ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর দেওয়া জমিতে ১৯০২ সালে 'ঢাকা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং' প্রতিষ্ঠিত হয়। এতিম শিশুদের লেখাপড়া নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'নবাব সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা'।
উদ্দীপকের বক্তব্য তোমার পাঠ্য কোন রচনার সঙ্গে
সাদৃশ্যপূর্ণ?
A.
আমার পথ
B.
মানব কল্যাণ
C.
মাসি-পিসি
D.
বায়ান্নর দিনগুলো
সঠিক উত্তরঃ
B.
মানব কল্যাণ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- নিচের কোন বিষয়ের সাথে মানব-কল্যাণের গভীরসম্পর্ক রয়েছে?মর্যাদাবোধপ্রচুর ধন-সম্পদমানবিক চেতনার বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?
- নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল;গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত,বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরিহিত তরে।"কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিচ্ছবি।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি লেখকের কোন গ্রন্থ হতেনেওয়া হয়েছে?
- ‘মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি প্রথম কোন গ্রন্থেসংকলিত হয়?
- মাদার তেরেসা আশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারির সঙ্গে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরো অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। এক সময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারাজীবনে তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে। যে মানুষ হবে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন স্বাবলম্বী মানুষ। এজন্যই তাঁর চ্যারিটি'গতানুগতিক কোনো সেবা-সংস্থা নয়।উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- "মোদের গরব, মোদের আশা/ আ-মরি বাংলা ভাষা" কার লেখা-
- "জ্ঞ" যুক্তবর্ণটির অন্তস্থ বর্ণগুলো হচ্ছে -
- উদ্দীপক ও উক্ত প্রবন্ধ যে দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ-বিষয়বস্তুর দিক থেকেমূলবক্তব্যের দিক থেকেসাংগঠনিক দিক থেকেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'Existentialism'-এর মূলকথা কী?
- মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে 'র্যাশনাল' শব্দের অর্থ কী?
- কোভিড-১৯ এর সময়ে 'পদ্মরাগ' নামক সামাজিক সংগঠনটি ছিন্নমূল মানুষদের এক বেলা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছিল। প্রতিদিন শত শত মানুষকে খাবার দিয়েও প্রতিষ্ঠানটি তৃপ্ত হতে 'পারেনি। ইদানীং সংগঠনটির সদস্যদের নতুন উপলব্ধি হয়েছে যে, তাঁরা প্রতি মাসে একজন করে ছিন্নমূল মানুষকে আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত করে পরাবলম্বন থেকে মুক্তি দেবেন।পদ্মরাগ সংগঠনটির সদস্যদের নতুন উপলব্ধির মাঝে কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য নিহিত রয়েছে ? তোমার যুক্তি দাও।
- মাদার তেরেসা অশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারি সংঘে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরও অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। একসময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারা জীবনের তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা আলোচনা করো।
- ভেলরি টেইলর, বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধুর নাম। ৭২ বছর বয়সি মহান ব্যক্তি কর্মজীবনে লাভ করেছেন নানা স্বীকৃতিসহ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি। স্বেচ্ছাসেবা এবং সম্পূর্ণ আপন প্রচেষ্টায় সিআরপি প্রতিষ্ঠা করে তিনি দুস্থ, নিঃসহায় মানুষের জন্য বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে পঙ্গুত্বের শিকার হাজার হাজার মানুষকে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরিয়ে আনতে তার গড়া সিআরপি নজিরবিহীন ভূমিকা পালন করেছে।"উদ্দীপকের ভেলরি টেইলরের কর্মকান্ড এবং 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশা যেন একই সূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- কীসের মধ্যে ব্যক্তির প্রকৃত সুখ নিহিত?
- কোন ঐতিহসিক ঘটনা সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লালনকে কী বলা হয়েছে?
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- ইসলামের নবি (স.) ভিক্ষুককে কুড়াল কিনে দিয়েছিলেন কেন?
- পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীন-দুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে বিকালে সাঁঝে।উদ্দীপকের 'সুখ' প্রকৃতপক্ষে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোথায় নিহিত রয়েছে? আলোচনা করো।