কোনটি 'ট' বর্গীয় বর্ণ নয়?
A. ঢ
B. ঠ
C. ন
D. ণ
সঠিক উত্তরঃ
C.
ন
Explanation:
বাংলা বর্ণমালায় ট-বর্গীয় বর্ণগুলো হলো- ট, ঠ, ড, ঢ, ণ।
Related Questions (Any University/Year)
- রূপক কবিতার ভাববস্তুর কয়টি দিক থাকে?
- অক্ষরের মানদন্ডকে কী বলে?
- ‘লড়াই’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
- বাংলা ভাষার দন্তমূলীয় মূ্র্ধণ্য বর্ণ হলো-
- লেখকের মতে, মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথে কেমন পৃথিবী রচনা সম্ভব?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমানসংকটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।উদ্দীপকের 'নিজেরে করো জয়' তোমার পঠিত প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- এ বছরের কালবৈশাখী ঝড়ে বশিরের হালের গরু মারা যায় এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সবকিছু থাকার পরেও তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে, সে এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যায়। চেয়ারম্যান সাহেব সবকিছু শুনে একজোড়া হালের বলদ কিনে দেয় এবং আবার নতুন করে চাষাবাদ শুরু করতে বলে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা মতো কঠোর পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসেই তার ঘরে, নতুন ফসল আসে।"পরিশ্রমই মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পূর্বশর্ত।"-উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মানব-কল্যাণ কখন মানব অপমানে পরিণত হয়?
- আঁতাত, শব্দটিপ
- ভাষার মূল উপাদান কী?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমানসংকটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।'সত্যের শক্তিতে বলিয়ান জাতি অন্যায়কে ধ্বংস করে জাতিকে উন্নতির শিখরে পৌছাতে পারে।'- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর দেওয়া জমিতে ১৯০২ সালে 'ঢাকা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং' প্রতিষ্ঠিত হয়। এতিম শিশুদের লেখাপড়া নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'নবাব সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা'। উক্ত সাদৃশ্যের কারণ— মানবিক চেতনার বিকাশ ঘটায় আত্মমর্যাদাবোধ সৃষ্টি করেস্বাবলম্বী করে তোলেনিচের কোনটি সঠিক?
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- আমিত্বকে বলি দিয়ে স্বার্থ ত্যাগ করো যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীনদুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে-বিকালে-সাঁঝে!তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি,যা রূপিবে তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি!"কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিফলন"-তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- মানব-কল্যাণ কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠবে? ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোনটি আরবি শব্দ?
- কোনটি মৌলিক স্বরধ্বনি নয়?
- ‘শরীর>শরীল’ কোন ধরণের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
- মহকাল মানুষের কর্মকে গ্রহণ করে, কারণ—
- গড়ে ওঠে অরণ্যভেদী লোকালয়মানুষের শ্রমে,গড়ে ওঠে মধুকুঞ্জ বংশধারামানুষের প্রেমে কামে,জ্বলে ওঠে দাবানলমানুষের ক্রোধে,লোকালয় অরণ্য হয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব ব্যক্ত হয়েছে তা বর্ণনা কর।