ইসলামের নবি (স.) ভিক্ষুককে কুড়াল কিনে দিয়েছিলেন কেন?
A. পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জনের জন্য
B. শ্রমজীবী মানুষ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভের জন্য
C. স্বাবলম্বনের মাধ্যমে মর্যাদার সাথে জীবনযাপনের জন্য
D. ভিক্ষা ছেড়ে কাঠ কেটে জীবিকা নির্বাহের জন্য
সঠিক উত্তরঃ
D.
ভিক্ষা ছেড়ে কাঠ কেটে জীবিকা নির্বাহের জন্য
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বিজ্ঞানের আবিষ্কার সৃজনশীল মানবিক কর্মে পরিণত হবে-
- 'আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- নিচের কোনটি বর্তমানে মানব-কল্যাণের প্রধান অন্তরায়
- ‘শরীর>শরীল’ কোন ধরণের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
- মানব-কল্যাণ কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠেবে? ব্যাখ্যা করো।
- 'মানবকল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যিকারের মানবকল্যাণ হলো-মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসলভিক্ষুককে ভিক্ষা প্ৰদানগভীর মূল্যবোধের উৎসারণনিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটি তদ্ভব শব্দের উদারহণ?
- মহকাল মানুষের কর্মকে গ্রহণ করে, কারণ—
- 'বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারো কল্যাণ করা যায় না।'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- 'ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে' পঙক্তিটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- 'মানুষের ভালো করো, মানুষের কল্যাণ করো, সুখ-শান্তিদান করো মানুষকে।'— এই নির্দেশ কারা দিয়েছেন?
- ফুলপুর গ্রামের দরিদ্র চা-বিক্রেতা দাউদ। পিতৃহীন সংসারে পঙ্গু দাউদই একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। অভাব-অনটনের সংসারে কোনোভাবে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে। বসতঘরের দশাও বেহাল। গ্রামের সামর্থ্যবান অনেকের কাছে সাহায্য চেয়ে ব্যর্থ হয়ে শেষে দাউদ পরোপকারী ডাক্তার রেজাউলের কাছে সাহায্য চায় ভাঙা ঘরটা মেরামত করার জন্য। ডাক্তার সাহেব দাউদকে একটা পাকাঘর তুলে দেন।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্র ডাক্তার রেজাউলের ভূমিকা 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? তোমার যুক্তি দেখাও।
- প্রাবন্ধিক আবুল ফজল ছাত্র জীবনে কোন আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন?
- ‘বাগ্মিতা’র শুদ্ধ উচ্চারণ
- গুরুচন্ডালী দোষমুক্ত বাক্য কোনটি?
- লেখকের মতে, মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথে কেমন পৃথিবী রচনা সম্ভব?
- মানব-কল্যাণের উৎস কোথায় নিহিত?
- জাকির ও জীবন দুই ভাই। লেখাপড়ায় ভালো, সমাজের উন্নয়নমূলক কাজেও তারা অংশগ্রহণ করে। তাদের পাশের গ্রামে পাহাড় ধসে অনেক বাড়ি-ঘর পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে। সেখানে বহু মানুষ আটকা পড়ে। দুই ভাই, সেখানে ছুটে যায় কিন্তু জাকির উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করলেও জীবন দাঁড়িয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে এবং কিছু আর্থিক সাহায্য করে। পাশাপাশি জাকির উদ্ধার কাজ শেষে তাদের সার্বিক পুনর্বাসনের চেষ্টা করে।'জীবন' চরিত্রের মধ্যে মানব-কল্যাণের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- "তা করা হলেই মানব-কল্যাণ হয়ে উঠবে মানব-মর্যাদার সহায়ক।"- ব্যাখ্যা কর।
- সত্যিকার মানব-কল্যাণ কীসের ফসল?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যিকারের মানব-কল্যাণ হলো-মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসলভিক্ষুককে ভিক্ষা প্রদানগভীর মূল্যবোধের উৎসারণনিচের কোনটি সঠিক?
- দেশি শব্দ কোনটি?
- আমাদের দেশে মানব-কল্যাণ আজ কী হিসেবে দৃশ্যমান?
- গড়ে ওঠে অরণ্যভেদী লোকালয়মানুষের শ্রমে,গড়ে ওঠে মধুকুঞ্জ বংশধারামানুষের প্রেমে কামে,জ্বলে ওঠে দাবানলমানুষের ক্রোধে,লোকালয় অরণ্য হয়।উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক রূপায়ণ। মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল;গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত,বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরিহিত তরে।কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- নীরস এর সন্ধি বিচ্ছেদ কর -
- নাটক শব্দের উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে?
- মিয়ানমারে সামরিক শাসকদের নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আশ্রয় নেয়। বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রবা দেখিয়ে এবং মানবিক দিক বিবেচনায় তাদেরকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় প্রদান করে। এর পর থেকে সেখানে দেশি-বিদেশি প্রায় দেড় শতাধিক এনজিও এবং বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারা সেখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পুষ্টি এবং সুরক্ষাসহ মৌলিক সেবাগুলো বিস্তৃত ও জোরদার করেছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে তাদেরকে সত্যিকার যুক্তি দেওয়ার পক্ষে তেমন কোনো আন্তর্জাতিক তৎপরতা নেই।উদ্দীপকের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের লেখকের কোন বক্তব্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? নির্ণয় কর।
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- 'আলমারি' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- ‘করিয়া > কইরা > করে' কী জাতীয় ধ্বনির পরিবর্তন?
- বিজ্ঞানের অভাবনীয় আবিষ্কারকে ধ্বংসের পরিবর্তেসৃজনশীল মানবিক কর্মে নিয়োগ করা যায়- একমাত্রকার সাহায্যে?
- উপলব্ধি ছাড়া মানব-কল্যাণ যা হয়ে যায় - স্রেফ দানখয়রাতের মতোকাঙালি ভোজনের মতোমানবমর্যাদার অবমাননার মতোনিচের কোনটি সঠিক?
- 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধে আবুল ফজল চেয়েছেন—
- মাদার তেরেসা অশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারি সংঘে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরও অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। একসময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারা জীবনের তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা আলোচনা করো।
- ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর দেওয়া জমিতে ১৯০২ সালে 'ঢাকা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং' প্রতিষ্ঠিত হয়। এতিম শিশুদের লেখাপড়া নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'নবাব সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা'।উদ্দীপকের বক্তব্য তোমার পাঠ্য কোন রচনার সঙ্গেসাদৃশ্যপূর্ণ?
- ভেলরি টেইলর, বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধুর নাম। ৭২ বছর বয়সি মহান ব্যক্তি কর্মজীবনে লাভ করেছেন নানা স্বীকৃতিসহ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী। স্বেচ্ছাসেবা এবং এবং সম্পূর্ণ আপন প্রচেষ্টায় সিআরপি প্রতিষ্ঠা করে। তিনি দুস্থ, নিঃসহায় মানুষের জন্য বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে পঙ্গুত্বের শিকার হাজার হাজার মানুষকে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরিয়ে আনতে তার গড়া সিআরপি নজিরবিহীন ভূমিকা পালন করছে।"উদ্দীপকের ভেলরি টেইলরের কর্মকান্ড এবং 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশা যেন একইসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে নিচের হাত বলতে বোঝানো হযেছে-