কোনটি মাস্টার মলিকিউল নামে পরিচিত?
সঠিক উত্তরঃ
A.
DNA
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর হলো: "DNA"। এটি "মাস্টার মলিকিউল" নামে পরিচিত কারণ DNA (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড) জীবজগতে সব ধরনের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে রাখে। এর মাধ্যমে জীবের বৈশিষ্ট্য, গঠন, ও কার্যক্রম নির্ধারিত হয়। নিচে এর কিছু মূল বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলো:
- জেনেটিক তথ্যের সংরক্ষণ: DNA জীবের সব জেনেটিক কোড ধারণ করে, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়।
- অন্য কোষের মধ্যে তথ্য স্থানান্তর: DNA এর মাধ্যমে জীবের বৈশিষ্ট্য ও কার্যক্রম পরবর্তীতে ট্রান্সমিট হয়।
- প্রচুর জৈবিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ: DNA বিভিন্ন প্রক্রিয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়, যেমন প্রোটিন সংশ্লেষণ।
Option A Explanation:
- DNA (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লেইক অ্যাসিড): DNA হলো একটি জৈবিক অণু যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে। এটি ডাবল হেলিক্যাল আকারে গঠিত এবং জীবের বৃদ্ধি, বিকাশ, পুনরুত্পাদন ও প্রজননের জন্য অপরিহার্য।
- গঠন: DNA এর মূল উপাদান হলো নিউক্লিওটাইড, যা নিউক্লোটাইডের সংমিশ্রণে গঠিত। প্রতিটি নিউক্লিওটাইডে থাকে একটি ফসফেট গ্রুপ, একটি শর্করা (ডিঅক্সিরাইবো), এবং একটি নাইট্রোজেন বেস।
- কার্যপ্রণালী: DNA এর মাধ্যমে জীবের জেনেটিক তথ্য প্রেরিত হয় এবং এটি প্রোটিন সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্রকার: বিভিন্ন ধরনের DNA রয়েছে, যেমন চROMOSোমের মধ্যে থাকা ডি.এন.এ., মাইটোকন্ড্রিয়াল ডি.এন.এ, ইত্যাদি।
Option B Explanation:
- RNA (রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড): ভিরয়েডের গাঠনিক উপাদান হলো RNA। এটি এক ধরনের ক্ষুদ্র, সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড নিউক্লিক অ্যাসিড যা ডিএনএ’র তুলনায় খুবই ছোট।
- প্রোটিনের অভাব: ভিরয়েডের মধ্যে কোনও প্রোটিনের উপস্থিতি দেখা যায় না। তারা কেবলমাত্র RNA দ্বারা গঠিত।
- গঠন: ভিরয়েডের RNA সাধারণত সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড এবং বাঁকানো বা ক্রস-সেকশনাল গঠন ধারণ করে, যা তাদের স্থিতিশীলতা ও কার্যকলাপে সহায়তা করে।
Option C Explanation:
- প্রোটিন: ইন্টারকাইনেসিসের সময় সাধারণত প্রোটিন সংশ্লেষিত হয় না।
- এটি একটি কোষের বিভাজনের সময় যে সময়ে DNA, RNA এবং অন্যান্য উপাদানগুলি সংশ্লেষিত হয়, তবে প্রোটিনের সংশ্লেষণ ঘটে মূলত গ্লাইকোলাইসিস বা অন্যান্য সময়ে।
- অর্থাৎ, ইন্টারকাইনেসিসের সময় প্রোটিনের সংশ্লেষণ কম বা হয় না, তবে এটি মূলত অন্য সময়ে ঘটে থাকে।
Option D Explanation:
কার্বহাইড্রেট
- সংজ্ঞা: কার্বহাইড্রেট হলো এমন জৈব যৌগ যা কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), এবং অক্সিজেন (O) এর সমন্বয়ে গঠিত।
- উৎপত্তি: সাধারণত উদ্ভিদ দ্বারা সূর্যালোকের মাধ্যমে ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়।
- প্রকারভেদ:
- মোনোস্যাকারাইড (উদাহরণ: গ্লুকোজ, ফ্রুকটোজ)
- ডিস্যাক্যারাইড (উদাহরণ: সুক্রোজ, মালটোজ)
- পলিস্যাক্যারাইড (উদাহরণ: স্টার্চ, গ্লাইকোজেন, সেলুলোজ)
- প্রধান কাজ: শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে এবং কাঠামোগত উপাদান হিসেবে ভূমিকা রাখে।
- উদাহরণ: চাল, গম, আলু, ফলমূল ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্যে প্রচুর পরিমাণে কার্বহাইড্রেট পাওয়া যায়।