ণত্ব বিধান ব্যাকরণের কোন অংশে আলােচিত হয়?
A. রূপতত্ত্বে
B. ধ্বনিতত্ত্বে
C. বাক্যতত্ত্বে
D. শব্দার্থতত্ত্বে
সঠিক উত্তরঃ
B.
ধ্বনিতত্ত্বে
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ভুল সন্ধবিচ্ছেদ
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- 'বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারো কল্যাণ করা যায় না।'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
- 'সম্মার্জনা' শব্দের অর্থ কী?
- ধনাঢ্য জামাল সাহেব এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষদের প্রচুর দানখয়রাত করেন। ছবি তুলে তিনি এসব দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার করেন। এলাকায় তিনি জনদরদি হিসেবে পরিচিত।জামাল সাহেবের দানখয়রাতকে কি মানব-কল্যাণ বলা হয়? 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- মিয়ানমারে সামরিক শাসকদের নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আশ্রয় নেয়। বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রবা দেখিয়ে এবং মানবিক দিক বিবেচনায় তাদেরকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় প্রদান করে। এর পর থেকে সেখানে দেশি-বিদেশি প্রায় দেড় শতাধিক এনজিও এবং বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারা সেখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পুষ্টি এবং সুরক্ষাসহ মৌলিক সেবাগুলো বিস্তৃত ও জোরদার করেছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে তাদেরকে সত্যিকার যুক্তি দেওয়ার পক্ষে তেমন কোনো আন্তর্জাতিক তৎপরতা নেই।"উদ্দীপকের মানবিক সহায়তা সংকীর্ণ অর্থে মানবসেবা। প্রকৃত মানবসেবা হলো মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ।" 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমানসংকটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।উদ্দীপকের 'নিজেরে করো জয়' তোমার পঠিত প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীন-দুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে বিকালে সাঁঝে।"উদ্দীপকের মূলভাব 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূলভাবকে সামগ্রিকভাবে ফুটিয়ে তোলেনি" বক্তব্যের সপক্ষে তোমার যুক্তি উপস্থাপন করো।
- সত্যিকার মানব-কল্যাণ কীসের ফসল?
- আদালত কোন ধরনের শব্দ?
- সাইদুর রহমান একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক। একদিন এক দরিদ্র ব্যক্তি তাঁর নিকট সাহায্য চাইতে এলো। দরিদ্র ব্যক্তিকে তিনি অর্থ সাহায্যের পরিবর্তে রিকশা কিনে দিলেন।উদ্দীপকের সাইদুর রহমান তোমার পঠিত 'মানব- কল্যাণ' প্রবন্ধে বর্ণিত কোন বিষয়টির সাথে সাদৃশ্যপূর্
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল;গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত,বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরিহিত তরে।কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি কত সালে রচিত?
- ভেলরি টেইলর, বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধুর নাম। ৭২ বছর বয়সি মহান ব্যক্তি কর্মজীবনে লাভ করেছেন নানা স্বীকৃতিসহ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী। স্বেচ্ছাসেবা এবং এবং সম্পূর্ণ আপন প্রচেষ্টায় সিআরপি প্রতিষ্ঠা করে। তিনি দুস্থ, নিঃসহায় মানুষের জন্য বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে পঙ্গুত্বের শিকার হাজার হাজার মানুষকে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরিয়ে আনতে তার গড়া সিআরপি নজিরবিহীন ভূমিকা পালন করছে।উদ্দীপকের সাথে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক তুলে ধরো।
- স্রেফ সদিচ্ছার দ্বারা মানবকল্যাণ সাধিত হয় না কেন? ব্যাখ্যা কর।
- লেখকের মতে 'মানব-কল্যাণ' বলতে কী বোঝায়? বর্ণনা করো।
- 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধে আবুল ফজল চেয়েছেন—
- আরবি শব্দ নয়
- 'মানুষের ভালো করো, মানুষের কল্যাণ করো, সুখ-শান্তিদান করো মানুষকে।'— এই নির্দেশ কারা দিয়েছেন?
- ‘মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি প্রথম কোন গ্রন্থেসংকলিত হয়?
- 'সর্বজীবের হীত'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ‘তৃষ্ণার্ত’ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
- এক মুষ্টি ভিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে কোনটি ক্ষুণ্ণ হয়?
- ’ক্রিয়ার কাল’ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
- কীসের মধ্যে ব্যক্তির প্রকৃত সুখ নিহিত?
- কীভাবে কল্যাণময় পৃথিবী রচনা সম্ভব বলে প্রাবন্ধিক মনে করেন?
- লেখক কোন কাজকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন না?
- ‘জংশন’ শব্দটির উৎস ভাষা-
- মেঘলা একজন জনপ্রিয় কলেজ শিক্ষক। একদিন তার ছাত্???ী রাবেয়ার বাবা মারা গেলে তার পরিবারটি একেবারে অসহায় হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় মেঘলা তার সহকর্মীদের সাথে কথা বলে রাবেয়াকে কুটির শিল্পের ব্যবসা করার প্রয়োজনীয় সব উপকরণ কিনে দেন।মেঘলাদের মতো মানুষের এমন কর্মকাণ্ডে হতে পারে-সাবলম্বন দারিদ্র্য উন্নয়ন নিচের কোনটি সঠিক?
- বিজ্ঞানের আবিষ্কার সৃজনশীল মানবিক কর্মে পরিণত হবে-
- নীচের কোনটি বিদেশী শব্দ নয়?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি লেখকের কোন গ্ৰন্থথেকে নেওয়া হয়েছে?
- গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দান।প্রবন্ধ ও উদ্দীপকে যে বক্তব্য ফুটে উঠেছে, তা হচ্ছে-মানবসেবা মনুষ্যত্ববোধ জীবে প্রেম নিচের কোনটি সঠিক?
- মানব-কল্যাণ অলৌকিক কিছু নয় কেন তা বুঝিয়ে দাও।
- "আহবায়ক" শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
- নিচের কোনটির দ্বিস্বর ধ্বনি ?
- কোনটি খাঁটি বাংলা স্বরসন্ধির উদাহরণ?