পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!
নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,
মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!
আপনাকে বিলাইয়া দীন-দুঃখীদের মাঝে,
বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে বিকালে সাঁঝে।
"উদ্দীপকের মূলভাব 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূলভাবকে সামগ্রিকভাবে ফুটিয়ে তোলেনি" বক্তব্যের সপক্ষে তোমার যুক্তি উপস্থাপন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ’হ্ম’ এর বিশ্লিষ্ট রূপ-
- পরস্পর দুই বর্ণের মিলনকে কি বলে?
- আবুল ফজল কত বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছিলেন?
- অনশন ধর্মঘটের ব্যাপারে আলোচনার কথা বলেবঙ্গবন্ধুকে কোন তারিখে জেলগেটে আনা হয়েছিল?
- ‘চতুষ্কোন’ এর সন্ধিবিচ্ছেদ-
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'আনারস' শব্দটি-
- "তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?"- উক্তিটি কার?
- কোনগুলো ওষ্ঠ্যদ্বনি?
- দেশি শব্দ কোনটি?
- মানব-কল্যাণ অলৌকিক কিছু নয় কেন তা বুঝিয়ে দাও।
- নিচের কোনটি অপিনিহিতির উদাহরণ?
- 'আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দান।প্রবন্ধ ও উদ্দীপকে যে বক্তব্য ফুটে উঠেছে, তা হচ্ছে-মানবসেবা মনুষ্যত্ববোধ জীবে প্রেম নিচের কোনটি সঠিক?
- কোন ভাষার নিজস্ব লিপি নেই?
- 'মানব-কল্যাণ স্বয়ম্ভু, বিচ্ছিন্ন ও সম্পর্ক রহিত হতে পারে না'- উক্তিটির ব্যাখ্যা করো।
- 'মানুষের ভালো করো, মানুষের কল্যাণ করো, সুখ-শান্তিদান করো মানুষকে।'— এই নির্দেশ কারা দিয়েছেন?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লালনকে কী বলা হয়েছে?
- ভুল সন্ধবিচ্ছেদ
- এ বছরের কালবৈশাখী ঝড়ে বশিরের হালের গরু মারা যায় এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সবকিছু থাকার পরেও তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে, সে এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যায়। চেয়ারম্যান সাহেব সবকিছু শুনে একজোড়া হালের বলদ কিনে দেয় এবং আবার নতুন করে চাষাবাদ শুরু করতে বলে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা মতো কঠোর পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসেই তার ঘরে, নতুন ফসল আসে।উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়? আলোচনা করো।
- মানব-কল্যাণ' কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠবে?
- 'বালতি, গামলা, চাবি' এগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- শিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা কোথায় প্রতিফলিত হয়?
- মানব-কল্যাণ কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠেবে? ব্যাখ্যা করো।
- রফিক ও শফিক দুই ভাই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। তবে প্রতিবছর ইদে জাকাত দেওয়া নিয়ে দুইজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। রফিকের মতে জাকাতের টাকায় একাধিক শাড়ি, লুঙ্গি কিনে গরিবদের মাঝে বিতরণ করলে তাদের বস্ত্র চাহিদা লাঘব হবে এবং সে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলেও জনগণও তা অনুসরণ করবে। কিন্তু শফিক চায় এলাকার বস্তিতে কয়েকজন মহিলাকে সেলাই মেশিন কিনে দিলে বরং তারা কিছু আয় রোজগার করতে পারবে। আর এজন্য তিনি সব রকম সামাজিক প্রচারণার বিরোধী।উদ্দীপকের রফিকের ভাবনার মধ্য দিয়ে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য আছে তা আলোচনা করো।
- মানব-কল্যাণের উৎস কীসের মধ্যে নিহিত?
- মেঘলা একজন জনপ্রিয় কলেজ শিক্ষক। একদিন তারছাত্রী রাবেয়ার বাবা মারা গেলে তার পরিবারটি একেবারে অসহায় হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় মেঘলা তার সহকর্মীদের সাথে কথা বলে রাবেয়াকে কুটির শিল্পের ব্যবসা করার প্রয়োজনীয় সব উপকরণ কিনে দেন। উদ্দীপকের মেঘলার কাজটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধালোকে কৌন ধরনের কাজ?
- 'বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারো কল্যাণ করা যায় না।'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- শব্দের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
- "মোদের গরব, মোদের আশা/ আ-মরি বাংলা ভাষা" কার লেখা-
- মানুষের মনস্তত্ত্বে ক্ষমা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণ থাকা আবশ্যক। মননশীলতার চর্চায় তাই শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার প্রভৃতি গুণ ব্যক্তিকে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শ নাগরিক। হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।'বিচারবুদ্ধির পাশাপাশি সৃজনশীল মানবিক কর্মের সংযোজনে যথাযথ মানব-কল্যাণ সম্ভব।'- উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির পর্যালোচনা করো।
- মানব-কল্যাণ কথাটা আমরা সস্তা ও মামুলি বানিয়ে ফেলেছি কীভাবে? বুঝিয়ে লেখো
- আমাদের প্রচলিত ধারণা আর। চলতি কথায় মানবকল্যাণ কথাটা অনেক খানি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
- 'Existentialism'-এর মূলকথা কী?
- এক মুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকে আমরা কী মনে করে থাকি?
- মানব-কল্যাণ কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠবে? ব্যাখ্যা করো।
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- উদ্দীপক-১: শফিক সাহেব প্রতিদিন একশত টাকা করে ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেন। গরিবের দুঃখকে তিনি উপলব্ধি করতে পারেন বিধায় তিনি অধিক পরিমাণে গরিবদের আর্থিক সহায়তা করেন।উদ্দীপক-২: রহমত সাহেব সচরাচর ভিক্ষা দেন না। তবে প্রতিবছর তিনি নিজ এলাকায় গমন করে একজন দরিদ্র ব্যক্তিকে দোকানঘর করে দিয়ে বা রিক্সা কিনে দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলেন।"উদ্দীপক-২ এ 'মানব-কল্যাণ' রচনার মূলভাব ফুটে উঠেছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর দেওয়া জমিতে ১৯০২ সালে 'ঢাকা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং' প্রতিষ্ঠিত হয়। এতিম শিশুদের লেখাপড়া নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'নবাব সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা'।উদ্দীপকের বক্তব্য তোমার পাঠ্য কোন রচনার সঙ্গেসাদৃশ্যপূর্ণ?