মানুষের শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ ও ক্যান্সার প্রতিরোধ করে—
সঠিক উত্তরঃ
A.
ইন্টারফেরন
Explanation:

Another Explanation (5):
মানুষের শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে ইন্টারফেরন
ইন্টারফেরন: ভাইরাসের সংক্রমণ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
ইন্টারফেরন (Interferon) হলো একটি প্রাকৃতিক প্রোটিন যা শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। এটি বিশেষ করে ভাইরাসের সংক্রমণ ও ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও কার্যপ্রণালী আলোচনা করা হলো।
ইন্টারফেরনের কার্যপ্রণালী ও বৈশিষ্ট্য
- 🛡️ প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক: ইন্টারফেরন শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- 🦠 ভাইরাস প্রতিরোধে কার্যকর: ভাইরাস কোষে প্রবেশ করলে ইন্টারফেরন তাদের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।
- 🎯 ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়াই: ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হয়।
- 💉 চিকিৎসায় ব্যবহার: কিছু ধরনের ভাইরাসজনিত রোগ ও ক্যান্সার চিকিত্সায় ইন্টারফেরন ব্যবহৃত হয়।
ইন্টারফেরনের কার্যপ্রণালী (টেবিল আকারে)
| প্রক্রিয়া | বর্ণনা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| সিগন্যাল পাঠানো | সংক্রমিত কোষ থেকে ইন্টারফেরন নিঃসরণ হয় এবং প্রতিবেশী কোষকে সংকেত দেয়। | ভাইরাসের সংক্রমণজনিত কোষের সিগন্যাল |
| প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি | প্রতিবেশী কোষে এন্টি-???াইরাল প্রোটিন উৎপাদন বাড়ায়। | অ্যান্টিভাইরাল প্রোটিনের উৎপাদন |
| ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়াই | ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রোধ করে এবং স্বাভাবিক কোষের কার্যকলাপ বাড়ায়। | ক্যান্সার প্রতিরোধে ব্যবহৃত |
উপসংহার
ইন্টারফেরন হলো শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি ভাইরাসজনিত রোগের পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বিজ্ঞানীরা এই প্রোটিনের উপর গবেষণা চালিয়ে আরও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করছেন।
Option A Explanation:
ইন্টারফেরন (Interferon)
- ইন্টারফেরন হলো এক ধরণের প্রাকৃতিক প্রোটিন যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা দ্বারা উৎপন্ন হয়।
- এটি মূলত ভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়ক।
- ইন্টারফেরন শরীরের কোষগুলোকে ভাইরাসের আক্রমণে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- এটি ভাইরাসের বৃদ্ধি ও বিস্তারকে বাধা দেয়, ফলে ভাইরাসজনিত রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়।
- ইন্টারফেরন বিভিন্ন ধরণের থাকতে পারে, যেমন ইন্টারফেরন অ্যালফা, বিটা, গামা ইত্যাদি।
Option B Explanation:
- ইনসুলিন: এটি একটি হরমোন যা মূলত অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়। এর কাজ হলো রক্তে শর্করা (গ্লুকোজ) এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
- প্রধানতঃ এটি শরীরের গ্লুকোজ ব্যবহার বা সংরক্ষণে সহায়ক, রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দিতে পারে, তবে এটি রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজন হয় না।
Option C Explanation:
- সোমাটোস্ট্যাটিন হল একটি হরমোন যা বিভিন্ন শারীরিক প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি মূলত প্যানক্রিয়াস, হিপোথ্যালামাস এবং অন্যান্য অঙ্গের মধ্যে সঞ্চালিত হয়।
- সোমাটোস্ট্যাটিন প্রধানত ইনসুলিন, গ্লুকাগন, গ্লুকোজ এবং অন্যান্য হরমোনের মুক্তি নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি ইনসুলিনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়, যা কিটোন বডি উৎপাদন রোধে সহায়ক।
- সোমাটোস্ট্যাটিন শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Option D Explanation:
- গ্লোবিউলিন: গ্লোবিউলিন হলো একটি প্রোটিনের শ্রেণী যা রক্তে পাওয়া যায়। এটি প্রধানত ইমিউন সিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ইমিউন সিস্টেমে ভূমিকা: গ্লোবিউলিন বিশেষ করে অ্যান্টিবডি বা এন্টিবডির একটি বৃহৎ অংশ, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধে কাজ করে। এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং অন্যান্য অজানা উপাদানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- প্রকারভেদ: গ্লোবিউলিন বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে, যেমন অ্যালফা, বিটা, এবং গ্যামা গ্লোবিউলিন। গ্যামা গ্লোবিউলিনই মূলত ইমিউন সিস্টেমের প্রধান অংশ।
- গ্লোবিউলিনের উপকারিতা: এটি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, অ্যান্টিজেনের সাথে লড়াই করে, এবং শরীরের সুস্থ্যতা রক্ষা করে।