বাল্মীকি আদিতে কাদের জন্য রামায়ণ রচনা করেন ?
A. মুনি-ঋষিদের
B. জনগণের
C. বিদ্যোৎসাহীদের
D. শাসকদের
সঠিক উত্তরঃ
A.
মুনি-ঋষিদের
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নীচের কোনটি বিদেশী শব্দ নয়?
- এ বছরের কালবৈশাখী ঝড়ে বশিরের হালের গরু মারা যায় এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সবকিছু থাকার পরেও তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে, সে এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যায়। চেয়ারম্যান সাহেব সবকিছু শুনে একজোড়া হালের বলদ কিনে দেয় এবং আবার নতুন করে চাষাবাদ শুরু করতে বলে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা মতো কঠোর পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসেই তার ঘরে, নতুন ফসল আসে।"পরিশ্রমই মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পূর্বশর্ত।"-উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- বিজ্ঞানের আবিষ্কার সৃজনশীল মানবিক কর্মে পরিণত হবে-
- নিচের কোনটি বর্তমানে মানব-কল্যাণের প্রধান অন্তরায়
- ণত্ব বিধান ব্যাকরণের কোন অংশে আলােচিত হয়?
- উদ্দীপক-১: শফিক সাহেব প্রতিদিন একশত টাকা করে ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেন। গরিবের দুঃখকে তিনি উপলব্ধি করতে পারেন বিধায় তিনি অধিক পরিমাণে গরিবদের আর্থিক সহায়তা করেন।উদ্দীপক-২: রহমত সাহেব সচরাচর ভিক্ষা দেন না। তবে প্রতিবছর তিনি নিজ এলাকায় গমন করে একজন দরিদ্র ব্যক্তিকে দোকানঘর করে দিয়ে বা রিক্সা কিনে দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলেন।"উদ্দীপক-২ এ 'মানব-কল্যাণ' রচনার মূলভাব ফুটে উঠেছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "তা করা হলেই মানব-কল্যাণ হয়ে উঠবে মানব-মর্যাদার সহায়ক।"- ব্যাখ্যা কর।
- “রিকশা' কোন্ ভাষার শব্দ?
- পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীন-দুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে বিকালে সাঁঝে।"উদ্দীপকের মূলভাব 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূলভাবকে সামগ্রিকভাবে ফুটিয়ে তোলেনি" বক্তব্যের সপক্ষে তোমার যুক্তি উপস্থাপন করো।
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি কত সালে রচিত?
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
- নিচের কোনটি আরবি শব্দ?
- ' সংযম ' শব্দের সঠিক সাদ্ধি বিচ্ছেদ কোনটি
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- এক মুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকে আমরা কী মনে করে থাকি?
- নাটক শব্দের উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে?
- 'চৌচির' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- প্রাবন্ধিক আবুল ফজল কত সালে 'মানব কল্যাণ'প্রবন্ধটি রচনা করেন?
- বাংলা ভাষার দন্তমূলীয় মূ্র্ধণ্য বর্ণ হলো-