'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে আলাদাভাবে প্রাণহীন বলা যায় যে প্রাণীকে?
A.
ভাইরাস
B.
ব্যাকটেরিয়া
C.
পিঁপড়া
D.
সাপ
সঠিক উত্তরঃ
A.
ভাইরাস
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'লাল নীল দীপাবলি' কার রচনা?
- বৈশাখী উৎসব আমাদের প্রাণের উৎসব। সব পেশা, শ্রেণি ও ধর্মের মানুষ এ উৎসব পালন করে। ঐদিন আপামর বাঙালি তাদের ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও ভেদাভেদ ভুলে একই মাঠে নেচে গেয়ে নতুন বছরকে ধারণ করে। বৈশাখী মেলা, পান্তা-ইলিশ, একতারা, নাগরদোলা, পুতুল নাচ ইত্যাদি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে পুরো জাতি তাদের হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে স্মরণ করে। এ দিনে বাঙালি জাতি সাম্প্রদায়িক চেতনা ভুলে একাকার হয়ে যায়।'এ দিনে বাঙালি জাতি সাম্প্রদায়িক চেতনা ভুলে একাকার হয়ে যায়'-উক্তিটির আলোকে 'সাম্যবাদী' কবিতার মূলভাব আলোচনা করো।
- জাদুঘরের প্রধান কাজ কী?
- 'শ্বাপদ' শব্দের অর্থ হলো-
- ছোটদের বড়দের সকলের, গরীবের নিঃস্বের ফকিরেরআমার দেশ সব মানুষের, সব মানুষের।নেই ভেদাভেদ হেথা চাষা আর চামারে,নেই ভেদাভেদ হেথা কুলি আর কামারে।।হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, দেশমাতা এক সকলের।"উদ্দীপকটি 'সাম্যবাদী' কবিতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও 'সাম্যবাদী' কবিতায় রয়েছে বৈচিত্র্যময় উদাহরণ ও বক্তব্যের বিশাল বিস্তৃতি"- যুক্তিসহ ব্যাখ্যা করো।
- 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় সন্ধ্যারবাতাসে কী উড়ে যায়?
- ”তুলসী পাতার রসের প্রয়োজন হয় নাই তার।” -কার প্রয়োজন হয় নি?
- 'ঐকতান' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ‘কেহ মরে বিল ছেঁচে ,কেহ খায় কই’ - কোন রচনার অংশ?
- "আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু-মুসলমানমিলিয়া বাউলা গান ঘাটুগান গাইতাম।বর্ষা যখন হইত গাজির গাইন আইতরঙ্গে ঢঙ্গে গাইত আনন্দ পাইতামবাউলা গান ঘাটুগান আনন্দের তুফানগাইয়া সারিগান নাও দৌড়াইতাম।"- এই কবিতাংশে কৃষকদের এত আনন্দের কারণ তাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা।উদ্দীপকে বর্ণিত গ্রাম বাংলার মানুষের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের উল্লিখিত কৃষকের অবস্থার তুলনামূলক আলোচনা করো।
- অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার ধরিয়া রাখিতে যাইবার মত বিড়ম্বনা আর নাই- উক্তিটি কার?
- স্কুল শিক্ষক দীপকবাবু জ্ঞান চর্চা করে নিজেকে সমৃদ্ধকরে তুলেছেন। অপরদিকে সে জ্ঞান শিক্ষার্থীর মাঝেবিলিয়ে দিয়ে আলোকিত করছেন তাদের জীবন।স্কুল শিক্ষক দীপকবাবুর জ্ঞান চর্চা 'জীবন ও বৃক্ষ'প্রবন্ধের কোন বিষয়ের ইঙ্গিত বহন করে?
- 'কমলাকান্তের জোবানবন্দি' কোন ধরনের রচনা?
- কোনটি 'পথের দাবী' উপন্যাসের চরিত্র ?
- মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কেউ কিছু বলতে পারে না’ একটি-
- ’হে আমি একা ফির্যা আইলাম গো মামা, সব কটারে গাঙের জলে ভাসাইয়া দিয়া আমি একা ফির্যা আইলাম । ‘ - এ কথা কে বলেছে?
- প্রার্থনা বেশী কিছু নয়আমার ঘামের দাম।তা'য়ো দেবে না কি?তবে শোন, ধান কাটা শেষকাস্তের অবকাশ।সুতরাং সময় কাটাতেতোমার কণ্ঠনালীএবার সে ছোঁবে।'বিড়াল' প্রবন্ধে বর্ণিত অধিকারবোধের সশস্ত্র প্রকাশ ঘটেছে উদ্দীপকে। মন্তব্য মূল্যায়ন কর।
- সম্প্রতি চিতলমারী গ্রামের অনেক উন্নতি হয়েছে- পাকা রাস্তা, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, ডিশ অ্যান্টেনা মাঝে মাঝে দুই-চারটি পাকা বাড়িও চোখে পড়ে। কিন্তু কৃষিনির্ভর মানুষের ভাগ্যের তেমন পরিবর্তন হয়নি। আগে যারা খেয়ে পরে বছরে দুবিঘা জমি কিনত, এখন বছর শেষে শূন্য। ওই গ্রামের করিম মাস্টার বললেন, 'উন্নতি হবে কেমন করে, এখন তো সবাই সাহেব। আহার, বিশ্রাম, আড্ডা, ভ্রমণ আর হিংসা-দলাদলি নিয়ে মানুষ এখন ব্যস্ত।''করিম মাস্টারের বক্তব্যে বঙ্গদেশীয় চাষার চিরদারিদ্র্যের কারণ নিহিত আছে'- উক্তিটি 'চাষার দুক্ষু' রচনা অনুসারে মূল্যায়ন করো।
- জহির রায়হানের জন্ম কোন জেলায়?
- 'কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই' – মার্জার যেভাবে কথাটি বলেছিল-