কোথায় অ্যামাইলেজ ও মলটেজ এনজাইম পাওয়া যায়?
RUUnit-Gজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরিপাক ও শোষণঅগ্ন্যাশয় (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
অগ্ন্যাশয় রসে
Explanation:

Another Explanation (5):
অ্যামাইলেজ ও মলটেজ এনজাইম: উৎস এবং বিস্তারিত আলোচনা 🧪
অ্যামাইলেজ (Amylase) এবং মলটেজ (Maltase) উভয়ই শর্করা পরিপাকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম। এদের উৎস এবং কাজ সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
অ্যামাইলেজ (Amylase) 淀粉酶
উৎস ⛲️
- লালা গ্রন্থি (Salivary glands): মুখের লালা রসে টায়ালিন (Ptyalin) নামক অ্যামাইলেজ থাকে, যা শ্বেতসার (Starch) পরিপাক শুরু করে। 👅
- অগ্ন্যাশয় (Pancreas): অগ্ন্যাশয় রস (Pancreatic juice)-এ অ্যামাইলেজ থাকে, যা ক্ষুদ্রান্ত্রে শ্বেতসার পরিপাকে সাহায্য করে। 🔆
কাজ ⚙️
- শ্বেতসারকে ভেঙে ছোট শর্করায় (যেমন: মলটোজ) পরিণত করে।
- লালার অ্যামাইলেজ মুখেই শ্বেতসার পরিপাক শুরু করে।
- অগ্ন্যাশয়ের অ্যামাইলেজ ক্ষুদ্রান্ত্রে পরিপাক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
মলটেজ (Maltase) 麦芽糖酶
উৎস ⛲️
- ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীর (Small intestine lining): ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীর-এ মলটেজ নামক এনজাইম থাকে। 🔆
কাজ ⚙️
- মলটোজকে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে। 🍫
- গ্লুকোজ রক্তে শোষিত হয়ে শরীরে শক্তি সরবরাহ করে। 💪
অ্যামাইলেজ ও মলটেজ উৎসের তুলনামূলক তালিকা 📊
| এনজাইম | প্রধান উৎস | কাজ |
|---|---|---|
| অ্যামাইলেজ | লালা গ্রন্থি, অগ্ন্যাশয় | শ্বেতসারকে মলটোজে পরিণত করা |
| মলটেজ | ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীর | মলটোজকে গ্লুকোজে পরিণত করা |
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️
- অ্যামাইলেজ এবং মলটেজ উভয়ই শর্করা পরিপাকের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। ✅
- অ্যামাইলেজের অভাবে শ্বেতসার পরিপাকে সমস্যা হতে পারে। ⚠️
- মলটেজের অভাবে মলটোজ থেকে গ্লুকোজ উৎপাদনে সমস্যা হতে পারে। ⛔️
আশা করি, অ্যামাইলেজ ও মলটেজ এনজাইমের উৎস এবং কাজ সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া
Option A Explanation:
- আন্ত্রিক রসে অ্যামাইলেজ ও মলটেজ এনজাইম পাওয়া যায় কারণ এটি পাচনতন্ত্রের অন্তর্গত রস।
- এনজাইমগুলো খাদ্যহীন চর্বি, শর্করা ও প্রোটিনের পচন প্রক্রিয়ায় সহায়ক করে।
- আন্ত্রিক রসে উপস্থিত এনজাইমগুলো খাদ্যবস্তুর চেহারা ও গুণগত মানের উপর ভিত্তি করে কার্যক্ষমতা দেখায়।
- এগুলো সাধারণত অগ্ন্যাশয় ও লালার মধ্যে নিঃসৃত হলেও, আন্ত্রিক রসে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে উপস্থিত থাকে।
Option B Explanation:
- অ্যামাইলেজ ও মলটেজ এনজাইমের উপস্থিতি: এই এনজাইমগুলো লালা রসে পাওয়া যায়।
- কার্যকারিতা: লালা এনজাইমগুলো খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণে সহায়ক, বিশেষ করে শর্করা বিপাকের জন্য।
- উৎপাদনকারী অঙ্গ: লালা গ্রন্থি (Salivary glands) এই এনজাইমগুলো উৎপাদন করে।
- বৈশিষ্ট্য: লালা রসে উপস্থিত অ্যামাইলেজ ও মলটেজ খাদ্যজন্তুগুলির মধ্যে শর্করা ভেঙে সহজে হজমে সহায়ক হয়।
Option C Explanation:
অগ্ন্যাশয় রসে অ্যামাইলেজ ও মলটেজ এনজাইমের উপস্থিতি
- অ্যামাইলেজ: এই এনজাইমটি প্রধানত অগ্ন্যাশয় (প্যানক্রিয়াস) থেকে নিসৃত হয়। এটি কার্বোহাইড্রেটের পচন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, বিশেষ করে জটিল শর্করাগুলিকে সহজ শর্করায় রূপান্তর করে।
- মলটেজ: এই এনজাইমটি মূলত অগ্ন্যাশয় থেকে নিসৃত হয় এবং মূলত শর্করার পচনে সহায়তা করে। এটি মূলত মাল্টোজের মতো জটিল শর্করাগুলিকে গ্লুকোজে রূপান্তর করে।
Option D Explanation:
- পাকস্থলী মূলত হজমের জন্য কাজ করে এবং খাদ্যভাগের ক্ষুদ্র আকারে ভাঙনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ প্রদান করে।
- এখানে কিছু ব্যাকটেরিয়া জীবাণু উপস্থিত থাকে যা কিছু নির্দিষ্ট যৌগের পরিবর্তন বা ভাঙনের কাজ করে।
- তবে, নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থের ইউরিয়ার সংশ্লেষণ এই অঙ্গের মাধ্যমে ঘটে না।
- নাইট্রোজেনের সংশ্লেষণ ও পরিশোধন মূলত কিডনির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।