'আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে
আসে নাই কেহ অবনী পরে
সকলের তরে সকলে আমরা
প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'
উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
A.
পারস্পরিক সৌহার্দের মধ্যে মানবকল্যাণ নিহিত
B.
মানবকল্যাণের জন্য নিঃস্বার্থ হওয়া বাঞ্ছনীয়
C.
অন্যকে বিপদ মুক্ত করলেই মানবকল্যাণ হয় না
D.
অপরের সহযোগিতার মাধ্যমেই মানবকল্যাণ সম্ভব
সঠিক উত্তরঃ
A.
পারস্পরিক সৌহার্দের মধ্যে মানবকল্যাণ নিহিত
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- অক্ষরের মানদন্ডকে কী বলে?
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
- নিচের কোন বিষয়ের সাথে মানব-কল্যাণের গভীরসম্পর্ক রয়েছে?মর্যাদাবোধপ্রচুর ধন-সম্পদমানবিক চেতনার বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটি 'ট' বর্গীয় বর্ণ নয়?
- 'রাষ্ট্র জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক।'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- মানব-কল্যাণ হচ্ছে— দান-খয়রাত করাস্বাবলম্বনের পথ দেখানোমানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি করানিচের কোনটি সঠিক?
- জাতিকে কী-হিসেবে গড়ে তুলতে হবে?
- নিচের কোনটি আরবি শব্দ?
- যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ কোনটি?
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- 'লড়াই' মূলত কোন শব্দ ?
- নীচের কোনটি বিদেশী শব্দ নয়?
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- বাল্মীকি আদিতে কাদের জন্য রামায়ণ রচনা করেন ?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে রাষ্ট্রের বৃহত্তম দায়িত্ব কোনটি?
- মাদার তেরেসা আশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারির সঙ্গে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরো অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। এক সময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারাজীবনে তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে। যে মানুষ হবে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন স্বাবলম্বী মানুষ। এজন্যই তাঁর চ্যারিটি'গতানুগতিক কোনো সেবা-সংস্থা নয়।'তাঁর চ্যারিটি গতানুগতিক কোনো সেবা সংস্থা নয়'- মানব-কল্যাণ প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- সত্যিকার মানব-কল্যাণ কীসের ফসল?
- মাদার তেরেসা অশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারি সংঘে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরও অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। একসময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারা জীবনের তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা আলোচনা করো।
- 'Existentialism'-এর মূলকথা কী?
- কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?