মিয়ানমারে সামরিক শাসকদের নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আশ্রয় নেয়। বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রবা দেখিয়ে এবং মানবিক দিক বিবেচনায় তাদেরকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় প্রদান করে। এর পর থেকে সেখানে দেশি-বিদেশি প্রায় দেড় শতাধিক এনজিও এবং বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারা সেখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পুষ্টি এবং সুরক্ষাসহ মৌলিক সেবাগুলো বিস্তৃত ও জোরদার করেছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে তাদেরকে সত্যিকার যুক্তি দেওয়ার পক্ষে তেমন কোনো আন্তর্জাতিক তৎপরতা নেই।
"উদ্দীপকের মানবিক সহায়তা সংকীর্ণ অর্থে মানবসেবা। প্রকৃত মানবসেবা হলো মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ।" 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- ভুল সন্ধি
- নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল;গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত,বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরিহিত তরে।কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।নির্দেশিত ভাবটি নিচের কোন বাক্যে বিদ্যমান?
- কোনটি মৌলিক স্বরধ্বনি নয়?
- ‘সতীশ’ এর সন্ধিবিচ্ছেদ-
- কোনগুলো ওষ্ঠ্যদ্বনি?
- বাল্মীকি আদিতে কাদের জন্য রামায়ণ রচনা করেন ?
- ণত্ব ও ষত্ব - বিধান কোন শ্রেনীর শব্দের অনুসৃত হয়?
- "মোদের গরব, মোদের আশা/ আ-মরি বাংলা ভাষা" কার লেখা-
- ‘পিজিন ভাষা' কী ধরণের ভাষা?
- মানব-কল্যাণ কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠবে? ব্যাখ্যা করো।
- ’হ্ম’ এর বিশ্লিষ্ট রূপ-
- মহকাল মানুষের কর্মকে গ্রহণ করে, কারণ—
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লালনকে কী বলা হয়েছে?
- ইসলামের নবি (স.) ভিক্ষুককে কুড়াল কিনে দিয়েছিলেন কেন?
- যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ কোনটি?
- মাদার তেরেসা অশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারি সংঘে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরও অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। একসময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারা জীবনের তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা আলোচনা করো।
- ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর দেওয়া জমিতে ১৯০২ সালে 'ঢাকা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং' প্রতিষ্ঠিত হয়। এতিম শিশুদের লেখাপড়া নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'নবাব সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা'। উক্ত সাদৃশ্যের কারণ— মানবিক চেতনার বিকাশ ঘটায় আত্মমর্যাদাবোধ সৃষ্টি করেস্বাবলম্বী করে তোলেনিচের কোনটি সঠিক?
- সামান্য লোভে তুমি আত্মবিসর্জন ??িতে চাও? দাও। তবে জেনে রেখ, তুমি জীবন্ত মৃত হলে। এই পদবি, সামান্য অর্থ প্রাপ্তি, খেয়ে বাঁচার লোভে তোমার অস্তিত্ব হারালে। চাটুকারিতায়, পদলেহনে তোমার পরিণতি পোষা প্রাণির মতো স্বাতন্ত্র্য হারানোর। আসলে কি তুমি মানুষ! কী প্রশ্রয় দিলে রাষ্ট্র আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না?
- মানব-কল্যাণ অলৌকিক কিছু নয় কেন তা বুঝিয়ে দাও।
- 'পতঞ্জলি' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ‘জংশন’ শব্দটির উৎস ভাষা-
- 'মানবকল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যিকারের মানবকল্যাণ হলো-মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসলভিক্ষুককে ভিক্ষা প্ৰদানগভীর মূল্যবোধের উৎসারণনিচের কোনটি সঠিক?
- মাদার তেরেসা আশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারির সঙ্গে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরো অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। এক সময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারাজীবনে তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে। যে মানুষ হবে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন স্বাবলম্বী মানুষ। এজন্যই তাঁর চ্যারিটি'গতানুগতিক কোনো সেবা-সংস্থা নয়।'তাঁর চ্যারিটি গতানুগতিক কোনো সেবা সংস্থা নয়'- মানব-কল্যাণ প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- এক মুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকে আমরা কী মনে করে থাকি?
- বর্তমানে 'মানবকল্যাণের' অন্যতম অন্তরায় কোনটি?
- পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথায় কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যা।উদ্দীপকটি তোমার পঠিত কোন রচনার ভাবের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রুপ-
- য ,র, ল- এগুলো কোন ধরনের বর্ণ?
- ভাষার মূল উপাদান কী?
- ’ক্রিয়ার কাল’ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- নিচের কোনটি আরবি শব্দ?
- 'ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে' পঙক্তিটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে উপরের হাত' মানে কী?
- মানব-কল্যাণের উৎস কোথায় নিহিত?
- মানব-কল্যাণের সোপান রচনার দায়িত্ব কার?
- গড়ে ওঠে অরণ্যভেদী লোকালয়মানুষের শ্রমে,গড়ে ওঠে মধুকুঞ্জ বংশধারামানুষের প্রেমে কামে,জ্বলে ওঠে দাবানলমানুষের ক্রোধে,লোকালয় অরণ্য হয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব ব্যক্ত হয়েছে তা বর্ণনা কর।
- নীরস এর সন্ধি বিচ্ছেদ কর -
- শব্দকে ভাঙলে যে ক্ষুদ্রতম অর্থবোধক একক পাওয়া যায়, তাকে কী বলে?