নিচের কোনটি অপিনিহিতির উদাহরণ?
A. উড়ুনী
B. রাইত
C. জালুয়া
D. ছাওয়া
সঠিক উত্তরঃ
B.
রাইত
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি কত সালে রচিত?
- মানুষের মনস্তত্ত্বে ক্ষমা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণ থাকা আবশ্যক। মননশীলতার চর্চায় তাই শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার প্রভৃতি গুণ ব্যক্তিকে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শ নাগরিক। হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।'বিচারবুদ্ধির পাশাপাশি সৃজনশীল মানবিক কর্মের সংযোজনে যথাযথ মানব-কল্যাণ সম্ভব।'- উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির পর্যালোচনা করো।
- 'সম্মার্জনা' শব্দের অর্থ কী?
- ‘বাগ্মিতা’র শুদ্ধ উচ্চারণ
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যিকারের মানব-কল্যাণ হলো-মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসলভিক্ষুককে ভিক্ষা প্রদানগভীর মূল্যবোধের উৎসারণনিচের কোনটি সঠিক?
- নিচের কোনটি অনুসরণ করে আমরা সত্যিকারের মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যেতে পারব-মহৎপ্রতিভামহৎ ব্যক্তির আদর্শসমাজসংস্কারনিচের কোনটি সঠিক?
- 'ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ।'- কথাটি কে বলেছেন?
- 'আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'নির্দেশিত ভাবটি নিজের কোন বাক্যে বিদ্যমান?
- ভেলরি টেইলর, বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধুর নাম। ৭২ বছর বয়সি মহান ব্যক্তি কর্মজীবনে লাভ করেছেন নানা স্বীকৃতিসহ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি। স্বেচ্ছাসেবা এবং সম্পূর্ণ আপন প্রচেষ্টায় সিআরপি প্রতিষ্ঠা করে তিনি দুস্থ, নিঃসহায় মানুষের জন্য বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে পঙ্গুত্বের শিকার হাজার হাজার মানুষকে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরিয়ে আনতে তার গড়া সিআরপি নজিরবিহীন ভূমিকা পালন করেছে।উদ্দীপকের সাথে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক তুলে ধরো।
- সামান্য লোভে তুমি আত্মবিসর্জন দিতে চাও? দাও। তবে জেনে রেখ, তুমি জীবন্ত মৃত হলে। এই পদবি, সামান্য অর্থ প্রাপ্তি, খেয়ে বাঁচার লোভে তোমার অস্তিত্ব হারালে। চাটুকারিতায়, পদলেহনে তোমার পরিণতি পোষা প্রাণির মতো স্বাতন্ত্র্য হারানোর। আসলে কি তুমি মানুষ! উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূলভাব ধারণ করেছে-
- ‘মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি প্রথম কোন গ্রন্থেসংকলিত হয়?
- 'ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে' পঙক্তিটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- ' সংযম ' শব্দের সঠিক সাদ্ধি বিচ্ছেদ কোনটি
- মতি গাজী একজন লেখক। তিনি সর্বদা মানবতাকে উচ্চ মর্যাদায় স্থান দিতে চেষ্টা করেন। ভিক্ষাবৃত্তিকে তিনি চরম অপছন্দ করেন। কারণ, এতে মানবতার মূল্যায়ন হয় না। এক মুষ্টি ভিক্ষা সাময়িক দাক্ষিণ্য হলেও প্রকৃত মানব-কল্যাণের চিন্তা সৃজন হয় না।উদ্দীপকে মতি গাজীর চিন্তায় 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রধান হয়ে উঠেছে? আলোচনা করো।
- "রাষ্ট্র, জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক"- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'Existentialism'-এর মূলকথা কী?
- ণত্ব বিধান ব্যাকরণের কোন অংশে আলােচিত হয়?
- মানব-কল্যাণের সোপান রচনার দায়িত্ব কার?
- শিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা কোথায় প্রতিফলিত হয়?
- মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লালনকে কী বলা হয়েছে?
- সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- ভাষার মূল উপাদান কী?
- প্রাবন্ধিক আবুল ফজল কত সালে 'মানব কল্যাণ'প্রবন্ধটি রচনা করেন?
- আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?
- লেখকের মতে, সমস্যা যত বড়ো আর যত ব্যাপকই হোক না কেন, তার আর মোকাবিলা করতে হবে কীভাবে?
- ‘সতীশ’ এর সন্ধিবিচ্ছেদ-
- "উদ্ধার" শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- 'রাষ্ট্র জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক।'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- কোনটি নাসিক্য বর্ণ?
- লেখকের মতে, মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথে কেমন পৃথিবী রচনা সম্ভব?
- নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল;গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত,বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরিহিত তরে।"কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিচ্ছবি।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- ’আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ এর তাৎপর্য-
- আমিত্বকে বলি দিয়ে স্বার্থ ত্যাগ করো যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীনদুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে-বিকালে-সাঁঝে!তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি,যা রূপিবে তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি!কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটিকে ইঙ্গিত করেছে? বিশ্লেষণ করো।
- কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?
- কোভিড-১৯ এর সময়ে 'পদ্মরাগ' নামক সামাজিক সংগঠনটি ছিন্নমূল মানুষদের এক বেলা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছিল। প্রতিদিন শত শত মানুষকে খাবার দিয়েও প্রতিষ্ঠানটি তৃপ্ত হতে 'পারেনি। ইদানীং সংগঠনটির সদস্যদের নতুন উপলব্ধি হয়েছে যে, তাঁরা প্রতি মাসে একজন করে ছিন্নমূল মানুষকে আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত করে পরাবলম্বন থেকে মুক্তি দেবেন।পদ্মরাগ সংগঠনটির সদস্যদের নতুন উপলব্ধির মাঝে কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য নিহিত রয়েছে ? তোমার যুক্তি দাও।
- "তা করা হলেই মানব-কল্যাণ হয়ে উঠবে মানব-মর্যাদার সহায়ক।"- ব্যাখ্যা কর।
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আবুলফজল কোন যুগান্তকারী আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরিযুক্ত ছিলেন?