মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ম্যালেরিয়া সৃষ্টিকারী কোন জীবাণুর প্রভাবে ৭২ ঘণ্টা পরপর জ্বর আসে?

A.

Plasmodium falciparum

B.

Plasmodium malariae

C.

Plasmodium ovale

D.

Plasmodium vivax

Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B.

Plasmodium malariae

Explanation:

Another Explanation (5):

ম্যালেরিয়া ও Plasmodium malariae🦠

ম্যালেরিয়া একটি মারাত্মক রোগ যা Plasmodium নামক পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট। এই পরজীবীর বিভিন্ন প্রজাতি মানুষের শরীরে ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী। এদের মধ্যে Plasmodium malariae অন্যতম।

Plasmodium malariae এবং জ্বর 🤒

Plasmodium malariae দ্বারা সৃষ্ট ম্যালেরিয়ার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর জ্বরের নির্দিষ্ট সময়কাল। এই ক্ষেত্রে, সাধারণত ৭২ ঘণ্টা পরপর জ্বর আসে। একে Quartan Malaria-ও বলা হয়।

কেন ৭২ ঘণ্টা পরপর জ্বর আসে? 🤔

এর কারণ হলো Plasmodium malariae-এর জীবনচক্র। এই পরজীবী লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cells) ধ্বংস করার মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। P. malariae-এর ক্ষেত্রে লোহিত রক্তকণিকার অভ্যন্তরে পরজীবীর সংখ্যা একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছাতে এবং লোহিত রক্তকণিকাগুলোকে ভেঙে নতুন পরজীবী নির্গত করতে প্রায় ৭২ ঘণ্টা সময় লাগে। এই সময়েই জ্বর দেখা যায়।

ম্যালেরিয়ার অন্যান্য প্রজাতি ও তাদের জ্বরের সময়কাল 🗓️

Plasmodium প্রজাতি জ্বরের সময়কাল
Plasmodium falciparum সাধারণত অনিয়মিত (৩৬-৪৮ ঘণ্টা)
Plasmodium vivax ৪৮ ঘণ্টা (Tertian Malaria)
Plasmodium ovale ৪৮ ঘণ্টা (Tertian Malaria)
Plasmodium malariae ৭২ ঘণ্টা (Quartan Malaria)

Plasmodium malariae দ্বারা সৃষ্ট ম্যালেরিয়ার লক্ষণ 📝

  • নিয়মিতভাবে ৭২ ঘণ্টা পরপর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা 🥶
  • মাথাব্যথা 🤕
  • muscle pain 💪
  • ক্লান্তি 😫
  • বমি বমি ভাব 🤮
  • রক্তাল্পতা (Anemia) 🩸

প্রতিরোধ ও চিকিৎসা 🛡️

  1. মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশারি ব্যবহার করুন 🛌
  2. কীটনাশক স্প্রে ব্যবহার করুন 🦟🚫
  3. জ্বর হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন 👨‍⚕️
  4. নিয়মিত ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী ঔষধ সেবন করুন 💊

সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন! 😊

Option A Explanation:
  • প্রকার: একপ্রকার পরজীবী (প্রোটোজোয়া)
  • অবস্থান: মানবদেহে ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী
  • বিশেষত্ব: এই পরজীবীটি সবচেয়ে গুরুতর ও মারাত্মক ধরনের ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: ইঁদুর বা মাছি (Anopheles mosquito) এর মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
  • প্রজনন ও জীবনচক্র: মানুষের রক্তে বাস করে এবং লিভার কোষে প্রজনন করে।
  • উপসর্গ: জ্বর, কাঁপুনি, মাথা ব্যথা, শরীরের দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
  • বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই পরজীবীটি অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় বেশি মারাত্মক এবং দ্রুত সংক্রমণ ঘটায়।
Option B Explanation:
  • নাম: Plasmodium malariae
  • প্রকার: পরজীবী প্রোটোজোয়া (প্রোটোজোয়া পরজীবী)
  • সংক্রান্ত রোগ: মালেরিয়া (Malaria)
  • প্রভাব: রক্তের লোহিত রক্তকণিকা আক্রান্ত করে, জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়
  • প্রজনন: মানসিক মধ্যবর্তী পরজীবী (অ্যামাইবোসিস বা অন্য কিছু নয়, বরং মালেরিয়ার জন্য প্রজনন করে)
  • আবাস: মানবদেহের রক্তপ্রবাহে থাকে এবং এদের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়
  • সংক্রমণ পদ্ধতি: এঁড়ে বা মাছি দ্বারা সংক্রমিত হয়, যখন তারা আক্রান্ত রক্তের সাথে যোগাযোগ করে
Option C Explanation:
  • Plasmodium ovale একটি প্রোটজোয়া পরজীবী যা সাধারণত মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।
  • এটি মূলত অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • এটি মানুষের দেহে ইনফেকশন ঘটাতে সক্ষম হলেও, সাধারণত এটি খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায় এবং খুব বেশি গুরুতর রোগ সৃষ্টি করে না।
  • ইনফেকশন হলে এর লক্ষণগুলি সাধারণত হালকা হয় এবং চিকিত্সার মাধ্যমে সহজে নিরাময় হয়।
  • অন্য সাধারণ ম্যালেরিয়া পরজীবীদের মতো, এটি রক্তের লোহিত কণিকা আক্রমণ করে না বা মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করে না।
Option D Explanation:
  1. প্রকার: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি প্রকার, যা মালেরিয়া (অ্যাকিউট বা ক্রনিক) রোগের কারণ।
  2. উদ্ভবস্থান: সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেখানে জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকে।
  3. লক্ষণ:
    • অল্প সময়ের জন্য জ্বর আসে, যা পুনরাবৃত্তি হয়।
    • জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা সাধারণত ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
    • শরীরের অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
    • অন্য লক্ষণগুলোতে মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, পেশী ব্যথা থাকতে পারে।
  4. প্রজনন ও সংক্রমণ: প্যাথোজেনটি রক্তে প্রবেশ করে, এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে অন্যান্য মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
  5. চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।