‘করিয়া > কইরা > করে' কী জাতীয় ধ্বনির পরিবর্তন?
A. স্বরভক্তি
B. বিপ্রকর্ষ
C. অপিনিহিতি
D. অভিশ্রুতি
সঠিক উত্তরঃ
D.
অভিশ্রুতি
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ণত্ব বিধান ব্যাকরণের কোন অংশে আলােচিত হয়?
- 'সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল।'- এ বাক্যের মর্মার্থ লেখো।
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- 'আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- মানব-কল্যাণের প্রাথমিক সোপান কী?
- আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।নির্দেশিত ভাবটি নিচের কোন বাক্যে বিদ্যমান?
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কোন শ্রেণির রচনা?
- কীভাবে কল্যাণময় পৃথিবী রচনা সম্ভব বলে প্রাবন্ধিক মনে করেন?
- "মোদের গরব, মোদের আশা/ আ-মরি বাংলা ভাষা" কার লেখা-
- যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ কোনটি?
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে উপরের হাত' মানে কী?
- রফিক ও শফিক দুই ভাই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। তবে প্রতিবছর ইদে জাকাত দেওয়া নিয়ে দুইজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। রফিকের মতে জাকাতের টাকায় একাধিক শাড়ি, লুঙ্গি কিনে গরিবদের মাঝে বিতরণ করলে তাদের বস্ত্র চাহিদা লাঘব হবে এবং সে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলেও জনগণও তা অনুসরণ করবে। কিন্তু শফিক চায় এলাকার বস্তিতে কয়েকজন মহিলাকে সেলাই মেশিন কিনে দিলে বরং তারা কিছু আয় রোজগার করতে পারবে। আর এজন্য তিনি সব রকম সামাজিক প্রচারণার বিরোধী।উদ্দীপকের শফিকের উদ্যোগটি সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য কতটুকু যুক্তিযুক্ত? 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- মিয়ানমারে সামরিক শাসকদের নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আশ্রয় নেয়। বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রবা দেখিয়ে এবং মানবিক দিক বিবেচনায় তাদেরকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় প্রদান করে। এর পর থেকে সেখানে দেশি-বিদেশি প্রায় দেড় শতাধিক এনজিও এবং বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারা সেখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পুষ্টি এবং সুরক্ষাসহ মৌলিক সেবাগুলো বিস্তৃত ও জোরদার করেছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে তাদেরকে সত্যিকার যুক্তি দেওয়ার পক্ষে তেমন কোনো আন্তর্জাতিক তৎপরতা নেই।উদ্দীপকের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের লেখকের কোন বক্তব্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? নির্ণয় কর।
- নিচের কোনটি আরবি শব্দ?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি কত সালে রচিত?
- মানব-কল্যাণের সোপান রচনার দায়িত্ব কার?
- লেখক কোন কাজকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন না?
- প্রতিটি মানুষকে কেমন হতে হবে?
- মিয়ানমারে সামরিক শাসকদের নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আশ্রয় নেয়। বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রবা দেখিয়ে এবং মানবিক দিক বিবেচনায় তাদেরকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় প্রদান করে। এর পর থেকে সেখানে দেশি-বিদেশি প্রায় দেড় শতাধিক এনজিও এবং বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারা সেখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পুষ্টি এবং সুরক্ষাসহ মৌলিক সেবাগুলো বিস্তৃত ও জোরদার করেছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে তাদেরকে সত্যিকার যুক্তি দেওয়ার পক্ষে তেমন কোনো আন্তর্জাতিক তৎপরতা নেই।"উদ্দীপকের মানবিক সহায়তা সংকীর্ণ অর্থে মানবসেবা। প্রকৃত মানবসেবা হলো মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ।" 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।