খোদা, চশমা, ফেরেশতা শব্দগুলো কোন ভাষা থেকে আগত?
A. আরবি
B. উর্দু
C. হিন্দি
D. ফারসি
সঠিক উত্তরঃ
D.
ফারসি
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- গড়ে ওঠে অরণ্যভেদী লোকালয়মানুষের শ্রমে,গড়ে ওঠে মধুকুঞ্জ বংশধারামানুষের প্রেমে কামে,জ্বলে ওঠে দাবানলমানুষের ক্রোধে,লোকালয় অরণ্য হয়।উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক রূপায়ণ। মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- প্রাবন্ধিক আবুল ফজল কত সালে 'মানব কল্যাণ'প্রবন্ধটি রচনা করেন?
- কোনটি তদ্ভব শব্দের উদারহণ?
- ‘লড়াই’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
- 'মানব-কল্যাণ স্বয়ম্ভু, বিচ্ছিন্ন ও সম্পর্ক রহিত হতে পারে না'- উক্তিটির ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি নাসিক্য বর্ণ?
- ফুলপুর গ্রামের দরিদ্র চা-বিক্রেতা দাউদ। পিতৃহীন সংসারে পঙ্গু দাউদই একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। অভাব-অনটনের সংসারে কোনোভাবে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে। বসতঘরের দশাও বেহাল। গ্রামের সামর্থ্যবান অনেকের কাছে সাহায্য চেয়ে ব্যর্থ হয়ে শেষে দাউদ পরোপকারী ডাক্তার রেজাউলের কাছে সাহায্য চায় ভাঙা ঘরটা মেরামত করার জন্য। ডাক্তার সাহেব দাউদকে একটা পাকাঘর তুলে দেন।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্র ডাক্তার রেজাউলের ভূমিকা 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? তোমার যুক্তি দেখাও।
- লেখকের মতে, মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথে কেমন পৃথিবী রচনা সম্ভব?
- লেখক কোন কাজকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন না?
- 'সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল।'- এ বাক্যের মর্মার্থ লেখো।
- "রাষ্ট্র, জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক"- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- দেশি শব্দ কোনটি?
- পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীন-দুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে বিকালে সাঁঝে।উদ্দীপকের 'সুখ' প্রকৃতপক্ষে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোথায় নিহিত রয়েছে? আলোচনা করো।
- রূপক কবিতার ভাববস্তুর কয়টি দিক থাকে?
- আমিত্বকে বলি দিয়ে স্বার্থ ত্যাগ করো যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীনদুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে-বিকালে-সাঁঝে!তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি,যা রূপিবে তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি!"কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিফলন"-তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- এ বছরের কালবৈশাখী ঝড়ে বশিরের হালের গরু মারা যায় এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সবকিছু থাকার পরেও তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে, সে এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যায়। চেয়ারম্যান সাহেব সবকিছু শুনে একজোড়া হালের বলদ কিনে দেয় এবং আবার নতুন করে চাষাবাদ শুরু করতে বলে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা মতো কঠোর পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসেই তার ঘরে, নতুন ফসল আসে।"পরিশ্রমই মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পূর্বশর্ত।"-উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- উপলব্ধি ছাড়া মানব-কল্যাণ যা হয়ে যায়-স্রেফ দান-খয়রাতের মতোকাঙালি ভোজনের মতোমানব-মর্যাদা অবমাননার মতোনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘বড়দিদি’ থেকে আগত ‘বউদি’ শব্দে ঘটেছে -
- 'আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'নির্দেশিত ভাবটি নিজের কোন বাক্যে বিদ্যমান?