কোনটি জিনোম সিকোয়েন্সিং এর প্রয়োগ ক্ষেত্র
- কীট-পতঙ্গ রোধী উদ্ভিদ সৃষ্টি
- ইন্টারফেরন উৎপাদন
- ইনসুলিন উৎপাদন
নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তরঃ
D.
i, ii, iii
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর হলো: i, ii, iii। নিচে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রের ব্যাখ্যা দেয়া হলো:
- কীট-পতঙ্গ রোধী উদ্ভিদ সৃষ্টি: জিনোম সিকোয়েন্সিং এর মাধ্যমে উদ্ভিদের জেনেটিক গঠন বিশ্লেষণ করে এমন জেনের সন্ধান পাওয়া যায়, যা কীট-পতঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর ফলে, জেনেটিকালি প্রোগ্রামড উদ্ভিদ তৈরি সম্ভব হয়।
- ইন্টারফেরন উৎপাদন: ইন্টারফেরন হলো অ্যান্টিভাইরাল প্রোটিন, যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। জিনোম সিকোয়েন্সিং এর মাধ্যমে এই প্রোটিনের জেনেটিক ইনফরমেশন চিহ্নিত করা যায়, ফলে ইন্টারফেরন উৎপাদনের জন্য জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং সম্ভব হয়।
- ইনসুলিন উৎপাদন: ইনসুলিন একটি হরমোন, যা ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। জিনোম সিকোয়েন্সিং এর মাধ্যমে ইনসুলিনের জেনেটিক কোড চিহ্নিত করে, জৈবপ্রযুক্তির মাধ্যমে এটি উৎপাদন করা সম্ভব হয়।