সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান
সংকটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ-
মুক্ত করো ভয়,
আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়
দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,
নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।
উদ্দীপকের 'নিজেরে করো জয়' তোমার পঠিত প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- 'সত্যি এক ইউনিক ব্যাপার ' - বাক্যের 'ইউনিক' শব্দটি
- গড়ে ওঠে অরণ্যভেদী লোকালয়মানুষের শ্রমে,গড়ে ওঠে মধুকুঞ্জ বংশধারামানুষের প্রেমে কামে,জ্বলে ওঠে দাবানলমানুষের ক্রোধে,লোকালয় অরণ্য হয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব ব্যক্ত হয়েছে তা বর্ণনা কর।
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- মানব-কল্যাণ কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠেবে? ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি খাঁটি বাংলা শব্দ ?
- নিচের কোনটি আরবি শব্দ?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি লেখকের কোন গ্ৰন্থথেকে নেওয়া হয়েছে?
- প্রতিটি মানুষকে কেমন হতে হবে?
- বিজ্ঞানের অভাবনীয় আবিষ্কারকে ধ্বংসের পরিবর্তেসৃজনশীল মানবিক কর্মে নিয়োগ করা যায়- একমাত্রকার সাহায্যে?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি লেখকের কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- ‘বাগ্মিতা’র শুদ্ধ উচ্চারণ
- গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দান।প্রবন্ধ ও উদ্দীপকে যে বক্তব্য ফুটে উঠেছে, তা হচ্ছে-মানবসেবা মনুষ্যত্ববোধ জীবে প্রেম নিচের কোনটি সঠিক?
- মাদার তেরেসা অশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারি সংঘে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরও অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। একসময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারা জীবনের তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে।'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সমগ্র ভাবনার বিষয় কী উদ্দীপকটিতে ফুটে উঠেছে? যে যে বিষয়গুলো অনুপস্থিত তার প্রাসঙ্গিকতা বিশ্লেষণ করো।
- মাদার তেরেসা আশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারির সঙ্গে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরো অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। এক সময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারাজীবনে তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে। যে মানুষ হবে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন স্বাবলম্বী মানুষ। এজন্যই তাঁর চ্যারিটি'গতানুগতিক কোনো সেবা-সংস্থা নয়।উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- রফিক ও শফিক দুই ভাই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। তবে প্রতিবছর ইদে জাকাত দেওয়া নিয়ে দুইজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। রফিকের মতে জাকাতের টাকায় একাধিক শাড়ি, লুঙ্গি কিনে গরিবদের মাঝে বিতরণ করলে তাদের বস্ত্র চাহিদা লাঘব হবে এবং সে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলেও জনগণও তা অনুসরণ করবে। কিন্তু শফিক চায় এলাকার বস্তিতে কয়েকজন মহিলাকে সেলাই মেশিন কিনে দিলে বরং তারা কিছু আয় রোজগার করতে পারবে। আর এজন্য তিনি সব রকম সামাজিক প্রচারণার বিরোধী।উদ্দীপকের রফিকের ভাবনার মধ্য দিয়ে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য আছে তা আলোচনা করো।
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যিকারের মানব-কল্যাণ হলো-মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসলভিক্ষুককে ভিক্ষা প্রদানগভীর মূল্যবোধের উৎসারণনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘জংশন’ শব্দটির উৎস ভাষা-
- নিচের কোনটির দ্বিস্বর ধ্বনি ?
- মানব-কল্যাণের প্রাথমিক সোপান কী?
- ইসলামের নবি (স.) ভিক্ষুককে কুড়াল কিনে দিয়েছিলেন কেন?
- 'মানুষের ভালো করো, মানুষের কল্যাণ করো, সুখ-শান্তিদান করো মানুষকে।'— এই নির্দেশ কারা দিয়েছেন?
- মানব-কল্যাণের উৎস কীসের মধ্যে নিহিত?
- 'মানব-কল্যাণ স্বয়ম্ভু, বিচ্ছিন্ন ও সম্পর্ক রহিত হতে পারে না'- উক্তিটির ব্যাখ্যা করো।
- মানুষের মনস্তত্ত্বে ক্ষমা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণ থাকা আবশ্যক। মননশীলতার চর্চায় তাই শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার প্রভৃতি গুণ ব্যক্তিকে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শ নাগরিক। হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।উদ্দীপকে উল্লিখিত গুণাবলি মানব-কল্যাণ সাধনে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- "জ্ঞ" যুক্তবর্ণটির অন্তস্থ বর্ণগুলো হচ্ছে -
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?
- জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনার প্রতীক কোনটি?
- কোন শব্দটি ব্যাকরণের আলোচ্যসুচীতে পড়ে না ?
- গুরুচন্ডালী দোষমুক্ত বাক্য কোনটি?
- য ,র, ল- এগুলো কোন ধরনের বর্ণ?
- "রাষ্ট্র, জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক"- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- কোন ভাষার নিজস্ব লিপি নেই?
- "আহবায়ক" শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
- সামান্য লোভে তুমি আত্মবিসর্জন ??িতে চাও? দাও। তবে জেনে রেখ, তুমি জীবন্ত মৃত হলে। এই পদবি, সামান্য অর্থ প্রাপ্তি, খেয়ে বাঁচার লোভে তোমার অস্তিত্ব হারালে। চাটুকারিতায়, পদলেহনে তোমার পরিণতি পোষা প্রাণির মতো স্বাতন্ত্র্য হারানোর। আসলে কি তুমি মানুষ! কী প্রশ্রয় দিলে রাষ্ট্র আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না?
- ‘মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি প্রথম কোন গ্রন্থেসংকলিত হয়?
- সাইদুর রহমান একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক। একদিন এক দরিদ্র ব্যক্তি তাঁর নিকট সাহায্য চাইতে এলো। দরিদ্র ব্যক্তিকে তিনি অর্থ সাহায্যের পরিবর্তে রিকশা কিনে দিলেন।উদ্দীপকের সাইদুর রহমান তোমার পঠিত 'মানব- কল্যাণ' প্রবন্ধে বর্ণিত কোন বিষয়টির সাথে সাদৃশ্যপূর্
- কোনটি 'ট' বর্গীয় বর্ণ নয়?
- মানব-কল্যাণ কথাটা আমরা সস্তা ও মামুলি বানিয়ে ফেলেছি কীভাবে? বুঝিয়ে লেখো
- উদ্দীপক-১: শফিক সাহেব প্রতিদিন একশত টাকা করে ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেন। গরিবের দুঃখকে তিনি উপলব্ধি করতে পারেন বিধায় তিনি অধিক পরিমাণে গরিবদের আর্থিক সহায়তা করেন।উদ্দীপক-২: রহমত সাহেব সচরাচর ভিক্ষা দেন না। তবে প্রতিবছর তিনি নিজ এলাকায় গমন করে একজন দরিদ্র ব্যক্তিকে দোকানঘর করে দিয়ে বা রিক্সা কিনে দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলেন।"উদ্দীপক-২ এ 'মানব-কল্যাণ' রচনার মূলভাব ফুটে উঠেছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।