখরে পৌছাতে পারে।'- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারো কল্যাণ করা যায় না।'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- নিচের কোনটি অনুসরণ করে আমরা সত্যিকারের মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যেতে পারব-মহৎপ্রতিভামহৎ ব্যক্তির আদর্শসমাজসংস্কারনিচের কোনটি সঠিক?
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
- আমিত্বকে বলি দিয়ে স্বার্থ ত্যাগ করো যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীনদুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে-বিকালে-সাঁঝে!তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি,যা রূপিবে তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি!"কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিফলন"-তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- লেখক কোন কাজকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন না?
- মানুষের মনস্তত্ত্বে ক্ষমা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণ থাকা আবশ্যক। মননশীলতার চর্চায় তাই শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার প্রভৃতি গুণ ব্যক্তিকে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শ নাগরিক। হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।'বিচারবুদ্ধির পাশাপাশি সৃজনশীল মানবিক কর্মের সংযোজনে যথাযথ মানব-কল্যাণ সম্ভব।'- উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির পর্যালোচনা করো।
- জাকির ও জীবন দুই ভাই। লেখাপড়ায় ভালো, সমাজের উন্নয়নমূলক কাজেও তারা অংশগ্রহণ করে। তাদের পাশের গ্রামে পাহাড় ধসে অনেক বাড়ি-ঘর পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে। সেখানে বহু মানুষ আটকা পড়ে। দুই ভাই, সেখানে ছুটে যায় কিন্তু জাকির উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করলেও জীবন দাঁড়িয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে এবং কিছু আর্থিক সাহায্য করে। পাশাপাশি জাকির উদ্ধার কাজ শেষে তাদের সার্বিক পুনর্বাসনের চেষ্টা করে।'জীবন' চরিত্রের মধ্যে মানব-কল্যাণের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- ’হ্ম’ এর বিশ্লিষ্ট রূপ-
- কোন ভাষার নিজস্ব লিপি নেই?
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- খোদা, চশমা, ফেরেশতা শব্দগুলো কোন ভাষা থেকে আগত?
- বিজ্ঞানের অভাবনীয় আবিষ্কারকে ধ্বংসের পরিবর্তেসৃজনশীল মানবিক কর্মে নিয়োগ করা যায়- একমাত্রকার সাহায্যে?
- নীচের কোনটি বিদেশী শব্দ নয়?
- আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- “রিকশা' কোন্ ভাষার শব্দ?
- বিদেশি শব্দের বানানের ক্ষেত্রে কোন ধ্বনির ব্যবহারের প্রয়োজন নেই ?
- আবুল ফজল কত বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছিলেন?
- সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
- কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?
- 'আনারস' শব্দটি-