কীসের মধ্যে ব্যক্তির প্রকৃত সুখ নিহিত?
A.
জ্ঞান অর্জন
B.
হানাহানি
C.
পরার্থপরতা
D.
ক্ষুদ্র স্বার্থ
সঠিক উত্তরঃ
C.
পরার্থপরতা
Explanation:
'প্রতিদান' কবিতায় কবি নিজের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে অন্যের জন্য কাজ করার মধ্যেই যে প্রকৃত সুখ নিহিত সে বিষয়ে আলোকপাত করেছেন।
Related Questions (Any University/Year)
- ' সংযম ' শব্দের সঠিক সাদ্ধি বিচ্ছেদ কোনটি
- 'মানবিক বৃত্তি' বলতে আমরা যেটিকে বুঝি- মানবতাদয়াসেবানিচের কোনটি সঠিক?
- 'অভিশাপ-রথের সারথি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- আঁতাত, শব্দটিপ
- ‘জ্ঞান’ শব্দের যুক্তবর্ণ টি কোন বর্ণের মিলনে গঠিত?
- ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা কীসে প্রকাশ পায়?
- 'মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে।'এখানে ‘মহত্ত্ব' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- কোনটি মৌলিক স্বরধ্বনি নয়?
- লেখকের মতে, মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথে কেমন পৃথিবী রচনা সম্ভব?
- ‘তাই সবরকম কল্যাণ কর্মেরও রয়েছে সামাজিকপরিণতি।' 'মানব-কল্যাণ' রচনায় মানুষ একথা ভুলেযায় কেন?
- মিয়ানমারে সামরিক শাসকদের নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আশ্রয় নেয়। বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রবা দেখিয়ে এবং মানবিক দিক বিবেচনায় তাদেরকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় প্রদান করে। এর পর থেকে সেখানে দেশি-বিদেশি প্রায় দেড় শতাধিক এনজিও এবং বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারা সেখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পুষ্টি এবং সুরক্ষাসহ মৌলিক সেবাগুলো বিস্তৃত ও জোরদার করেছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে তাদেরকে সত্যিকার যুক্তি দেওয়ার পক্ষে তেমন কোনো আন্তর্জাতিক তৎপরতা নেই।"উদ্দীপকের মানবিক সহায়তা সংকীর্ণ অর্থে মানবসেবা। প্রকৃত মানবসেবা হলো মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশ।" 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লালনকে কী বলা হয়েছে?
- 'আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- “রিকশা' কোন্ ভাষার শব্দ?
- আমিত্বকে বলি দিয়ে স্বার্থ ত্যাগ করো যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীনদুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে-বিকালে-সাঁঝে!তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি,যা রূপিবে তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি!"কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিফলন"-তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- লেখকের মতে, সমস্যা যত বড়ো আর যত ব্যাপকই হোক না কেন, তার আর মোকাবিলা করতে হবে কীভাবে?
- ‘অক্ষর' শব্দের কোন উচ্চারণটি শুদ্ধ?
- মানব-কল্যাণ কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠবে? ব্যাখ্যা করো।
- মানুষের মনস্তত্ত্বে ক্ষমা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণ থাকা আবশ্যক। মননশীলতার চর্চায় তাই শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার প্রভৃতি গুণ ব্যক্তিকে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শ নাগরিক। হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।উদ্দীপকে উল্লিখিত গুণাবলি মানব-কল্যাণ সাধনে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- রূপক কবিতার ভাববস্তুর কয়টি দিক থাকে?