যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ কোনটি?
A. পাচক
B. রাখাল
C. পলাশ
D. পঙ্কজ
সঠিক উত্তরঃ
D.
পঙ্কজ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মানুষের মনস্তত্ত্বে ক্ষমা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণ থাকা আবশ্যক। মননশীলতার চর্চায় তাই শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার প্রভৃতি গুণ ব্যক্তিকে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শ নাগরিক। হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।উদ্দীপকে উল্লিখিত গুণাবলি মানব-কল্যাণ সাধনে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- উদ্দীপক-১: শফিক সাহেব প্রতিদিন একশত টাকা করে ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেন। গরিবের দুঃখকে তিনি উপলব্ধি করতে পারেন বিধায় তিনি অধিক পরিমাণে গরিবদের আর্থিক সহায়তা করেন।উদ্দীপক-২: রহমত সাহেব সচরাচর ভিক্ষা দেন না। তবে প্রতিবছর তিনি নিজ এলাকায় গমন করে একজন দরিদ্র ব্যক্তিকে দোকানঘর করে দিয়ে বা রিক্সা কিনে দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলেন।উদ্দীপক-১ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটিকে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।
- শব্দকে ভাঙলে যে ক্ষুদ্রতম অর্থবোধক একক পাওয়া যায়, তাকে কী বলে?
- লেখক কোন কাজকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন না?
- মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে 'র্যাশনাল' শব্দের অর্থ কী?
- কোনটি তদ্ভব শব্দের উদারহণ?
- সামান্য লোভে তুমি আত্মবিসর্জন ??িতে চাও? দাও। তবে জেনে রেখ, তুমি জীবন্ত মৃত হলে। এই পদবি, সামান্য অর্থ প্রাপ্তি, খেয়ে বাঁচার লোভে তোমার অস্তিত্ব হারালে। চাটুকারিতায়, পদলেহনে তোমার পরিণতি পোষা প্রাণির মতো স্বাতন্ত্র্য হারানোর। আসলে কি তুমি মানুষ! কী প্রশ্রয় দিলে রাষ্ট্র আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না?
- ড় এবং ঢ়-
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি কত সালে রচিত?
- নিচের কোনটি অপিনিহিতির উদাহরণ?
- আমিত্বকে বলি দিয়ে স্বার্থ ত্যাগ করো যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীনদুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে-বিকালে-সাঁঝে!তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি,যা রূপিবে তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি!কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটিকে ইঙ্গিত করেছে? বিশ্লেষণ করো।
- উপলব্ধি ছাড়া মানব-কল্যাণ যা হয়ে যায়-স্রেফ দান-খয়রাতের মতোকাঙালি ভোজনের মতোমানব-মর্যাদা অবমাননার মতোনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘তাই সবরকম কল্যাণ কর্মেরও রয়েছে সামাজিকপরিণতি।' 'মানব-কল্যাণ' রচনায় মানুষ একথা ভুলেযায় কেন?
- ধনাঢ্য জামাল সাহেব এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষদের প্রচুর দানখয়রাত করেন। ছবি তুলে তিনি এসব দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার করেন। এলাকায় তিনি জনদরদি হিসেবে পরিচিত।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টি উঠে এসেছে? আলোচনা করো।
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কোন শ্রেণির রচনা?
- "মোদের গরব, মোদের আশা/ আ-মরি বাংলা ভাষা" কার লেখা-
- ‘চতুষ্কোন’ এর সন্ধিবিচ্ছেদ-
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- ‘মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি প্রথম কোন গ্রন্থেসংকলিত হয়?
- "রাষ্ট্র, জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক"- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।নির্দেশিত ভাবটি নিচের কোন বাক্যে বিদ্যমান?
- ‘ডেঙ্গু' শব্দটি বাংলায় কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- 'বালতি, গামলা, চাবি' এগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- 'আনারস' শব্দটি-
- মানব-কল্যাণের সোপান রচনার দায়িত্ব কার?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমানসংকটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।'সত্যের শক্তিতে বলিয়ান জাতি অন্যায়কে ধ্বংস করে জাতিকে উন্নতির শিখরে পৌছাতে পারে।'- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'সর্বজীবের হীত'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ‘লড়াই’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
- 'সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল।'- এ বাক্যের মর্মার্থ লেখো।
- 'মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে।'এখানে ‘মহত্ত্ব' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- মতি গাজী একজন লেখক। তিনি সর্বদা মানবতাকে উচ্চ মর্যাদায় স্থান দিতে চেষ্টা করেন। ভিক্ষাবৃত্তিকে তিনি চরম অপছন্দ করেন। কারণ, এতে মানবতার মূল্যায়ন হয় না। এক মুষ্টি ভিক্ষা সাময়িক দাক্ষিণ্য হলেও প্রকৃত মানব-কল্যাণের চিন্তা সৃজন হয় না।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটির সমগ্র ভাবের ধারক নয়।"-এ ক্ষেত্রে তুমি কী মনে কর তা প্রবন্ধের আলোকে লেখো।
- 'জগজ্জ্যোতি' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- মতি গাজী একজন লেখক। তিনি সর্বদা মানবতাকে উচ্চ মর্যাদায় স্থান দিতে চেষ্টা করেন। ভিক্ষাবৃত্তিকে তিনি চরম অপছন্দ করেন। কারণ, এতে মানবতার মূল্যায়ন হয় না। এক মুষ্টি ভিক্ষা সাময়িক দাক্ষিণ্য হলেও প্রকৃত মানব-কল্যাণের চিন্তা সৃজন হয় না।উদ্দীপকে মতি গাজীর চিন্তায় 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রধান হয়ে উঠেছে? আলোচনা করো।
- ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর দেওয়া জমিতে ১৯০২ সালে 'ঢাকা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং' প্রতিষ্ঠিত হয়। এতিম শিশুদের লেখাপড়া নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'নবাব সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা'।উদ্দীপকের বক্তব্য তোমার পাঠ্য কোন রচনার সঙ্গেসাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে রাষ্ট্রের বৃহত্তম দায়িত্ব কোনটি?
- আরবি শব্দ নয়
- নীরস এর সন্ধি বিচ্ছেদ কর -
- কোনটি খাঁটি বাংলা স্বরসন্ধির উদাহরণ?